<?xml version="1.0" encoding="utf-8"?>
<rss version="2.0" xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom">
	<channel>
		<title><![CDATA[রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ফোরাম — কবিতা, গল্পসল্প, উপন্যাস]]></title>
		<link>http://rmcforum.com/</link>
		<atom:link href="http://www.rmcforum.com/feed-rss-forum28.xml" rel="self" type="application/rss+xml" />
		<description><![CDATA[The most recent topics at রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ফোরাম.]]></description>
		<lastBuildDate>Fri, 13 Jul 2018 13:41:22 +0000</lastBuildDate>
		<generator>PunBB 1.4.2</generator>
		<item>
			<title><![CDATA[ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কবি নজরুল ইসলাম কি করে বাংলাদেশের জাতীয় কবি হলেন??]]></title>
			<link>http://rmcforum.com/topic1905new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<p><img class="sigimage" src="https://img6.uploadhouse.com/fileuploads/26259/262598566648119569303eb7ff9fb539b5f85d6b.jpg" alt="PunBB bbcode test" /></p><p>১।ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১১৯তম জন্মজয়ন্তী,আজ । ১৮৯৯ সালের এইদিনে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বর্ধমান জেলার চুরুলিয়ায় জন্মগ্রহন করেন। পৃথিবীর ইতিহাসে এটি নজিরবিহীন, এক দেশের কবিকে নাগরিকত্ব দিয়ে ভিন্ন দেশের জাতীয় কবি বানানো হয়েছে। সব সম্ভবের দেশ বাংলাদেশেই এটা সম্ভব।</p><p>২।তাছাড়া পশ্চিমবঙ্গের কবি নজরুলকে যখন নাগরিকত্ব দেয়া হয়, তখন কবি বাকশক্তিরহিত ও বোধশক্তিহীন। কবির সম্মতি ছাড়াই বিদেশী কবিকে বাংলাদেশী নাগরিকত্ব দিয়ে তাকে জাতীয় কবি ঘোষণা করা হয়।</p><p>৩। সেক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গের অপর কবি রবীন্দ্রনাথকে কেন বাংলাদেশের জাতীয় কবি ঘোষণা করা হয়নি কেন? ইনি হিন্দু ব্রাহ্মধর্মবাদী কবি বলে? অথচ রবীন্দ্রনাথ ছিলেন জমিদার ও নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত কবি। অন্যদিকে নজরুল ছিলেন সামান্য হোটেল কর্মচারী ও সেনাবাহিনীর নিম্নপদস্থ হাবিলদার।</p><p>৪। আর আমাদের এই জাতীয় কবিই কিনা বাংলাভাষার সাথে আরবী-উর্দু-ফার্সী শব্দ মিশিয়ে বংলাভাষার সতীত্ব নষ্ট করেছেন অন্যকথায় বংলাভাষার মুসলমানীকরণ(circumcision) করেছিলেন।</p><p>৫। তাছাড়া কবির সম্মতি ছাড়াই কবিকে তার জন্মভূমি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে উঠিয়ে এনে বাংলাদেশে সমাধিস্থ করা হয়। মানুষের একটি স্বাভাবিক আকাংখা জন্মভূমির মাটিতে সমাধিস্থ হওয়া। এক্ষেত্রে সেটিও মানা হয়নি। আমি তো মনে করি কবর থেকে তার দেহাবশেষ উঠিয়ে পশ্চিমবঙ্গে পুনরায় সমাধিস্থ করা হোক। তাহলে তার বিদেহী আত্মা শান্তি পাবে।</p><p>৬। সেক্ষেত্রে কবির বাকশক্তিরহিত ও বোধশক্তিহীনতাকে স্বার্থ হাসিলের জন্য কাজে লাগানো হয়েছে।</p>]]></description>
