<?xml version="1.0" encoding="utf-8"?>
<rss version="2.0" xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom">
	<channel>
		<title><![CDATA[রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ফোরাম — ভিন্ন জগত]]></title>
		<link>http://rmcforum.com/</link>
		<atom:link href="http://www.rmcforum.com/feed-rss-forum42.xml" rel="self" type="application/rss+xml" />
		<description><![CDATA[The most recent topics at রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ফোরাম.]]></description>
		<lastBuildDate>Sat, 08 Jul 2017 14:25:32 +0000</lastBuildDate>
		<generator>PunBB 1.4.2</generator>
		<item>
			<title><![CDATA[কবি শফিকুল ইসলামের জীবনী]]></title>
			<link>http://rmcforum.com/topic1903new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<p><img class="sigimage" src="https://img7.uploadhouse.com/fileuploads/25254/252548372b6a18a8623edc1627d7dd30f0c8f328.jpg" alt="PunBB bbcode test" /> <br />কবি শফিকুল&nbsp; ইসলাম</p><p>উদভ্রান্ত যুগের শুদ্ধতম কবি শফিকুল ইসলাম। তারুণ্য ও দ্রোহের প্রতীক । তার কাব্যচর্চ্চার বিষয়বস্তু প্রেম ও দ্রোহ। কবিতা রচনার পাশাপাশি তিনি অনেক গান ও রচনা করেছেন। তার দেশাত্ববোধক ও সমাজ-সচেতন গানে বৈষম্য ও শোষণের বিরুদ্ধে দেশবাসীকে জাগিয়ে তোলার প্রচেষ্টা লক্ষ্য করা যায়। তিনি বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের তালিকাভুক্ত গীতিকার। </p><p>শফিকুল ইসলামের জন্ম ১০ই ফেব্রুয়ারী, সিলেট জেলা শহরের শেখঘাটস্থ খুলিয়াপাড়ায়। তার পিতার নাম মনতাজ আলী। তিনি পেশায় একজন কাষ্টমস অফিসার ছিলেন। তার মাতার নাম শামসুন নাহার। </p><p>শফিকুল ইসলাম সিলেট জেলার এইডেড হাইস্কুল থেকে এসএসসি ও মদন মোহন মহাবিদ্যালয় থেকে এইচএসসি উত্তীর্ণ হন। পরবর্তীতে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতি ও সমাজকল্যাণে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করেন। এছাড়া এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ থেকে এম,এ ইন ইসলামিক ষ্টাডিজ ডিগ্রী অর্জন করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে শিক্ষাজীবনে অনন্য কৃতিত্বের জন্য স্বর্ণপদক প্রাপ্ত হন।</p><p>কর্মজীবনে একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান কর্মকর্তা&nbsp; কবি শফিকুল ইসলাম চাকরীসূত্রে বিসিএস(প্রশাসন) ক্যাডারের একজন সদস্য। তার কর্মজীবনের শুরু কুষ্টিয়া ডিসি অফিসে সহকারী কমিশনার হিসেবে।তিনি ঢাকার প্রাক্তন মেট্রোপলিটান ম্যাজিষ্ট্রেট,&nbsp; ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সাবেক এডিসি। এছাড়া ও তিনি বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন&nbsp; কর্পোরেশনের জেনারেল ম্যানেজার এবং ত্রাণ ও পুনর্বাসন অধিদপ্তরে উপপরিচালক ছিলেন। তিনি স্বরাষ্ট্র্র মন্ত্রণালয়ে সিনিয়র সহকারী সচিব, অর্থমন্ত্রণালয়ের ইআরডিতে উপসচিব পদে ও বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব। তিনি সরকারী কাজে&nbsp; যে সব দেশ ভ্রমণ করেছেন তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে বৃটেন, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম, দক্ষিণ কোরিয়া, ফিলিপাইনও সিঙ্গাপুর। </p><p>লেখালেখির শুরু ছাত্রজীবনে স্কুল ম্যাগাজিনে লেখালেখির প্রচেষ্টা থেকে। থেকে। সেটি ছিল ১৯৭৫ খ্রিস্টাব্দ। তখন কবি ক্লাস সেভেনে পড়েন। কাব্যচর্চা দিয়ে লেখালেখি শুরু করেন। ১৯৮০সালে সিলেটের মুসলিম সাহিত্য সংসদের উন্মুক্ত চত্বরে কবিতা পাঠের মাধ্যমে প্রথম জনসমক্ষে আত্মপ্রকাশ।মদন মোহন কলেজে পড়াকালিন তার সম্পাদনায় ‘স্পন্দন’ নামে একটি সাহিত্য পত্রিকা বের হয়। আর সেই ম্যাগাজিনে তার প্রথম লেখা বের হয়।সেটি ছিল একটি কবিতা। এরপর কলেজ ম্যাগাজিনে তার লেখা কবিতা ও গল্প প্রকাশিত হতে থাকে। চাকরীসূত্রে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে কর্মকালীন সময়ে তার কবিতা ও গান বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় ব্যাপকভাবে প্রকাশিত হতে থাকে।পরবর্তীতে স্থানীয়, জাতীয় ও অনলাইন পত্র-পত্রিকায় তার লেখা প্রকাশিত হয়। </p><p>ছা্ত্রজীবনে ১৯৮১সালে তৎকালীন ক্রীড়া ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় কর্তৃক একুশে ফেব্রুয়ারী উপলক্ষে দেশব্যাপী আয়োজিত সাহিত্য প্রতিযোগীতায় বাংলাদেশ পরিষদ সাহিত্য পুরস্কার প্রাপ্ত হন। এছাড়া আন্তর্জাতিক লেখক দিবস উদযাপন পরিষদ কর্তৃক লেখক সম্মাননা পদক ২০০৮প্রাপ্ত হন। সম্প্রতি তার জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ ‘তবুও বৃষ্টি আসুক’ এই অনন্য কাব্যগ্রন্থের জন্য তিনি নজরুল স্বর্ণপদক প্রাপ্ত হন। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে সাহিত্য ক্ষেত্রে অনন্য অবদানের জন্য বিভিন্ন পদকে ভূষিত হন।</p><p>আপাতদৃষ্টিতে তাকে অনেকে প্রেম ও বিরহের কবি হিসেবে আখ্যায়িত করলে ও তিনি যে একজন সমাজ-সচেতন কবি তা তার দহন কালের কাব্য ও প্রত্যয়ী যাত্রা কাব্যগ্রন্থ পাঠে সুস্পষ্টভাবে প্রতিভাত হয়। সমাজের বিভিন্ন অসংগতি ও বৈষম্য যে তাকে সংক্ষুব্ধ করেছে, অনায়াসে তা উপলব্ধি করা যায়।<br />কবি শফিকুল ইসলামের হাতে প্রকৃতির সকল বৈচিত্র সমাহৃত হইয়া কবির হাতে নূতন রূপে রূপায়িত হইয়া উঠিয়াছে। তুণাঙ্কুর, ধুলিকণা, শিশিরকণাটি পর্যন্ত নব নব শ্রী ও সম্পদ লাভ করিয়াছে। কবি পাঠকের মনেও সৃজনী-মাধুরীর প্রত্যাশা করিয়া তাঁহার সৃষ্টিকে ব্যঞ্জনাময়ী করিয়াছেন- ছবির আদ্‌রা আঁকিয়া কবি পাঠককে দিয়াছেন তাহার নিজের মনের রং দিয়া ভরিবার জন্য। কবি কবিতাকে নব নব রূপ দান করিয়াছেন। তিনি নিজের সৃষ্টিকে নিজেই অতিক্রম করিয়া নূতন রূপসৃষ্টি করিয়াছেন। কবি নব নব ছন্দ আবিস্কার করিয়াছেন। তাঁহার বাগ-বৈভবে ও প্রকাশ ভঙ্গিমায় কবি মানসের যে একটি অভিনব রূপ তিনি প্রকাশ করিয়াছেন তাহা বিস্ময়কর।<br />তার প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থসমূহ ঃ একুশে বইমেলায় বিভিন্ন সময়ে তার কাব্যগ্রস্থ প্রকাশিত হয়।এই ঘর এই লোকালয়(২০০০) প্রকাশিত হয় প্রবর্তন প্রকাশন থেকে । একটি আকাশ ও অনেক বৃষ্টি(২০০৪) প্রকাশিত হয় আমীর প্রকাশন থেকে।&nbsp; তবু ও বৃষ্টি আসুক(২০০৭) ও শ্রাবণ দিনের কাব্য (২০১০) প্রকাশিত হয় আগামী প্রকাশনী থেকে । দহন কালের কাব্য(২০১১) ও প্রত্যয়ী যাত্রা(২০১২) প্রকাশিত হয় মিজান পাবলিশার্স থেকে। গীতি সংকলন ঃ মেঘ ভাঙ্গা রোদ্দুর(২০০৮) প্রকাশিত হয় আগামী প্রকাশনী থেকে। এছাড়া রয়েছে আড়াই হাজারের অধিক গান নিয়ে ‘শফিকুল ইসলামের শ্রেষ্ঠ গীতিকবিতা’ নামের পাচ খণ্ড বিশিষ্ট গ্র্ন্থ। দেশে-বিদেশে বিভিন্ন লেখক, সাহিত্যিক. অধ্যাপক, আমলা, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, সাংবাদিক তার রচিত সাহিত্যকর্মের উপর আলোচনা ও গবেষণা করেছেন।</p><p>সকল স্রষ্টার সৃজনীপ্রতিভা যে ভাবে ক্রমবিকাশ লাভ করে কবি শফিকুল ইসলাম প্রতিভার বিকাশও সেই ভাবেই হইয়াছে। প্রথম যৌবনে অন্তর্গূঢ় প্রতিভার বিকাশ-বেদনা তাঁহাকে আকুল করিয়াছে– তখন কুঁড়ির ভিতর কেঁদেছে গন্ধ আকুল হয়ে, তখন ‘কস্তুরীমৃগসম’ কবি আপন গন্ধে পাগল হইয়া বনে বনে ফিরিয়াছেন। প্রথম জীবনের রচনায় এই আকুলতার বাণী, আশার বাণী, উৎকন্ঠা, উচ্চাকাঙ্খা, সংকল্প, ক্ষণিক নৈরাশ্যে আত্মসাধনা, মহাসাগরের ডাক, বাধা বিঘ্নের সহিত সংগ্রাম ইত্যাদির কথা আছে।<br />বাস্তবিক কবি শফিকুল ইসলামের সমস্ত রচনার মধ্যে এই সীমাকে উত্তীর্ণ হইয়া অগ্রসর হইয়া চলিবার একটি আগ্রহ ও ব্যগ্র তাগাদা স্পষ্টই অনুভব করা যায়। যাহা লব্ধ তাহাতে সন্তুষ্ট থাকিয়া তৃপ্তি নাই, অনায়ত্তকে আয়ত্ত করিতে হইবে, অজ্ঞাতকে জানিতে হইবে, অদৃষ্টকে দেখিতে হইবে- ইহাই কবি শফিকুল ইসলামের কথা।