			<author><![CDATA[null@example.com (sfk505)]]></author>
			<pubDate>Fri, 13 Jul 2018 13:41:22 +0000</pubDate>
			<guid>http://rmcforum.com/topic1905new-posts.html</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[নজরুল মঞ্ছের বট গাছ ও একটি আবেদন]]></title>
			<link>http://rmcforum.com/topic1900new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<p>লেখালেখির সুবাদে সম্প্রতি বাংলা একাডেমীতে শেষ হয়ে যাওয়া ‘ঢাকা লিটফেষ্ট’ এ নজরুল মঞ্চের সামনে বসে কবিদের কবিতা আবৃতি শুনছিলাম।বটের ছায়া ঘেরা এ স্থানটিতে আসলে এমনিতেই মন ভাল হয়ে যায়।কারন নজরুল মঞ্চের ছায়া ঘেরা বিখ্যাত বট গাছ,যে গাছ না থাকলে নজরুল মঞ্ছ পরিপুর্নতা পেতনা।হঠাত উপরের দিকে চোখ পড়লে আতকে উঠলাম।ভাল করে চেয়ে দেখলাম এ গাছটি বিরাট হুমকির মুখে।এর ছড়িয়ে থাকা ডাল গুলো এখনি যদি রক্ষা করার ব্যবস্থা না নেয়া হয় তা হলে যে কোন সময় ভেঙ্গে পড়তে পারে।বিশেষ করে ঝড় বৃষ্টিতে যে কোন মুহুর্তে এর চার পাশের বিস্তৃত ডাল গুলো ভেঙ্গে পড়বে এতে কোন সন্দেহ নেই।বট গাছ এমনিতেই ভঙ্গুর প্রজাতির গাছ।তাই বাংলা একাডেমী সহ সরকারের প্রতি আহবান করছি আর দেরী না করে এখনি এ গাছটিকে রক্ষা করার ব্যবস্থা করা হোক।আমার ব্যক্তি গত একটি পরামর্শ হল;চার দিকে প্রসারিত ডালের স্থানে স্থানে&nbsp; ষ্টীলের বিম মাটিতে গেড়ে তার সাথে ডাল গুলো ভাল করে বেঁধে দেয়া হোক,যাতে করে ঝড় তুফানের সময় ডাল গুলো নড়াচড়া করলেও যেন ভেঙ্গে না পড়ে।অথবা বিশেষজ্ঞ থেকে পরামর্শ নিয়ে যে ভাবে ভাল হয় সে ভাবে এ গুরুত্ব পুর্ন গাছ টিকে রক্ষা করা হোক।না হয় পরে হাজারো আফসোস করলেও কোন কাজ হবেনা।আর এ কাজটি বই মেলা-২০১৭ শুরু হওয়ার আগেই শেষ করার অনুরোধ করছি।সাহিত্য প্রেমি সবাইকেও এ বিষয়ে সোচ্ছার হওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।fb-blog সহ যে যেভাবে পারেন এ ব্যাপারে লেখা লেখি করুন।আর এই হবে জাতীয় কবির প্রতি মহা এক সন্মান প্রদর্শন।</p>]]></description>
			<author><![CDATA[null@example.com (Mamun Saheb)]]></author>
			<pubDate>Tue, 22 Nov 2016 08:04:47 +0000</pubDate>
			<guid>http://rmcforum.com/topic1900new-posts.html</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[মায়ানমারের মুসলিম মেয়েরা কি গনিমতের মাল]]></title>
			<link>http://rmcforum.com/topic1899new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<p>মায়ানমারের মুসলমান মেয়েরা গনি মতের মাল নাকি যে মায়ানমারের সেনাবাহিনী সহ বৌদ্ধরা সবাই মিলে তাদের ধর্ষন শেষে আগুনে পুড়িয়ে মারছে।এ ব্যাপারে বিশ্ব নেতারা চুপ কেন জবাব দিবেন কি?<br />আমাদের দেশের বৌদ্ধ ভাইয়েরাও প্রতিবাদ করছে না কেন বুঝতে পারছিনা।আমারা তো প্রতিনিয়তই ওদের উপর কিছু হলেই কঠোর প্রতিবাদ করছি।আসুন আমরা সবাই মিলে অন্যায়ের প্রতিবাদ করি।একে অন্যের জন্য কাঁদি।অন্যের দুঃখে যে চোখে জল আসেনা সে আবার চোখ হয় কি করে।যার হৃদয়ে দয়া আসেনা সে আবার মানুষ বলে দাবী করে কি করে ?</p>]]></description>
			<author><![CDATA[null@example.com (Mamun Saheb)]]></author>
			<pubDate>Tue, 22 Nov 2016 08:01:03 +0000</pubDate>
			<guid>http://rmcforum.com/topic1899new-posts.html</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[খুনী একবারই খুন করে, বারবার কষ্ট দেয়না...]]></title>
			<link>http://rmcforum.com/topic1896new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<p><img class="sigimage" src="http://www.sylhetexpress.com/bangla/Fullpic/20150813010852" alt="PunBB bbcode test" /><br />খুনী একবারই খুন করে<br />বারবার কষ্ট দেয়না,<br />তুমি এ হৃদয় খুন করেছ শতবার<br />তোমার নিষ্ঠুরতার নেই তুলনা।</p><p>আমার-ই রক্তে রাঙানো লাল শাড়ী পরে<br />বধু সেজে চলে গেছ অন্যের ঘরে,<br />প্রেমিক না হয়ে কেন তুমি খুনি হলেনা।</p><p>কেউ টের পায়নি তুমি যে কি করে<br />তিলে তিলে আমায় গেছ নিঃস্ব করে,<br />তোমার রূপের আড়ালে যে ছুরিটা লুকানো<br />কেউ দেখতে পায়না ।।</p>]]></description>
			<author><![CDATA[null@example.com (sfk505)]]></author>
			<pubDate>Sat, 22 Aug 2015 13:50:18 +0000</pubDate>
			<guid>http://rmcforum.com/topic1896new-posts.html</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[জীবনানন্দ দাশের ‘বনলতা সেন’একটি শ্রেষ্ঠ সমকামী কবিতা !!!]]></title>
			<link>http://rmcforum.com/topic1895new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<p><img class="sigimage" src="http://jalchhabibatayan.com/wp-content/uploads/2015/06/13_index-121x150.jpeg" alt="PunBB bbcode test" /><br />কবি জীবনানন্দ দাশ ও তার ‘বনলতা সেন’ কবিতা বাংলা সাহিত্যে একটি বহুল আলোচিত বিষয় । তার কাব্যে কারণে-অকারণে তরু-গুল্ম-লতা-পাতা ঝোপঝাড়ের এত বর্ণনা পাওয়া যায় যে তাকে কবি না বলে একজন অকৃত্রিম বনসংরক্ষক বা ফরেষ্ট গার্ড বলে ভ্রম হতে পারে। বাংলাভাষার কোন কবির সম্ভবত এত গাছপালার নাম-ধাম জানা নেই।