<br />সাধারণ কবিদের মত তিনি ভাববিলাসিতায় ভেসে যাননি। ভাবের গড্ডালিকা প্রবাহে নিজেকে অবলুপ্ত করে দেননি। প্রকৃত কবির মত তার কবিতায় কাব্যিক মেসেজ অনায়াসে উপলব্ধি করা যায়। স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন জাগতে পারে কি সে মেসেজ? তার কাব্যসৃষ্টিতে সাম্য, মৈত্রী ও মানবতার নিগূঢ় দর্শন অন্তঃসলিলা ফল্গুধারার মত প্রবহমান। তার ‘তবুও বৃষ্টি আসুক’ কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতায় কবি বলেছেনঃ-<br />“তারও আগে বৃষ্টি নামুক আমাদের বিবেকের মরুভূমিতে,<br />সেখানে মানবতা ফুল হয়ে ফুটুক-<br />আর পরিশুদ্ধ হোক ধরা, হৃদয়ের গ্লানি…”<br />(কবিতাঃ ‘তবুও বৃষ্টি আসুক’)<br />পংক্তিগুলো পাঠ করে নিজের অজান্তে আমি চমকে উঠি। এতো মানবতাহীন এই হিংস্র পৃথিবীতে বিশ্ব মানবের অব্যক্ত আকাংখা যা কবির লেখনীতে প্রোজ্জ্বলভাবে প্রতিভাত হয়েছে। এতো শুধু কবির কথা নয়, এতো একজন মহামানবের উদ্দীপ্ত আহ্বান। তার কবিতা পাঠে আমি অন্তরের অন্তঃস্থলে যেন একজন মহামানবের পদধ্বনি শুনতে পাই। যিনি যুগ মানবের অন্তরের অপ্রকাশিত আকাংখা উপলব্ধি করতে পারেন অনায়াসে আপন অন্তরের দর্পণে। তাই তিনি বিশ্ব মানবের কবি। বিশ্বমানবতার কবি।<br />বর্তমানে <a href="http://www.grontho.com" target="_blank">www.grontho.com</a>, sheiboi.com, <a href="http://www.chorui.com" target="_blank">www.chorui.com</a>, bengaleboi.com এবং <a href="http://www.noboboi.com" target="_blank">www.noboboi.com</a>, <a href="http://www.eakash.com" target="_blank">www.eakash.com</a> সহ বিভিন্ন ওয়েব সাইট থেকে এবং banglapdf.net, <a href="http://www.boighar.com" target="_blank">www.boighar.com</a>, kazirhut.com, <a href="http://www.boilovers.com" target="_blank">www.boilovers.com</a> ও <a href="http://www.boierdunia.in" target="_blank">www.boierdunia.in</a> সহ বিভিন্ন ফোরাম থেকে তার রচিত বইসমূহ ডাউনলোড করা যায়।এছাড়া গুগোল প্লে-ষ্টোরে রয়েছে তার রচিত বইয়ের বিশাল ভাণ্ডার, যা তাৎক্ষণিকভাবে ডাউলোড করে পাঠ করা যায়। ফেসবুক গ্রুপ এবং ইউটিউবেও রয়েছে তার রচিত কবিতা আবৃত্তি ও গানের অসংখ্য ভিডিও। বর্তমানে <a href="http://www.rokomari.com" target="_blank">www.rokomari.com</a> থেকে অনলাইনে(Help: 16297 অথবা 01519521971 ফোন নাম্বারে) সরাসরি তার সকল বই&nbsp; সংগ্রহ করা যায়।<br />&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp;-- লেখক : নিজাম ইসলাম</p>]]></description>
			<author><![CDATA[null@example.com (sfk505)]]></author>
			<pubDate>Sat, 08 Jul 2017 14:25:32 +0000</pubDate>
			<guid>http://rmcforum.com/topic1903new-posts.html</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[শুভ জন্মদিন ডা: শামিম]]></title>
			<link>http://rmcforum.com/topic1862new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<p>শুভ জন্মদিন ডা: শামিম</p>]]></description>
			<author><![CDATA[null@example.com (আশিকুর_নূর)]]></author>
			<pubDate>Sat, 27 Oct 2012 19:37:01 +0000</pubDate>
			<guid>http://rmcforum.com/topic1862new-posts.html</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[পৃথিবীর সবচেয়ে কদাকার চেহারার মহিলা, Salute her!]]></title>
			<link>http://rmcforum.com/topic1855new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<p>লিজ্জি ভেলাস্কুয়েজ (Lizzie Velasquez)<br />পৃথিবীর সবচেয়ে কদাকার চেহারার মহিলা।তিনি হাই স্কুলে থাকা কালীন সময়ে তার ৮ সেকেন্ডের ভিডিও যখন ইউটিউবে আপলোড করা হয়। তারপর থেকে তিনি পৃথিবীর সবচেয়ে কদাকার মহিলার খেতাবটি পেয়ে যান। </p><p><p class="bbcenter"><img class="sigimage" src="https://fbcdn-sphotos-c-a.akamaihd.net/hphotos-ak-ash3/548579_473730495993175_1796026514_n.jpg" alt="https://fbcdn-sphotos-c-a.akamaihd.net/hphotos-ak-ash3/548579_473730495993175_1796026514_n.jpg" /></p></p><p> ইউটিউবে তার সেই ভিডিওটি দেখে অনেকে তাকে দানবী বলে, অনেকে তাকে মরে যাবার জন্য উৎসাহ দেন। তার দেহে কোন এডিপোজ টিস্যু না নেই,এমনকি কোন নতুন মাংসপেশিও সৃষ্টি হয় না। তিনি শক্তি সঞ্চয় করে রাখতে পারেন না, ওজনও বাড়াতে পারেন না। ২৩ বছর বয়সেও তার ওজন মাত্র ৬০ পাউন্ড বা ২৭.২২ কেজি। তিনি শারীরিকভাবে এত হ্যাংলা হওয়া স্বত্বেও তিনি প্রতিজ্ঞা করেন যে তিনি নিজেকে প্রেরনাদায়ী বক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবেন, বই লিখবেন, কলেজে থেকে পাশ করবেন, পরিবার গঠন করবেন সর্বোপরি একটি ক্যারিয়ার । তিনি সেই লক্ষ্যের দিকে এগিয়েও গেছেন। ২০১০ সালে প্রকাশিত হয় তার প্রথম বই “Lizzie Beautiful”। এই মাসের প্রথম দিকে প্রকাশিত তার দ্বিতীয় বই “Be Beautiful, Be You”।<br />সি.এন.এন. এ এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আমি এখন যা করছি তাই এখন মানুষের দেখার বিষয়। তারা যখন আমার দিকে হা করে তাকিয়ে থাকত তখন আমি বসে থাকি নি আমি ভেবেছি কিভাবে তাদের শিক্ষা দেয়া যায় যাতে তারা আমার দিকে হা করে তাকিয়ে না থেকে আমার কাছ থেকে কিছু শিখে নেয়।<br />তিনি আরও বলেন, আমি হয়ত দেখতে কোন মডেলের মত না এইজন্য আমি সন্তুষ্ট যে আমার দৈহিক সৌন্দর্য দিয়ে হয়ত কেউ আমাকে বিচার করবে না। তারা আমাকে বিচার করতে আমার ব্যক্তিত্বের দিকে নজর দিবে।</p><p>লিজ্জি ভেলাস্কুয়েজ যখন জন্মগ্রহণ করেন তার ওজন ছিল মাত্র ২ পাউন্ড, ১০ আউন্স। তার মা রিতা বলেন বলেন ও এতই ছোট ছিল যে আমি ভাবি নি সে বেশী দিন বাচতে পারবে। আমরা তার পড়ার জন্য পুতুলের জামাকাপড় গুলো কিনে আনতাম কারন অন্য বাচ্চাদের জামাকাপড় তার দেহের তুলনায় বেশ বড় হয়ে যায়। ডাক্তাররা রিতা লুপি(লিজ্জি ভেলাস্কুয়েজের বাবা) বলেন, তাদের সন্তান হয়ত কখনও হাঁটতে পারবে না তার দ্বারা স্বাভাবিক জীবন যাপন ও সম্ভবপর হবে না।</p><p>তার হাড়, ব্রেন এবং অন্যান্য অন্তর্বর্তী অঙ্গগুলো স্বাভাবিক নিয়মেই গঠিত হয়, যদিও তার দেহ অনেক শীর্ণ। তার কোন ফ্যাট টিস্যু না থাকায় তিনি কোন পুষ্টিদায়ক উপাদান সঞ্চয় করে রাখতে পারেন না। এই জন্য তাকে প্রতি ১৫-২০ মিনিট পর পর খেতে হয়। তার বয়স যখন চার বছর তখন তার বাদামি বর্ণের চোখটি ঘোলাটে হয়ে যায় তিনি এখন সেই চোখটি দিয়ে কিছু দেখতে পারেন না। তার বর্তমানে দেখার জন্য রয়েছে কেবল মাত্র একটি চোখ।<br />যারা তার নামে পিছনে কথা বলত তাদের কথার বিপরীতে কথা না বলে নিজের মাঝে যে ক্ষোভ, বেদনা সঞ্চয় করেছিলেন তা তিনি পরিণত করেছেন কাজে। এমনকি তার সেই ভিডিওটিও ইউটিউব থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে। তিনি তার সেই ভিডিওটির নিচে লেখা প্রতিটি মন্তব্য ভালভাবে পড়েছেন , যা তাকে খুব আহত করেছিল। নিজের দৃঢ চেষ্টায় তিনি জিতে গেলেন সেই যুদ্ধে, যেই যুদ্ধটা হয়েছিল “পৃথিবীর সবচেয়ে কদাকার মহিলা” এবং তার নিজের মাঝে।</p>]]></description>
			<author><![CDATA[null@example.com (sawontheboss4)]]></author>
			<pubDate>Fri, 14 Sep 2012 12:53:41 +0000</pubDate>
			<guid>http://rmcforum.com/topic1855new-posts.html</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[মালেশিয়ায় এমবিবিএস ডিগ্রী বিষয়ক সাহায্য দরকার]]></title>
			<link>http://rmcforum.com/topic1844new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<p>আমার এক পরিচিত ছোট ভাই মালেশিয়ায় গিয়ে এমবিবিএস পড়তে চাই।পরিচিত সে ছোট ভাই মালেশিয়ায় বিবিএ পঠনরত একজনের সাথে এ ব্যাপারে কথা বলেছে।ঐ লোক তাকে বলেছে,মালেশিয়ায় এমবিবিএস ডিগ্রী ৫ বৎসর মেয়াদী।এই ৫ বছরে প্রায় তিন লক্ষ থেকে সাড়ে চার লক্ষ রিঙ্গিতের মত খরচ হবে।ঐ লোক সেই ছোট ভাইয়ের কাগজপত্র &quot;<strong>ইউনিভার্সিটি অব স্যান্ডারল্যান্ড</strong>&quot; এ জমা দিয়েছে।ইউনিভার্সিটি থেকে বলেছে এপ্লিকেশন ফর্ম জমা দিতে।ঐ লোক জানিয়েছে এর জন্য ৩৫০০ রিঙ্গিত খরচ হবে।</p><p>আমি এই ভার্সিটির ব্যাপারে নেটে যতটুকু দেখলাম এদের কোন এমবিবিএস প্রোগ্রাম নেই।আমার জানা দরকার এই যে শুধু প্রাথমিক পর্যায়ে এপ্লিকেশন করতে তো এত রিঙ্গিত খরচ হওয়ার কথা না।কারণ যতদূর জানি ইন্টারন্যাশনাল ফি ১০০-৫০০ ডলারের মত।তাও ভার্সিটি ও দেশ ভেদে।</p><p><strong>এই ভার্সিটিতে এপ্লিকেশন করতে কত টাকা লাগবে এবং এমবিবিএস ডিগ্রী আছে কিনা সর্ম্পকে সর্ম্পূণ তথ্যাদি জানালে উপকৃত হব</strong>।এছাড়া মালেশিয়ায় এমবিবিএস ডিগ্রীর জন্য কোন ইউনিভার্সিটি ভাল এবং আনুমানিক কত টাকা লাগতে পারে সেটার সর্ম্পকে জানানোর জন্য অনুরোধ করছি।সে ছোট ভাইয়ের পয়েন্ট SSS- 4.19 HSC- 3.20।</p><p>খুবই জরুরী দরকার।তাড়াতাড়ি জানানোর জন্য অনুরোধ রইল।</p><p>ইউনিভার্সিটির লিংকঃ <a href="http://www.sunderland.ac.uk/" target="_blank">ইউনিভার্সিটি অব স্যান্ডারল্যান্ড</a></p>]]></description>
			<author><![CDATA[null@example.com (mizvibappa)]]></author>
			<pubDate>Fri, 10 Aug 2012 10:41:10 +0000</pubDate>
			<guid>http://rmcforum.com/topic1844new-posts.html</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[........পহেলা বৈশাখ, আমাদের সংস্কৃতি, আমাদের খাসলত.....]]></title>
			<link>http://rmcforum.com/topic1767new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<p>আমার জীবনে দেখা অন্যতম বিস্ময়কর ঘটনাগুলোর অন্যতম হচ্ছে দেশ বিভাজন রেখায় সভ্যতা ও সংস্কৃতির পার্থক্য। আমার বাড়ি সীমান্তসনলগ্ন হওয়ার কারনে বিষয়টি খুব খাছ থেকে দেখার সুযোগ হয়েছে।<br />একটি গ্রামের দুইটি পাড়া যদি দুই দেশের সীমান্তে অবস্থিত হয় তবে আপাত দৃষ্টিতে গ্রাম দুটির মানুষের কথাবার্তা , চাল-চলন হুবহু একই রকম হবার কথা, কিন্তু বাস্তবে তা হয় ন...া, দুই পাড়ার মানুষের মধ্যে অনেক পার্থক্য চোখে পড়ে।<br />এমন ক্ষেত্রে যে পাড়া ইন্ডিয়ার ভেতরে পড়েছে সেখানকার মানুষ শারীরিকভাবে অপেক্ষাকৃত দূর্বল গড়নের, এরা বেশ ভীতু আর সাংঘাতিক কঞ্জুস ধরণের। দয়া-মায়া ও নিঃসার্থ পরোপকারে এদের বেশ অনাগ্রহ। পক্ষান্তরে বাংলা সীমান্তের মানুষ শক্ত গড়নের, এরা সাহসী ও অপেক্ষাকৃত উদারচিত্তের; কোন কোন মানুষ বেশ হিংস্র প্রকৃতির হয়। তাছাড়া ধনী-দরিদ্র বৈষম্য বাংলাদেশের তুলনায় ইণ্ডিয়াতে বেশি। এ গুলো হচ্ছে আমার পর্যবেক্ষণকৃত মতামত।</p><p>এবার আসল কথায় আসি। মননশীলতা ও সংস্কৃতির দিক থেকে আমরা ইন্ডিয়ান্ডের তুলনায় ঢের এগিয়ে। কিন্তু একটা দিক থেকে আমরা তাদের থেকে পিছিয়ে, সেটা হল , “খাসলত”। বাঙালীদের খাসলতখুবই নিচু মানের। বিদেশীদের অন্ধ অনুকরণ না করলে আমাদের মনে সুখ আসেনা, নিজেদের ঐতিহ্য- সংস্কৃতি সস্তাদরে বিকিয়ে দিয়ে চড়া দামে ফালতু সংস্কৃতির চাদর গায়ে না ঘুরলে আমাদের ইমেজ বাড়েনা। ভারতের আবর্জনা ছাড়া আমাদের কম্পোস্ট সারও তৈরী করা চলেনা। চিংকুপিয়াহে কিংবা মুন্নী বদনাম হুঁইয়ে বাজনা ছাড়া আমাদের বিয়ে শাদী, বনভোজন কিছুই পূর্ণতা পায় না। ঈদ-পূজা যাই হোক না কেন , কাহারুক খান স্যুট প্যান্ট না পরলে বাঙ্গাল দাদাবাবুদের ইজ্জত ঢাকেনা, ‘কারিনা কামিজ-সালোয়ার’ ছাড়া খোকার মায়ের আহ্লাদ পূরণ হয় না। আরো আছে ভয়ংকর দিক। চটি গল্প অবলম্বনে রচিত স্টারপ্লাসের বস্তাপচা পরকীয়া কাহিনি দেখতে দেখতে ঘুমিয়ে পড়া দিদিমনি, ভাবী সাহেবানরা নিদ্রা যায় আর স্বপ্নে দেখেন পাশেরবাড়ির ছোকরাটা তার গা টিপে দিচ্ছে। এই হচ্ছে আমাদের অস্তিত্বের গন্তব্য। নিজেরা উন্নত হওয়া সত্বেও আমরা অবনত ও নোংরা ভারতীও সংস্কৃতি গিলছি। এসবই কিন্তু খাসলত।</p><p>পহেলা বৈশাখ আসছে, আসছে বাঙালী সংস্কৃতি ফুটিয়ে তুলবার দিন। কিন্তু পোড়া কপাল আমাদের; গরীবেরা যে পান্তা আর পোড়া মরিচ খেয়ে জীবন ধারণ করে , পহেলা বৈশাখে নির্লজ্জ ধনী বাঙ্গালরা চড়া দামে টাটকা গরম পান্তা কিনে খেয়ে সেই গরিবদের প্রচ্ছন্ন ব্যাঙ্গ ও উপহাস করে বলে, “ আমরাও বাঙ্গাল রে….হে... হে... হে, আমরাও...। কিছুক্ষণ পরপর পান্তা খাওয়ার ঢেকুর উঠবে, তাতে উগলে বের হবে আমাদের সংস্কৃতি- ঐতিহ্য, ঘটা করে টিভি চ্যানেলগুলো তা প্রচার করবে।</p><p>সংস্কৃতি ইন্সটল দেবার বিষয় নয়, অভ্যাসের মাধ্যমে অর্জনের বিষয়। বসে বসে সুখপাঠ্য অনেক কিছুই রচনা করা যায়, তাতে কাজের কাজ কিছুই হয় না। নিজের মেরুদন্ড সোজা না করে দাঁড়ালে সীমান্তে কাঁটাতারে বেড়ায় ঝুলে থাকতে হবে , উলঙ্গ হয়ে বি.এস.এফ এর হাতেমার খেতে হবে। এজন্য দরকার ভীনদেশী সংস্কৃতি প্রতিরোধ করা, নিজেদেরকে মেলে ধরা ।</p><p>পহেলা বৈশাখ হোক নিজের ঐতিহ্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরবার মোক্ষম হাতিয়ের। রামেকের সবাইকে বাংলা নববর্ষের অগ্রীম শুভেচ্ছা।</p><p>এফ এইচ রিগ্যান<br />৩০ শে চৈত্র, ১৪১৮</p>]]></description>
			<author><![CDATA[null@example.com (রিগ্যান)]]></author>
			<pubDate>Fri, 13 Apr 2012 15:22:58 +0000</pubDate>
			<guid>http://rmcforum.com/topic1767new-posts.html</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[বাংলাদেশের রনিই হলেন মীরাক্কেল চ্যাম্পিয়ন!!]]></title>
			<link>http://rmcforum.com/topic1765new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<p><p class="bbcenter"><img class="sigimage" src="http://www.khobor24.com/wp-content/uploads/2012/04/abu-hena-rony-300x205.jpg" alt="http://www.khobor24.com/wp-content/uploads/2012/04/abu-hena-rony-300x205.jpg" /></p></p><p>ভারত হতে আরও একটি সাফল্য কুড়িয়ে নিয়ে এলো বাংলার ছেলে। বাংলাদেশের নাটোরের ছেলে আবু হেনা রনি ভারতের জি বাংলার জনপ্রিয় টিভি অনুষ্ঠান মীরাক্কেল আক্কেল চ্যালেঞ্জার্স ৬-এ যৌথভাবে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন। তার সঙ্গে যৌথভাবে চ্যাম্পিয়ন হন ভারতের সোদপুর উত্তর ২৪ পরগনার ভিকি ও পার্থ। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশের আবু হেনা রনি ভিউয়ার্স চয়েসে সেরা পুরস্কারও পেয়েছেন। শনিবার প্রতিযোগিতা-সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে। জানা গেছে, প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারীদের মধ্যে তুমুল লড়াই হয়েছে। চার ঘণ্টার এ চূড়ান্ত অনুষ্ঠানে অংশ নেন বাংলাদেশের আবু হেনা রনি, ইশতিয়াক নাসির, জামিল হোসেন ও আনোয়ারুল আলম সজল। আর ভারতের ভিকি ও পার্থ, অপূর্ব রায়, সংগীত তিওয়ারি, ফটিক পুরকাইত এবং পলাশ অধিকারী। তাদের প্রত্যেকেই দুটি করে পরিবেশনায় অংশ নেন।</p><p>আরো জানা গেছে, মীরাক্কেল আক্কেল চ্যালেঞ্জার্স ৬-এর সাড়ে চার ঘণ্টার এই অনুষ্ঠানে পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, রজতাভ দত্ত, শ্রীলেখা মিত্রের সঙ্গে অতিথি বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী, টালিউডের নায়িকা শ্রাবন্তী, শুভশ্রী প্রমুখ।</p><p>মীরাক্কেল আক্কেল চ্যালেঞ্জার্স ৬-এর গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠানটির ধারণ করা হয়েছে ১৪ মার্চ হাওড়া ইনডোর স্টেডিয়ামে। গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠানটি রোববার জি বাংলায় দেখানো হবে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাতটায়।</p><p>উল্লেখ্য, গত বছরের ১১ জুলাই ভারতের ১৬ জন, বাংলাদেশের ১৪ জনসহ মোট ৩০ জন প্রতিযোগী নিয়ে শুরু হয়েছিল অনুষ্ঠানটি। রোববার মীরাক্কেল আক্কেল চ্যালেঞ্জার্স ৬-এর শেষ হলেই শুরু হবে ‘মীরাক্কেল-অসমসালা’ নামের নতুন আরেকটি অনুষ্ঠান।</p><p>সূত্রঃ <a href="http://www.khobor24.com/?p=36593" target="_blank">খবর২৪.কম</a></p>]]></description>
			<author><![CDATA[null@example.com (সুজন পাল)]]></author>
			<pubDate>Sun, 01 Apr 2012 09:27:59 +0000</pubDate>
			<guid>http://rmcforum.com/topic1765new-posts.html</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[‘দৃষ্টির সীমানায় কবি স্যার শফিকুল ইসলাম’]]></title>