</p><p>কবি তারই অকৃত্রিম পুরুষ বন্ধু বনলতা সেন বাবুকে নিয়ে রচিত ‘বনলতা সেন’ বাংলা সাহিত্যে একটি শ্রেষ্ঠ সমকামী কবিতা !! বহুল আলোচিত কবিতা বলেই এর ব্যাপক বিচার-বিশ্লেষণ প্রয়োজন। দীর্ঘদিন থেকে কবিতাটি একইভাবে পাঠ করা হচ্ছে। বেশীরভাগ পাঠক কবিতাটি সম্পর্কে পূর্ব-ধারণা নিয়ে কবিতাটি পাঠ করছেন। যার ফলে কবিতাটি তার বহুমাত্র্র্রিক ব্যাখা-বিশ্লেষণ থেকে বঞ্চিত হয়েছে।’বনলতা সেন’কে ঘিরে অনেক অমীমাংসিত প্রশ্ন নীচে তুলে ধরলামঃ-</p><p>বনলতা সেন কি নারী না পুরুষ কবিতটিতে তা স্পষ্ট নয়।”অন্ধকার বিদিশার নিশার মত চুল” এবং “শ্রাবস্তীর কারুকার্যের মত মুখ” এবং “পাখীর নীড়ের মত চোখ” নারী/পুরুষ যে কারো থাকতে পারে। বরং দীঘল কেশ,কাজল-টানা চোখ এর কথা উল্লেখ থাকলে বনলতা সেন যে আসলেই একজন নারী তা নিশ্চিত হওয়া যেত।</p><p>পুরো কবিতায় বনলতা সেন কর্তৃক কোন রমণীয় পোষাক যেমন, শাড়ীর আচল, স্তন-আবরণী উড়না/উত্তরীয় এসবের বর্ণনা নাই। এছাড়া কোনরকম প্রসাধনী/অলংকার ব্যবহারের বর্ণনা নাই। বাঙালী নারী প্রসাধন-প্রিয়,বিশেষ করে সুন্দরী নারীরা এ ব্যাপারে আরো সচেতন। বনলতা সেন পুরুষ বলেই কি এসব কবির নজরে আসেনি ?</p><p>কবি কি সমকামী ছিলেন ? যতদূর জানা যায় কবির সাথে তার স্ত্রীর সম্পর্ক ভাল ছিল না, তাই কি গৃহত্যাগী বিবাগী কবি তার পুরুষ বন্ধু বনলতা সেন বাবু’কে অন্ধকারে আকাঙ্খা করেন ?</p><p> শুধু চুল,মুখ ও চোখের বর্ণনা নারী দেহের সৌন্দর্য বর্ণনার জন্য যথেষ্ট কিনা ? নারী দেহের আকর্ষণীয় প্রত্যঙ্গ যেমন, বিল্ব স্তন, পদ্মযোনী, গুরু নিতম্ব এসব বর্ণনার অনুপস্থিতি কি তার নারী-সৌন্দর্যের ঘাটতি কিংবা বনলতা সেন বাবু একজন পুরুষ একথার ইঙ্গিত দেয় না?</p><p>পাখীর নীড় বলতে আমরা দেখি, কুড়িয়ে আনা খড়কুটোর নিশ্চল নিষ্প্রাণ বিবর্ণ স্তূপ।কাজেই পাখীর নীড়ের মত চোখ বলতে চোখে-ছানিপড়া ভাবলেশহীন বৃদ্ধার চোখের কথাই মনে আসে।</p><p> “অন্ধকার বিদিশার নিশার মত চুল” এবং “শ্রাবস্তীর কারুকার্যের মত মুখ” সার্বজনীন উপমা কিনা? [সোনালী চুল ইংরেজদের প্রিয় এবং সরল মুখশ্রী অনেকের পছন্দ]<br /> “অন্ধকার বিদিশার নিশা” দ্বারা নিষ্প্রদীপ বিদিশা নগরীকে বুঝায় না। কাজেই ঘন-কালো চুলের উপমা হিসেবে এটা সঠিক নয়।<br /> অন্ধকারে বনলতার সাথে সাক্ষাৎ করে বনলতার সৌন্দর্য সম্পূর্ণ অবলোকন করা সম্ভব কিনা?</p><p> বনলতা সেনের প্রতি কবির প্রেম কি একতরফা?<br />বনলতা কি শুধুই সৌন্দর্যময়ী না প্রেমময়ী? বনলতা সেন চরিত্রে প্রেম ও সৌন্দর্যের অসম সংমিশ্রণ পরিলক্ষিত হয়।<br /> জীবনানন্দের প্রতি বনলতা সেনের প্রকৃতই প্রেম নাকি একজন চরম হতাশাগ্রস্থ পুরুষের প্রতি সহানুভূতি?<br /> কবি বনলতা সেনকে কেন অন্ধকারে আকাঙ্খা করেন? [ ডঃ আকবর আলী, প্রাক্তন উপদেষ্টা,তত্ত্বাবধায়ক সরকার টিভি চ্যানেলে একই প্রশ্ন উত্থাপন করেছিলেন]</p><p> বনলতা কি বিবাহিতা না কুমারী? কবির সাথে এই সম্পর্ক কি পরকীয়া?