			<link>http://rmcforum.com/topic1743new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<p><img class="sigimage" src="http://blog.bdnews24.com/wp-content/uploads/2011/03/SHAFIQ-Journalist2-300x237.jpg" alt="http://blog.bdnews24.com/wp-content/uploads/2011/03/SHAFIQ-Journalist2-300x237.jpg" /><br />‘উদভ্রান্ত যুগের শুদ্ধতম কবি শফিকুল ইসলাম’<br />–নিজাম ইসলাম।</p><p>তারুণ্যের প্রতীক কবি শফিকুল ইসলাম। তার কাব্যচর্চার বিষয়বস্তু প্রেম ও দ্রোহ। কবিতা রচনার পাশাপাশি তিনি অনেক গান ও রচনা করেছেন। তিনি বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের তালিকাভুক্ত গীতিকার। ১০-ই ফেব্রুয়ারী সিলেট জেলায় জন্মগ্রহণকারী কবি শফিকুল ইসলাম প্রাক্তন মেট্রোপলিটান ম্যাজিষ্ট্রেট,ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার এডিসি ও বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের উপসচিব। তিনি অর্থর্নীতি, ইসলামিক ষ্টাডিজ ও সমাজকল্যাণে স্নাতকোত্তর। প্রশাসনের ব্যস্ততম ও দায়িত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত থেকে ও তার এই নিরন্তর কাব্য সাধনা আমাদের যুগপৎ অনুপ্রাণিত ও বিস্মিত করে।</p><p>কবি শফিকুল ইসলাম একজন সার্থক কবি। সার্থক কবির সকল লক্ষণই তার কাব্য সৃষ্টিতে বর্তমান।যাহা যথার্থ কবিতা, দিব্য কল্পনা যাহাকে জন্ম দিয়াছে, অকৃত্রিম ছন্দ সৌন্দর্য তাহাকে বাহিরে ভূষিত করে এবং ভাবের গভীরতা তাহাকে অন্তরে পরিপূর্ণ করিয়া থাকে। তাহার আনন্দ কল্যাণকে আবাহন করে এবং সৌন্দর্যে তাহা জগতের নিত্যসুন্দর অনির্বচনীয় শব্দার্থসমূহের সমতুল হয়। সাধারণভাবে সংক্ষেপে সংকেত স্বরূপে বলা যাইতে পারে যে, কবিতা অনির্বচনীয় সঙ্গীতের যত সদৃশ এবং যে কবিতায় পাঠক মানবজীবনের প্রসারতা যত অধিক অনুভব করেন তাহা তত শ্রেষ্ঠ। যিনি কথার সাহায্যে একটি সুন্দর চিত্র অঙ্কিত করেন তিনি কবি; কিন্তু উচ্চতর কবি তিনি, যিনি শুধু চিত্রাঙ্কনে পরিতুষ্ট না হইয়া তাঁহার ছন্দের মর্মে মর্মে সঙ্গীতের অপূর্ব অপরূপ ঝঙ্কার গুলি আনিতে পারেন। যিনি জীবনের একটি সামান্যতম সত্যকে পরিস্ফুট ও সুন্দর করিয়া তুলিতে পারেন তিনি কবি, কিন্তু উচ্চতর কবি তিনি, যাঁহার কবিতায় সমগ্র জীবনের সুগম্ভীর বিজয়গীতি শ্রুত হয়। যিনি সত্য ও ছন্দের সাহায্যে পাঠকের মনে আনন্দ সৃজন করেন তিনি কবি, কিন্তু উচ্চতর কবি তিনি, যাঁহার আনন্দ এত স্বাভাবিক ও যথেষ্ট যে পাঠক কণামাত্র আস্বাদন করিয়া বুঝিতে পারেন, আমি আগন্তুক মাত্র, আমার অপেক্ষা কবির নয়ন অশ্রুতে অধিক সমাকীর্ণ। আমার অপেক্ষা কবির হাস্য আনন্দে অধিক উদ্ভাসিত।</p><p>উচ্চতর কবির এই সমস্ত লক্ষণই আমরা কবি শফিকুল ইসলামের যথেচ্ছ দৃকপাত দেখিতে পাই। আমরা প্রসঙ্গক্রমে কবি শফিকুল ইসলামের যে সমস্ত পদ ও শ্লোক উদ্ধৃত করি তাহাতেই প্রমাণ করে, কবির কাব্য ছন্দের ঝঙ্কারে কি অপূর্ব সুললিত- তাহা যেন সঙ্গীতের আবেশে আপনা-আপনি গলিয়া পড়িতেছে। তাহা রসে মাধুর্যে অনির্বচনীয়।</p><p>কিন্তু আমরা যে কবির জন্য উচ্চতম কবির সিংহাসন দাবি করিতেছি, যে কোন লক্ষণে নির্ভর করিয়া? আমাদের মনে হয় উচ্চতম কবি তিনি,- যাহাঁর কাব্য অতিমাত্র ব্যাপক, যাহা নিজে শান্তং শিবম্‌ অদ্বৈতম্‌। যাহার শিক্ষা- নাল্পে সুখমস্তি, যো বৈ ভূমা তৎ সুখম্‌। যাহা বিশ্বপ্রকৃতি ও বিশ্ব মানবের সহিত একাত্ম, যাহার মধ্যে জগতের নাড়ীস্পন্দন স্পন্দন স্পষ্ট অনুভূত হয়, যাহা সামান্যতা পরিহার করিয়া ভূমানন্দের অন্তরঙ্গ আত্মীয়রূপে প্রকাশিত হইয়া উঠে, যাহা মানবের মনকে আমিত্ব পরিহার করিয়া বিশ্বের দিকে প্রসারিত করিয়া দেয়, যাহা বিশ্বের ভিতর দিয়া মানব-মনকে বিশ্বেশ্বরের চরনপদ্মের অভিমুখীন করে।</p><p>বিখ্যাত ফরাশী সমালোচক স্যাঁৎ বিউবও প্রকারান্তরে এই কথাই বলিয়াছেন যে, ঈশ্বর, প্রকৃতি, প্রতিভা, কলাচাতুর্য, প্রেম ও মানবজীবন – প্রধানত এই ছয়টি শ্রেষ্ঠ কবিতার মূল উপাদান।বিশ্বকাব্যের অনাদি কবির লীলায় আমরা দেখিতে পাই ইথারীয়েলEthereal-কে টেনজিবল Tangible- এর মধ্যে, Spiritস্পিরিট-কে Matterম্যাটার- এর মধ্যে, অসীমকে সীমার মধ্যে ধরিয়া প্রকাশ করা। শ্রেষ্ঠ কবির গীতি কবিতাতেই সম্ভবপর। তাহাতে মানব-মনের সকল কালের ও সকল অবস্থার চিত্র পরিস্ফুট করিয়া তোলা যায়। কবি শফিকুল ইসলামের বেলায়ও তার ব্যতিক্রম নয়।<br /><img class="sigimage" src="http://blog.bdnews24.com/wp-content/uploads/2011/03/AWARD-300x225.jpg" alt="http://blog.bdnews24.com/wp-content/uploads/2011/03/AWARD-300x225.jpg" /><br /><strong>[ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার প্রাক্তন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট ও বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের গীতিকার কবি শফিকুল ইসলামের হাতে(ছবিতে সর্ববামে) নজরুল স্বর্ণপদক তুলে দিচ্ছেন সাউথ ইষ্ট ইউনিভার্সিটির প্রো-ভাইস চ্যান্সেলার ডঃ এ এস এম মেশকাত উদ্দিন]<br /></strong><br />কবি শফিকুল ইসলামের হাতে প্রকৃতির সকল বৈচিত্র সমাহৃত হইয়া কবির হাতে নূতন রূপে রূপায়িত হইয়া উঠিয়াছে। তুণাঙ্কুর ধুলিকণা শিশিরকণাটি পর্যন্ত নব নব শ্রী ও সম্পদ লাভ করিয়াছে। কবি পাঠকের মনেও সৃজনী-মাধুরীর প্রত্যাশা করিয়া তাঁহার সৃষ্টিকে ব্যঞ্জনাময়ী করিয়াছেন- ছবির আদ্‌রা আঁকিয়া কবি পাঠককে দিয়াছেন তাহার নিজের মনের রং দিয়া ভরিবার জন্য।কবি কবিতাকে নব নব রূপ দান করিয়াছেন। তিনি নিজের সৃষ্টিকে নিজেই অতিক্রম করিয়া নূতন রূপসৃষ্টি করিয়াছেন। কবি নব নব ছন্দ আবিস্কার করিয়াছেন। তাঁহার বাগবৈভবে ও প্রকাশ ভঙ্গিমায় কবি মানসের যে একটি অভিনব রূপ তিনি প্রকাশ করিয়াছেন তাহা বিস্ময়কর।</p><p>কবি শফিকুল ইসলাম তার কাব্যগ্রন্থ “তবুও বৃষ্টি আসুক” থেকে শুরু করে “মেঘ ভাঙা রোদ্দুর “শ্রাবণ দিনের কাব্য “দহন কালের কাব্য “প্রত্যয়ী যাত্রা ও “একটি আকাশ ও অনেক বৃষ্টি” সহ আরো কিছু কাব্যগ্রন্থে জগতবাসীর সৌভাগ্যক্রমে কবি প্রিয়ার কাঁকনস্পর্শে হাজার গীতে কবির কল্পনাটি ফাটিয়া পড়িয়াছে, নয়ন-খড়গে প্রেমের প্রলাপের বন্ধন ছিন্ন হইয়া গিয়াছে। এই প্রেম সমস্ত বিশ্বপ্রকৃতি ও বিশ্বমানবকে বুকে করিয়া ভূমার দিকে পরম আনন্দে বহন করিয়া লইয়া গিয়াছে।</p><p><img class="sigimage" src="http://www.prothom-aloblog.com/images/view/220/120/false///img/uploads/1e160089689835532686eb7b7f7d0d5a.jpg" alt="http://www.prothom-aloblog.com/images/view/220/120/false///img/uploads/1e160089689835532686eb7b7f7d0d5a.jpg" /><img class="sigimage" src="http://www.prothom-aloblog.com/images/view/220/120/false///img/uploads/7e5545599bb4aec435d7c4e5330f463b.jpg" alt="http://www.prothom-aloblog.com/images/view/220/120/false///img/uploads/7e5545599bb4aec435d7c4e5330f463b.jpg" /><img class="sigimage" src="http://www.prothom-aloblog.com/images/view/220/120/false///img/uploads/3979f3b8f7003d121a8a554cd227e878.jpg" alt="http://www.prothom-aloblog.com/images/view/220/120/false///img/uploads/3979f3b8f7003d121a8a554cd227e878.jpg" /><img class="sigimage" src="http://www.prothom-aloblog.com/images/view/220/120/false///img/uploads/ce1e022848d6e456ac3a96e357ef50fa.jpg" alt="http://www.prothom-aloblog.com/images/view/220/120/false///img/uploads/ce1e022848d6e456ac3a96e357ef50fa.jpg" /> <img class="sigimage" src="http://www.prothom-aloblog.com/images/view/220/120/false///img/uploads/dafc2efa7790f2384c88d695bb3b72d6.jpg" alt="http://www.prothom-aloblog.com/images/view/220/120/false///img/uploads/dafc2efa7790f2384c88d695bb3b72d6.jpg" /></p><p>সকল স্রষ্টার সৃজনীপ্রতিভা যে ভাবে ক্রমবিকাশ লাভ করে কবি শফিকুল ইসলাম প্রতিভার বিকাশও সেই ভাবেই হইয়াছে। প্রথম যৌবনে অন্তর্গূঢ় প্রতিভার বিকাশ-বেদনা তাঁহাকে আকুল করিয়াছে– তখন কুঁড়ির ভিতর কেঁদেছে গন্ধ আকুল হয়ে, তখন ‘কস্তুরীমৃগসম’ কবি আপন গন্ধে পাগল হইয়া বনে বনে ফিরিয়াছেন। প্রথম জীবনের রচনায় এই আকুলতার বাণী, আশার বাণী, উৎকন্ঠা, উচ্চাকাঙ্খা, সংকল্প, ক্ষনিক নৈরাশ্যে আত্মসাধনা, মহাসাগরের ডাক, বাধা বিঘ্নের সহিত সংগ্রাম ইত্যাদির কথা আছে।</p><p>বাস্তবিক কবি শফিকুল ইসলামের সমস্ত রচনার মধ্যে এই সীমাকে উত্তীর্ণ হইয়া অগ্রসর হইয়া চলিবার একটি আগ্রহ ও ব্যগ্র তাগাদা স্পষ্টই অনুভব করা যায়। যাহা লব্ধ তাহাতে সন্তুষ্ট থাকিয়া তৃপ্তি নাই, অনায়ত্তকে আয়ত্ত করিতে হইবে, অজ্ঞাতকে জানিতে হইবে, অদৃষ্টকে দেখিতে হইবে- ইহাই কবি শফিকুল ইসলামের কথা।</p><p>সাধারণ কবিদের মত তিনি ভাববিলাসিতায় ভেসে যাননি। ভাবের গড্ডালিকা প্রবাহে নিজেকে অবলুপ্ত করে দেননি। প্রকৃত কবির মত তার কবিতায় কাব্যিক মেসেজ অনায়াসে উপলব্ধি করা যায়। স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন জাগতে পারে কি সে মেসেজ? তার কাব্যসৃষ্টিতে সাম্য, মৈত্রী ও মানবতার নিগূঢ় দর্শন অন্তঃসলিলা ফল্গুধারার মত প্রবহমান। তার ‘তবুও বৃষ্টি আসুক’ কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতায় কবি বলেছেনঃ-</p><p>“তারও আগে বৃষ্টি নামুক আমাদের বিবেকের মরুভূমিতে,<br />সেখানে মানবতা ফুল হয়ে ফুটুক-<br />আর পরিশুদ্ধ হোক ধরা, হৃদয়ের গ্লানি…”<br />(কবিতাঃ ‘তবুও বৃষ্টি আসুক’)</p><p>পংক্তিগুলো পাঠ করে নিজের অজান্তে আমি চমকে উঠি। এতো মানবতাহীন এই হিংস্র পৃথিবীতে বিশ্ব মানবের অব্যক্ত আকাংখা যা কবির লেখনীতে প্রোজ্জ্বলভাবে প্রতিভাত হয়েছে। এতো শুধু কবির কথা নয়, এতো একজন মহামানবের উদ্দীপ্ত আহ্বান। তার কবিতা পাঠে আমি অন্তরের অন্তঃস্থলে যেন একজন মহামানবের পদধ্বনি শুনতে পাই। যিনি যুগ মানবের অন্তরের অপ্রকাশিত আকাংখা উপলব্ধি করতে পারেন অনায়াসে আপন অন্তরের দর্পনে। তাই তিনি বিশ্ব মানবের কবি। বিশ্বমানবতার কবি।</p><p>বৈদিক যুগে ইতরার পুত্র মহীদাস যেমন তূর্যকন্ঠে আহ্বান করিয়াছেন- চরৈবেতি, চরৈবেতি- চলো, চলো– শফিকুল ইসলামও তেমনি করিয়া ক্রমাগত সীমা অতিক্রম করিয়া সকল বাধা উত্তীর্ণ হইয়া সুদূরের পিয়াসী হইয়া চলার বাণী ঘোষণা করিয়াছেন।</p><p>ফুল যখন ফুটিয়া উঠে, তখন মনে হয় ফুলই যেন গাছের একমাত্র লক্ষ্য, যেন সে বন-লক্ষ্মীর সাধনার চরম ধন। কিন্তু বাস্তবিক পক্ষে সে ফল ফলাইবার একটা উপলক্ষ মাত্র। খন্ডের মধ্যে সময়ের তাৎপর্য উপলব্ধি করা যায় না। বর্তমান হইতেছে ক্ষুদ্র খন্ড ক্ষুদ্র-ভূত ও ভবিষ্যতের মধ্যে হাইফেন মাত্র। একাকী তাহার মধ্যে কোন তাৎপর্য নাই। কিন্তু সমগ্র জীবন জীবন-অতীত বর্তমান ভবিষ্যত মিলাইয়া যে সমগ্র জীবন তাহার মধ্যে তাৎপর্য পাওয়া যায়। অনাদি কাল হইতে বিচিত্র বিস্মৃতি অবস্থার মধ্য দিয়া জীবনদেবতা কবিকে এই বর্তমান অবস্থায় উপনীত করিয়াছেন। কবি কাজ করিয়া যান, কিন্তু সেই কাজের মধ্যে খন্ড-পরস্পরার মধ্যে তিনি কোনো তাৎপর্য খুজিয়া পান না। কেবল তাঁহার অন্তর্যামী, যিনি তাঁহার ভূত ভবিষ্যত ও জন্ম-জন্মান্তর মিলাইয়া তাঁহাকে চালনা করিতেছেন, তিনিই তাঁহার সমগ্র জীবনের স্বার্থকতা বুঝিতে পারেন।</p><p>জীবনদেবতা জীবনের ক্ষুদ্র স্বার্থ হইতে কখনো কখনো জীবনকে অন্য দিকে লইয়া যান, তখন লোকে ভাবে যে তাহার জীবন বুঝি ব্যর্থ হইয়া গেল, কিন্তু জীবনদেবতাই আবার সেই জীবনকে স্বার্থকতার মধ্যে ফিরাইয়া লইয়া আসেন, সমস্ত বিফলতার মধ্য দিয়া তিনি চরমের দিকে লইয়া যান। কবি তখন নিজের মিলন ও বিরহের মধ্যে বিশ্বের মিলন ও বিরহ দেখিতে পান, তিনি জীবন দেবতার প্রেম দিয়া তাঁহার বিশ্ব প্রেমের রাগিণীর সাধনা করেন। যখন তিনি নিজের জীবনের সার্থকতা খুঁজিয়া পাইবেন, তখন জীবন দেবতার সহিত তাঁহার সম্পূর্ণ মিলন ঘটিবে– তাঁহাদের মধ্যে কোনো বিভিন্নতা থাকিবে না, তখন কবি নিজের মধ্যেই জীবনের সুন্দরকে খুঁজে পাইবেন, তাঁহাকে আর অন্যত্র খুঁজিতে হইবে না। কারণ পূর্ণ সার্থকতা লাভ হইলে অন্বেষণের বিরাম হইবে এবং অন্বেষণ-বিরতির অর্থ-ই পূর্ণ সার্থকতা লাভ। কবি শফিকুল ইসলামের বেলায় ও এর প্রত্যেকটা কথাই যথার্থ।<br />—————————————————————————-<br />ভিজিট করুনঃ–<br /><a href="http://www.prothom-aloblog.com/blog/sfk808" target="_blank">http://www.prothom-aloblog.com/blog/sfk808</a></p>]]></description>
			<author><![CDATA[null@example.com (sfk505)]]></author>
			<pubDate>Thu, 08 Mar 2012 12:33:25 +0000</pubDate>
			<guid>http://rmcforum.com/topic1743new-posts.html</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[HSC পরীক্ষার নতুন সংশোধিত রুটিন!]]></title>
			<link>http://rmcforum.com/topic1734new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<p>গতকাল প্রকাশিত হয়েছে এইচএসসি পরীক্ষার নতুন/সংশোধিত রুটিন। পরীক্ষার্থী ভাই-বোনদের জন্য এখানে দিলাম। ডাউনলোড করতে ছবির উপর RIGHT CLICK করুন। তারপর SAVE IMAGE AS.. ক্লিক করলে ডাউনলোড এর অপশন পাবেন। <br /><img class="sigimage" src="http://i.imgur.com/CXsER.jpg" alt="http://i.imgur.com/CXsER.jpg" /><br /><span style="color: blue">সবার পরীক্ষা ভালো হোক, এই প্রত্যাশা রইল।</span></p>]]></description>
			<author><![CDATA[null@example.com (সুজন পাল)]]></author>
			<pubDate>Mon, 27 Feb 2012 20:47:02 +0000</pubDate>
			<guid>http://rmcforum.com/topic1734new-posts.html</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[...উজির এ খামখা ত্রিদিব রায় এবং আমাদের বলদার গু কর্তৃপক্ষ...]]></title>
			<link>http://rmcforum.com/topic1731new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<p>মীরজাফরদের পরিণতি সবসময়ই করুণ হয়। এই করুণ পরিণতির শিকার হওয়া সর্বশেষ ছাগু হচ্ছে্ন চাকমা রাজা ত্রিদিব রায় । এই মানুষটি জন্মসূত্রে হয়েছিলেন ক্ষমতাধর ব্যক্তি, বাংলার মাটি পানিতে বেড়ে ওঠা রাজার স্বাভাবিক চিন্তা থাকা উচিৎ ছিল বাংলার মানুষের জন্য কাজ করা, এদেশের মানুষের মুক্তির জন্য কাজ করা। কিন্তু তিনি তা করেননি, তিনি করেছেন ঠিক তার উল্টাটা। ৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধে এই পশু হাত মিলিয়েছিল ফাকিস্তানি দানবদের সাথে। স্বাধীনতার পর ক্ষমাপ্রিয় বাঙ্গালী তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছিল, তিনি এদেশে আসেননি, এমনকি তার মার অনুরোধও অগ্রাহ্য করে তিনি পাকিস্তানে থেকে যান। সে এক বিশাল পাকিপ্রেম, মজনুকে ছাড়া যেমন লাইলি থাকতে পারেনা ঠিক তেমনি। </p><p>কিন্তু সময়ের স্রোতে রাজার সে ভরা যৌবন বিগত হয়েছে, সে এখন চামড়া ঢিলা পতিতা মাত্র, পাকিস্তান তাকে আর মূল্য দেয়না। পরিত্যাক্ত এ রাজা এখন মৃত্যুর পরে বাংলাদেশে সমাহিত হতে চান। আমাদের ঘুঁটাবুদ্ধির কর্তাবাবুদের তাতে আপত্তি নাই। আপত্তি আছে আমাদের, আমরা যারা মা-বাবা, ভাইকে হারিয়েছি, বোনের ইজ্জত হারানো অসহায়ের মত দেখেছি, তারা চাইনা বাংলা মায়ের বুকে একটা জঞ্জাল বেশি ভার তৈরি করুক। এখানে কর্তাবাবুরা একটা যুক্তি দেখাচ্ছেন, বীরশ্রেষ্ঠ মতিউরের মরদেহ পাকিস্তান প্রদান করে বাংলাদেশের ইচ্ছা পূরণ করেছে, এখন বাংলাদেশের উচিৎ বন্ধুত্বের প্রতিদান দেওয়া, পাকিস্থানের ইচ্ছা পূরণ করা।</p><p>এখানে বলে রাখা ভাল, কেউই জঞ্জাল নিজের ঘাড়ে রাখতে চায়না। বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান আমাদের গর্ব, কিন্তু পাকিস্তানীদের কাছে গাদ্দার, জঞ্জাল। ওরা ওদের জঞ্জাল সরিয়েছে মাত্র। কিন্তু চাকমা রাজা বাংলাদেশের জঞ্জাল, পাকিস্তানীদের সম্পদ। আমরা জঞ্জাল নিতে চাইনা, সম্পদ যে দেশের&nbsp; সে দেশেই থাকুক। গভীর আনুগত্য থাকা সত্বেও যে ব্যক্তি পাকিস্তানে উজির এ খামাকা ( অকর্মা বলদারগু) নামে পরিচিত তাকে বাংলাদেশে এনে পাকিস্তানকে বন্ধুবাৎসল্য&nbsp; কিংবা আদিখ্যেতা দেখানোর কোন দরকার নাই , আমরা নতুন প্রজন্ম এর ঘোরতর বিরোধী।</p><p>এফ এইচ রিগ্যান<br />২৬/০২/১২<br />আরো জানতে লিঙ্কে গুতা দিন <br /><a href="http://www.kalerkantho.com/?view=details&amp;type=gold&amp;data=Soccer&amp;pub_no=804&amp;cat_id=1&amp;menu_id=13&amp;news_type_id=1&amp;news_id=232282" target="_blank">http://www.kalerkantho.com/?view=detail … _id=232282</a></p>]]></description>
			<author><![CDATA[null@example.com (রিগ্যান)]]></author>
			<pubDate>Sun, 26 Feb 2012 14:31:37 +0000</pubDate>
			<guid>http://rmcforum.com/topic1731new-posts.html</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[৯ই ফাল্গুন ও ২১ শে ফেব্রুয়ারি এবং ভাষাশহীদদের ব্যর্থ আত্মত্যাগ]]></title>
			<link>http://rmcforum.com/topic1729new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<p>একজন পতিতার কিংবা সার্কাসের ভাঁড়ের( জোকার)অতিরিক্ত মাত্রার সাজুগুজুর প্রয়োজন পড়ে, খদ্দের আকৃষ্ট করবার জন্য, সে খদ্দের ক্ষনিকের, প্রয়োজন ফুরালেই মাত্রাতিরক্ত সাজগোজসহকারে&nbsp; পতিতা/ভাঁড় পরিত্যাক্ত হয়। কিন্তু সাধারণ সৌন্দর্যচর্চার কোন মানুষ কখনই পরিত্যাক্ত হয় না, রুচিবোধের মাত্রাসীমায় অবস্থিত সৌন্দর্যের দাম থাকে চীরকালই। <br />ভাষার ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটে।&nbsp; ব্যকরণের নিয়ম অনুযায়ী কিংবা আঞ্চলিকতার রেশ অনুযায়ী উচ্চারিত ও লিখিত বাংলা সাধারণ সৌন্দর্যমন্ডিত,এর আবেদন চিরকাল। আমরা যে বাংলিশ কিংবা বাংহিন্দিশ ( বাংলা+হিন্দি+ইংলিশ ) বাংলা বলে লোকের কাছে বেশি আধুনিক হবার চেষ্টা করি তা হচ্ছে পতিতার মত অতিরিক্ত সাজুগুজু করার নামান্তর মাত্র। এর মাধ্যমে গুটিকয়ের গর্দভের কাছে নিজের মর্যাদা পেতে পারি, কিন্তু প্রকৃত বাঙ্গালীরা আমাদের নিয় ঠিকই হাসাহাসি করবে। <br />ভাষার বিকাশে বিদেশী ভাষার ব্যবহার ব্যকরণসন্মত, কারন ভাষা সার্বজনীন, এক ভাষার সাথে অন্যভাষার অনেক শব্দের পরিমিত অনুপ্রবেশ ঘটে নানা বাস্তব প্রয়োজনের তাগিদে। কিন্তু বাঙ্গালীদের বাংলা ভাষা ব্যবহারের ক্ষেত্রে তা যেন কয়েকগুণ দ্রুত ঘটে। <br />রেডিও জকি তথা রেডিও জোকারদের ভাষা নিশ্চয় শুনেছেন ? আমি বাংলায় কথা বলি কারন আমি বাংলা মায়ের গর্ভে জন্মেছি, কারন আমি বাংলা পিতার ঔরসজাত। আমি ইংরেজী ভাষা ব্যবহার করি তখনই যখন শুধু প্রয়োজন পড়ে। যারা বাংলা ভাষা জানা সত্বেও অকারণে বাংলার মধ্যে অন্য ভাষার মিশেল করে নিজের ভাব বাড়ানোর চেষ্টা করে আর আমার মায়ের ভাষার গুষ্ঠি উদ্ধার করে তারা নিশ্চয় ভিন্ন ভাষাভাষির একাধিক পিতার ঔরসে জন্মেছে ? না হলে এতগুলো ভাষার&nbsp; একসাথে ব্যবহার কোথা থেকে শিখল সে ? <br />ঘুম থেকে উঠে দেখি গান বাজে ছাম্মাক ছাল্লু, ঘুমাতে যাবার সময় শুনি উল্লালা উল্লালা। আর মাঝের সময়টাতে হিন্দি মুভি না দেখলে বিনোদন পূর্ণই হয়না। টিভিতে সারাদিন চলে হিন্দি সিরিয়াল, আমাদের নতুন প্রজন্ম কোথা থেকে প্রমিত বাংলা শিখবে, রেডিওতে টিভিতে মশারী পরা খালামুনি কিংবা বকরির মত দাড়ি রাখা আজব সাজে সজ্জিত গর্দভেরা যে ভাষায় কথা বলে তা শুনলে গা ঘিনঘিন করে ওঠে, শিশুরা ভাল মন্দ বোঝেনা, এরা এই ভাষাধর্ষণকারীদের অনুকরণ করে বেড়ে উঠছে এক সংকর প্রজন্ম হিসাবে। সালাম বরকত, জব্বারেরা যদি আজ বেঁচে থাকতেন তবে ভাষার জন্য জীবন দেবার আগে তাঁরা এই বিকৃত রুচির এবং বাংলা ভাষা ধ্বংসকারীদের পাছায় অন্তঃত কয়েকটা লাত্থি দিতেন। ওনারা বেঁচে নেই, সে লাত্থি দেবার দায়িত্ব এখন আমাদের। <br />৯ ই ফাল্গুন ভাষাশহীদদের স্মরণে মিনারে গিয়ে ফুল দিব, ফুলের তোড়ায় লিখা থাকবে “২১ শে ফেব্রুয়ারী, আমি কী ভুলিতে পারি”। ওপারে থেকে শহীদেরা আমাদের ব্যাঙ্গ করে বলবে, “ওরা গাধারা, আজ ২১ শে ফেব্রুয়ারী নয়, আজ যে ৯ ই ফাল্গুণ, আমরা মুঠোফোনে তারিখ মিলিয়ে দেখব, নাহ আজতো ২১ শে ফেব্রুয়ারীই” শহীদেরা মনে মনে বলবে, ২১ শে ফেব্রুয়ারীকে ৯ ফাল্গুণ বানাতে পারেনা যে জাতি, তাদের জন্য আমরা জীবন দিয়েছিলাম। সে কথা কারো কানেই যাবে না,আমরা কাকাবাবুর দলেরা শহীদমিনারে ফুল দেয়া শেষে&nbsp; চিকনি চামেলীর গানটা গাইতে গাইতে হলে ফিরব । তাতে আমাদের বাঙ্গালী জাতিসত্বার গায়ে&nbsp; শুধু কালিরই লেপন ঘটে, উন্নতি ঘটেনা। উলটা পথে হাঁটা বন্ধ করার সময় এখনই, সোজা পথে চলতে মানুষকে সাহায্য করার দায়িত্ব তরুণদেরই। </p><p>এফ এইচ রিগ্যান<br />৯ ই ফাল্গুণ, ১৪১৮।</p>]]></description>
			<author><![CDATA[null@example.com (রিগ্যান)]]></author>
			<pubDate>Mon, 20 Feb 2012 13:07:20 +0000</pubDate>
			<guid>http://rmcforum.com/topic1729new-posts.html</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[ঢাকা মেডিকেলকে বিশ্ববিদ্যালয় ঘোষণার আগেই আন্দোলন!]]></title>
			<link>http://rmcforum.com/topic1704new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<div class="quotebox"><blockquote><p>ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে (ডিএমসিএইচ) মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় করার বিরোধিতায় নেমেছেন প্রতিষ্ঠানটির নার্স ও কর্মচারীরা। এ ব্যাপারে সরকারের সিদ্ধান্ত ঘোষণার আগেই প্রস্তাব বাতিলের দাবিতে তাঁরা কর্মসূচির ডাক দিয়েছেন।<br />জানতে চাইলে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মোস্তাফিজুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, হাসপাতাল বিশ্ববিদ্যালয় হবে, এমন কোনো নির্দেশনা তিনি পাননি। তার পরও কর্মচারীরা কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, দাবি আদায়ের নামে চিকিৎসায় ব্যাঘাত ঘটাতে দেওয়া হবে না।<br />হাসপাতালের সাধারণ কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তাঁরা মনে করছেন, ডিএমসিএইচকে বিশ্ববিদ্যালয় করা হলে গরিব রোগী ভর্তির সুবিধা কমে যাবে। তাঁরা বিনা মূল্যে ওষুধও পাবেন না। এ কারণে তাঁরা চান না ঢাকা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হোক। এর আগে গত বৃহস্পতিবার এসব দাবি আদায়ের নামে কর্মচারীরা বহির্বিভাগ অচল করে দেন। ওই দিন চিকিৎসা না পেয়ে অনেক নারী ও শিশু ফিরে যান।<br />কর্মচারীরা জানান, ডিএমসিএইচকে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় করার প্রস্তাব রোববারের মধ্যে প্রত্যাহার করা না হলে ১৬ থেকে ১৯ জানুয়ারি কালো ব্যাজ ধারণ, ২১ থেকে ২৪ জানুয়ারি বেলা ১১টা থেকে এক ঘণ্টা করে বিক্ষোভ করবেন নার্স ও কর্মচারীরা।<br />কর্মচারী সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক সাবিনা শারমীন প্রথম আলোকে বলেন, এক হাজার ৭০০ শয্যার এ হাসপাতালে এখন গড়ে প্রতিদিন তিন হাজার রোগী থাকেন। ডিএমসিএইচকে বিশ্ববিদ্যালয় করা হলে নির্ধারিত শয্যার বেশি রোগী ভর্তি করা হবে না। আবার রোগীকে ১০ টাকার বদলে ৩০ টাকায় টিকিট কিনতে হবে।<br />সংগ্রাম পরিষদের সদস্যসচিব আবদুল খালেক বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর হলেই প্রতিষ্ঠানটি স্বায়ত্তশাসিত হবে। কথায় কথায় কর্মচারীদের চাকরি হারাতে হবে। সরকারি কর্মচারী বলে তাঁদের এখানে থাকতেও দেবে না কর্তৃপক্ষ। তিনি বলেন, দাবি পূরণ না হলে সারা দেশে স্বাস্থ্য বিভাগীয় কর্মচারীদের বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।<br />ঢাকা মেডিকেল কলেজ অ্যালামনাই ট্রাস্টের চেয়ারম্যান মো. ফজলুল হক প্রথম আলোকে বলেন, এ নিয়ে কর্মচারীদের মধ্যে ভুল তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় হলেও প্রতিষ্ঠানটি সরকারের নিয়ন্ত্রণেই থাকবে। পিজি হাসপাতালকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় করার আগে কর্মচারীরা এভাবে আন্দোলনের ডাক দিয়েছিলেন। কিন্তু পরে তাঁরা ভুল বুঝতে পারেন। তিনি বলেন, এতে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক তৈরির পাশাপাশি চিকিৎসাসেবার মান উন্নয়ন হবে। আর বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো কর্মচারীকে বদলিও হতে হবে না। প্রধানমন্ত্রীর সম্মতির পর ঢাকা মেডিকেলকে বিশ্ববিদ্যালয় করার প্রাথমিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে তিনি জানান।<br />সূত্র জানায়, গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক বায়েজীদ খুরশীদ রিয়াজের সই করা চিঠিতে বলা হয়, গত ১২ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী ঢাকা মেডিকেল কলেজ অ্যালামনাই ট্রাস্ট ও কলেজের শিক্ষকদের সঙ্গে বৈঠক করেন।<br />বৈঠকে ঢাকা মেডিকেল কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয় করার প্রস্তাব করা হয়। প্রধানমন্ত্রী এ প্রস্তাবে সম্মতি দেন। এরপর প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়।</p></blockquote></div><p><a href="http://www.prothom-alo.com/detail/date/2012-01-16/news/216810" target="_blank">সূত্রঃ প্রথম আলো</a></p>]]></description>
			<author><![CDATA[null@example.com (সুজন পাল)]]></author>
			<pubDate>Mon, 16 Jan 2012 19:31:53 +0000</pubDate>
			<guid>http://rmcforum.com/topic1704new-posts.html</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[ইন্টারনেটে টাকা উপার্জন ................]]></title>
			<link>http://rmcforum.com/topic1626new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<p>ইন্টারনেটে টাকা উপার্জন করার আসল Bux Site! <img title="bee" src="extensions/yahoosmile/img/smilies/115.gif" alt="bee" />&nbsp; <img title="bee" src="extensions/yahoosmile/img/smilies/115.gif" alt="bee" />&nbsp; <img title="bee" src="extensions/yahoosmile/img/smilies/115.gif" alt="bee" />&nbsp; <img title="sleepy" src="extensions/yahoosmile/img/smilies/28.gif" alt="sleepy" /> <br />অনলাইনে আয় করতে আমরা যেসকল সাইট ব্যবহার করি তার ৯৫% ই ভূয়া যা আমাদের সময় আর শ্রমকে ধূলির সাথে মিশিয়ে দেয় আর শেষ পর্যন্ত আমরা পরিচিত হই অভিশপ্ত ইন্টারনেটের সাথে। কিন্তু ইন্টারনেট কখনোই অভিশপ্ত নয়। আমি আপনাদের একটি সাইটের সাথে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি। এতে আপনি ১০০% নিশ্চিত ইনকাম করতে পারবেন কিন্তু জানেনই তো শ্রম দেয়া ছাড়া শ্রমের মূল্য পাওয়া সম্ভব নয়, তাই আপনাকে কিছুটা পরিশ্রম করতে হবে। সাইটটি পপুলার হওয়ায় অনেকের চেনা তাই সেই ভাইদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি এটি সম্পর্কে আবার লেখার জন্য। সাইটটির নাম (<a href="http://www.alivebux.com" target="_blank">www.alivebux.com</a>) )সাইটটি অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য একটি সাইট। কারণ এ সাইট থেকে টাকা উপার্জন করেছে এমন বহু বাংলাদেশী সদস্য খুজে পাওয়া গেছে । এই সাইটটির সুযোগ সুবিধা অন্যান্য সাইটের তুলনায় অনেক বেশি কারণ অন্যান্য সাইটগুলো থেকে এখানে এ্যাডের পরিমান বেশি থাকে।<br />এখানে প্রতিদিন আপনি ন্যূনতম ২০-৩০ টি এ্যাড দেখার সুযোগ পাবেন। যার প্রতিটি এ্যাডের জন্য পাওয়া যায় ০.১-০.০০০৫ সেন্ট অর্থাৎ প্রতিদিন ন্যূনতম ২০-৩০ সেন্ট আয় করা সম্ভব এবং একেকটি এ্যাড দেখার মেয়াদ মাত্র ৫-৩০ সেকেন্ড হওয়ায় এর জন্য আপনাকে সময় দিতে হবে বড়জোর ১৫-২০ মিনিট। ভাবছেন প্রতিদিন উপার্জন করব মাত্র ২০-৩০ সেন্ট? কিন্তু অন্য ব্যপারও আছে। এখানে আপনি রেজিষ্ট্রেশন করলে সাথে সাথে পাবেন একটি রেফারাল আইডি। এই আইডি দ্বারা আপনি আরও অনেক লোককে নানাভাবে এই সাইটে রেফার করতে পারবেন। আপনার রেফারাল প্রত্যেকের আয়ের সমান পরিমান টাকা জমা হবে আপনার একাউন্টে। তাই প্রকৃত অর্থে আয়ের পরিমাণ কিন্তু কম নয়। মনে করুন আপনার একটি একাউন্ট আছে সেখানে আপনি উপার্জন করেন মাত্র ১০ সেন্ট এবং আপনার রেফারাল করেছেন ২০ জন। এখন তারা যদি তাদের অর্থের আশায় মাত্র ১০ টি করে এ্যাড দেখে যার প্রতিটি এ্যাডের পেমেন্ট হয় ১ সেন্ট তাহলে আপনি পাবেন মোট ১০+(২০x১০)=২.১০ ডলার প্রতিদিন যা বাংলাদেশের হিসেবে ১৪৯.১ টাকা, মাত্র ২০ মিনিট সময় ব্যয় করে। তাহলে এর চেয়ে সুবিধা কোথায় পাবেন বলুন?<br /> <img title="bee" src="extensions/yahoosmile/img/smilies/115.gif" alt="bee" />&nbsp; <img title="bee" src="extensions/yahoosmile/img/smilies/115.gif" alt="bee" /> Join Link: <a href="http://www.alivebux.com/index.php?ref=layla009" target="_blank">http://www.alivebux.com/index.php?ref=layla009</a></p>]]></description>
			<author><![CDATA[null@example.com (layla0009)]]></author>
			<pubDate>Fri, 02 Dec 2011 09:09:35 +0000</pubDate>
			<guid>http://rmcforum.com/topic1626new-posts.html</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[শুরু হলো ডিজিটাল কেবল সম্প্রচার]]></title>
			<link>http://rmcforum.com/topic1608new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<p><a href="http://imageshack.us/photo/my-images/854/image699203250.jpg/" target="_blank"><img class="sigimage" src="http://img854.imageshack.us/img854/1985/image699203250.jpg" alt="http://img854.imageshack.us/img854/1985/image699203250.jpg" /></a></p><p> দেশে প্রথমবারের মতো ডিজিটাল কেবল সম্প্রচার চালু করেছে সিলেট কেব্ল্ সিস্টেমস (এসসিএস)। গত শুক্রবার রাতে আনুষ্ঠানিকভাবে এর উদ্বোধন করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। এদিন এসসিএসের যুগপূর্তি উৎসব ও ডিজিটাল সম্প্রচার চালু উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি এ কে আজাদ। সভাপতিত্ব করেন উৎসব উদ্যাপন কমিটির সভাপতি এম শাকুর। অনুষ্ঠানে এসসিএসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিজয় কুমার দাস দেবু জানান, আগে সিলেট কেব্ল্ সিস্টেমে অ্যানালগ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হতো। এখন থেকে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্বতিতে এমপেঙ্-৪ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে যেকোনো চ্যানেলের অনুষ্ঠানের শব্দ ও ছবি অনেক বেশি স্বচ্ছ হবে। এ ছাড়া গ্রাহক তাঁর পছন্দ অনুযায়ী চ্যানেল দেখতে পারবেন। প্রাথমিকভাবে ৯৯টি চ্যানেল চালু হলেও পরবর্তী সময়ে এই সংখ্যা বাড়ানো হবে। ডিজিটাল কেব্ল্ সম্প্রচার চালুর ফলে গ্রাহকরা ব্যস্ততার কারণে কোনো চ্যানেলের অনুষ্ঠান দেখতে না পারলেও পরবর্তী সময়ে তাঁর সুবিধামতো সময়ে দেখতে পারবেন। এ ছাড়া থাকছে একটি মুভি আর্কাইভ, যার মাধ্যমে যেকোনো সময় &#039;মুভি অন ডিমান্ড&#039; ভিত্তিতে একজন গ্রাহক তাঁর পছন্দের সিনেমা সেই চ্যানেলে দেখতে পারবেন।<br />এসসিএসের চেয়ারম্যান জিয়াউল গণি আরেফিন জিল্লুর বলেন, &#039;দেশে আমরাই প্রথম এই ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্প্রচার কার্যক্রম চালু করেছি। গ্রাহক যে কয়টি চ্যানেল দেখবেন, সে অনুযায়ী তাঁকে বিল দিতে হবে। এতে গ্রাহকরাও উপকৃত হবেন।&#039;<br />এসসিএস ডিজিটাল প্রযুক্তিতে সম্প্রচার চালু করায় এ শিল্পে নতুন মাত্রা যোগ হলো বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।<br />অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন দেশ টিভির চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান নূর এমপি, নারী নেত্রী ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল প্রমুখ।</p>]]></description>
			<author><![CDATA[null@example.com (shamim51)]]></author>
			<pubDate>Sun, 13 Nov 2011 07:54:57 +0000</pubDate>
			<guid>http://rmcforum.com/topic1608new-posts.html</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[প্রধানমন্ত্রী-মন্ত্রীদের কি এরকম হওয়াই উচিত্ নয়?]]></title>
			<link>http://rmcforum.com/topic1591new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<p>হযরত উমর(রা<img title="happy" src="extensions/yahoosmile/img/smilies/1.gif" alt="happy" /> এর মাটিতে বসে অর্ধ দুনিয়া শাসন করার কাহিনী যখন শুনতাম তখন মনে হতো,হায়রে!আমাদের দেশে এমন মন্ত্রী-প্রধানমন্ত্রী কবে আসবে?কবে তারা সত্যিকারের আম-জনতা হতে পারবে। <br />নিচের সংবাদটি পড়ার পর মনে হলো,আমাদের দেশে না হলেও বিশ্বের কোথাও অন্তত কিছু মন্ত্রী-প্রধানমন্ত্রী আছেন যারা নিজেদের সাধারণ মানুষই মনে করেন।&nbsp; <img title="happy" src="extensions/yahoosmile/img/smilies/1.gif" alt="happy" />&nbsp; <img title="happy" src="extensions/yahoosmile/img/smilies/1.gif" alt="happy" /> </p><p>&nbsp; &nbsp; </p><div class="quotebox"><blockquote><p>নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠানে পৌঁছাতে হবে। কিন্তু ব্যস্ত সময়ে সড়কপথে গেলে দেরি হতে পারে। তাই ওয়েস্টমিনস্টার থেকে পাতাল ট্রেনে উঠলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন।<br />ট্রেনে ভারতীয় বংশোদ্ভূত এক মায়ের কোলে ফুটফুটে শিশু দেখে তাঁর খোঁজ নিলেন। বললেন, ‘এটি কি আপনার সন্তান?’ ওই নারী হ্যাঁ সূচক জবাব দিলে তিনি বলেন, ‘আপনার শিশুসন্তান বেশ সুন্দর হয়েছে।’ এরপর তিনি একটু সরে দাঁড়ান।<br />ওই মায়ের নাম সঙ্গীতা মায়ের (২৭)। তিনি বলিউডের অভিনেত্রী ছিলেন। সম্প্রতি তিনি স্বামী ইয়ানকোর (৩১) সঙ্গে ভারত থেকে ব্রিটেনে চলে যান। সেখানে তিনি ওয়েস্টমিনস্টারে বসবাস করছেন।<br />সঙ্গীতা বলেন, ‘আমরা ওয়েস্টমিনস্টার থেকে ট্রেনে করে শপিংয়ে যাচ্ছিলাম। এমন সময় অপরিচিত এক ব্যক্তি ট্রেনে উঠে আমার কোলে থাকা তিন মাসের সন্তান সম্পর্কে খোঁজ নেন। পরে আমার পাশে সরে দাঁড়ান।’<br />সঙ্গীতা বলেন, ‘পরে আমি ইয়ানকোর কাছে জানতে চাই, অপরিচিত লোকটি কে? তখন সে আমাকে বলল, তিনি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন। আমি তাঁকে বললাম, আমার সঙ্গে ঠাট্টা কোরো না। কিন্তু আমার স্বামী একই কথা বললেন।’<br />সঙ্গীতা বলেন, ‘রাজ্যের বিস্ময় নিয়ে আমি ওই ব্যক্তির দিকে এগিয়ে যাই। তাঁকে জিজ্ঞেস করি, মাফ করবেন, আপনি কি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী?’<br />সঙ্গীতা বলেন, ‘জবাবে ক্যামেরন বললেন, ‘হ্যাঁ’। তাঁর কথা শুনে আমি হাসতে শুরু করি এবং প্রশ্ন করার জন্য তাঁর কাছে ক্ষমা চাই।’ তিনি আমাকে জানান, ‘তাঁর বৈঠকের তাড়া আছে এবং সড়কপথের চেয়ে ট্রেনে তিনি দ্রুত সেখানে পৌঁছাতে পারবেন। এ সময় ক্যামেরনের সঙ্গে একজন দেহরক্ষী ছিলেন।<br />ক্যামেরন সঙ্গীতাকে জানান, তিনি ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ট্রেনে চড়েছেন, মুম্বাই ভ্রমণ করেছেন এবং একদা শচীন টেন্ডুলকারের কাছ থেকে ক্রিকেট বলে সই নিয়েছিলেন।</p><p><a href="http://www.prothom-alo.com/detail/date/2011-10-17/news/194606" target="_blank">সুত্র </a></p></blockquote></div>]]></description>
			<author><![CDATA[null@example.com (উপল BD)]]></author>
			<pubDate>Tue, 18 Oct 2011 03:33:19 +0000</pubDate>
			<guid>http://rmcforum.com/topic1591new-posts.html</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[ছবিতে স্টিভ জবস।]]></title>
			<link>http://rmcforum.com/topic1577new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<p>অবশেষে ক্যান্সারের কাছে হার মানলেন বিশ্বের সর্ববৃহত্ টেকনোলজি কোম্পানী Apple এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবস(১৯৫৫-২০১১)।১ এপ্রিল,১৯৭৬ সালে তিনি Steve Wozniak এবং Ronald Wayne কে সাথে নিয়ে প্রতিষ্ঠা করেন অ্যাপল।ডিজিটাল যুগের অন্যতম এই পথিকৃতের প্রতি সম্মান জানাতে আমার এই পোস্ট। </p><p><img class="sigimage" src="http://news.sky.com/sky-news/content/StaticFile/jpg/2011/Oct/Week1/16083590.jpg" alt="http://news.sky.com/sky-news/content/StaticFile/jpg/2011/Oct/Week1/16083590.jpg" /></p><br /><p><img class="sigimage" src="http://daylife.sky.com/imageserve/07iQ6fF4dr2ZZ/400x375.jpg?fit=scale&amp;background=000000" alt="http://daylife.sky.com/imageserve/07iQ6fF4dr2ZZ/400x375.jpg?fit=scale&amp;amp;background=000000" /></p><br /><p><img class="sigimage" src="http://daylife.sky.com/imageserve/0fBCgpI16C3sx/400x375.jpg?fit=scale&amp;background=000000" alt="http://daylife.sky.com/imageserve/0fBCgpI16C3sx/400x375.jpg?fit=scale&amp;amp;background=000000" /><br />(Apple প্রতিষ্ঠার কিছুদিন পরের ছবি)</p><p><img class="sigimage" src="http://daylife.sky.com/imageserve/0dFS3Cv2BR86x/400x375.jpg?fit=scale&amp;background=000000" alt="http://daylife.sky.com/imageserve/0dFS3Cv2BR86x/400x375.jpg?fit=scale&amp;amp;background=000000" /><br />(স্টিভ জবস ও Apple এর নতুন CEO টিম কুক)</p><p><img class="sigimage" src="http://daylife.sky.com/imageserve/04Rg6Dtgza3Px/400x375.jpg?fit=scale&amp;background=000000" alt="http://daylife.sky.com/imageserve/04Rg6Dtgza3Px/400x375.jpg?fit=scale&amp;amp;background=000000" /></p><p><img class="sigimage" src="http://daylife.sky.com/imageserve/0cPAaNPalScWR/400x375.jpg?fit=scale&amp;background=000000" alt="http://daylife.sky.com/imageserve/0cPAaNPalScWR/400x375.jpg?fit=scale&amp;amp;background=000000" /></p><br /><p><img class="sigimage" src="http://news.sky.com/sky-news/content/StaticFile/jpg/2011/Aug/Week4/16056576.jpg" alt="http://news.sky.com/sky-news/content/StaticFile/jpg/2011/Aug/Week4/16056576.jpg" /></p><p><img class="sigimage" src="http://daylife.sky.com/imageserve/0asS0BD3z86Ox/400x375.jpg?fit=scale&amp;background=000000" alt="http://daylife.sky.com/imageserve/0asS0BD3z86Ox/400x375.jpg?fit=scale&amp;amp;background=000000" /></p><p><em>Apple এর প্রোডাক্টসমূহ:</em></p><p><strong>Apple I(Apple এর প্রথম প্রোডাক্ট),April 11, 1976</strong><br /><img class="sigimage" src="http://t3.gstatic.com/images?q=tbn:ANd9GcRPTmlm_xJDkUCrKMPj3hlZLwQgqanYwkohdkSKA-gcdhpu8XBtAtdV3QBGHQ" alt="http://t3.gstatic.com/images?q=tbn:ANd9GcRPTmlm_xJDkUCrKMPj3hlZLwQgqanYwkohdkSKA-gcdhpu8XBtAtdV3QBGHQ" /></p><br /><p><strong>iMac,1998</strong><br /><img class="sigimage" src="http://news.sky.com/sky-news/content/StaticFile/jpg/2011/Aug/Week4/16056603.jpg" alt="http://news.sky.com/sky-news/content/StaticFile/jpg/2011/Aug/Week4/16056603.jpg" /></p><p><strong>iPod,October 23, 2001</strong><br /><img class="sigimage" src="http://cdn.gottabemobile.com/wp-content/uploads/6a00d8341c767353ef01348456ee2d970c-800wi.jpg" alt="http://cdn.gottabemobile.com/wp-content/uploads/6a00d8341c767353ef01348456ee2d970c-800wi.jpg" /></p><p><strong>Apple MacBook,May 16, 2006 </strong><br /><img class="sigimage" src="http://www.allwelike.com/wp-content/uploads/2011/07/cdn.appleweblog.com_.files_.2010.07.apple-macbook-air-steve-jobs.jpg" alt="http://www.allwelike.com/wp-content/uploads/2011/07/cdn.appleweblog.com_.files_.2010.07.apple-macbook-air-steve-jobs.jpg" /></p><p><strong>iPhone 2010</strong><br /><img class="sigimage" src="http://news.sky.com/sky-news/content/StaticFile/jpg/2011/Aug/Week4/16056593.jpg" alt="http://news.sky.com/sky-news/content/StaticFile/jpg/2011/Aug/Week4/16056593.jpg" /></p><p><strong>iPad,April 3, 2010</strong><br /><img class="sigimage" src="http://daylife.sky.com/imageserve/00YV3bGgHV9Vl/400x375.jpg?fit=scale&amp;background=000000" alt="http://daylife.sky.com/imageserve/00YV3bGgHV9Vl/400x375.jpg?fit=scale&amp;amp;background=000000" /></p>]]></description>
			<author><![CDATA[null@example.com (উপল BD)]]></author>
			<pubDate>Thu, 06 Oct 2011 04:13:01 +0000</pubDate>
			<guid>http://rmcforum.com/topic1577new-posts.html</guid>
		</item>
	</channel>
</rss>