<br /> কবিকে দু’দন্ড শান্তি দিয়েছিলেন বনলতা সেন, এই শান্তি কি শুধুই মানসিক নাকি দৈহিক যৌন তৃপ্তি?<br /> নাটোরের বনলতা সেন কবিকে দু’দন্ড শান্তি দিয়েছিলেন,তবে কবি আর কোথায় শান্তি পেতে ব্যর্থ হয়েছেন?<br /> হাজার বছরের ক্লান্ত কবি মাত্র দুদন্ড শান্তি পাওয়ার কথা অতৃপ্তির সাথে অভিমান-ভরে জানিয়েছেন। কবির এই অপূর্ণ প্রাপ্তির বেদনা আমাদের হৃদয় স্পর্শ করে। কবিতাটিতে প্রাপ্তির চেয়ে প্রত্যাশাই প্রধান্য পেয়েছে।<br /> নাটোরের বনলতা সেন এর সাথে কবির কি নাটোরেই দেখা হয়েছিল নাকি অন্য কোথাও…<br /> কবি যে সময়ের নাটোরের বনলতা সেন এর কথা বলেছেন সে সময়ে নাটোরে সেন বংশীয়া সম্ভ্রান্ত সুন্দরী রমণী বসবাস করতেন বলে জানা যায় না।</p><p> “বনলতা সেন” কবিতা জুড়ে একজন পর্যটকের বর্ণনা প্রাধান্য পেয়েছে নাকি একজন প্রেমিকের উচ্ছাস প্রাধান্য পেয়েছে?<br /> কবি কি শুধুই ভ্রমণ-ক্লান্ত ছিলেন নাকি দেহে-মনে অতৃপ্ত ছিলেন?<br /> বনলতার সাথে কবির এই মিলন দুটি অসমবয়সী নর-নারীর মিলন কিনা,কারণ দীর্ঘ পথচলার শেষে কবি বনলতা সেনের সাক্ষাৎ পেয়েছিলেন। আর সেজন্যই কি অসমবয়সী কবিকে দু’দন্ড শান্তি দিয়েই বনলতা সেন আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন?<br /> কবি কি শেষ পর্যন্ত একজন প্রত্যাখাত পুরুষ ? জীবনানন্দ ছিলেন দাশ বংশীয় আর বনলতা ছিলেন সেন বংশীয়া- এ জন্যই কি বননলতা অসবর্ণ সম্পর্কে সম্মত হননি।</p><p> কবিকে বনলতা সেনের তির্যক প্র্রশ্ন– এতদিন কোথায় ছিলেন’? বনলতা সেন কি কবিকে সন্দেহ করতেন? মনে হয় অন্ধকারে সাক্ষাৎ করতে আসায় বনলতা সেন কবির উপর খুবই বিরক্ত হয়েছিলেন।<br /> বনলতা সেন কবিকে খুব বেশী ভালবাসতেন বলে মনে হয় না। কারণ কবি এতদিন কোথায় ছিলেন জানতে চাইলে ও কেমন ছিলেন জানতে চাওয়া হয়নি। কাজেই দীর্ঘ অদর্শনের পর নায়ক-নায়িকার আবেগময় সাক্ষাৎ এখানে অনুপস্থিত।<br /> বনলতা সেন কি কবিকে অনাগ্রহের সাথে বরণ করেছিলেন ,না হয় মিষ্টি হাসি ছড়িয়ে সাদর অভ্যর্থনার বর্ণনা কবিতাটিতে অনুপস্থিত কেন?<br /> অন্ধকারে কবির উপস্থিতি টের পেয়ে ও বনলতা কেন প্রদীপ জ্বালেননি ? অন্ধকারের সাক্ষাৎ পর্বটি প্রচলিত নৈতিকতা-বিরোধী কিনা?</p><p> “ডানায় রোদের গন্ধ মুছে ফেলে চিল”–’রোদের রঙ’ এর জায়গায় ‘রোদের গন্ধ’ লেখার মত ভুল তথ্য কি একজন কবির কাছ থেকে আদৌ প্রত্যাশিত ? কবি কি বর্ণান্ধ ছিলেন?<br /> তাছাড়া কবির চিন্তাধারায় যথেষ্ট অসামঞ্জস্যতা বিদ্যমান। হাজার বছর পথ হাটার কথা বলে পরক্ষণেই জলপথে সিংহল সমুদ্র থেকে মালয় সাগরের বর্ণনা দিয়েছেন। মনে হয় কবি চিন্তার খেই হারিয়ে ফেলেছেন।<br /> মালয় সাগরের আদৌ কোন ভৌগলিক অস্তিত্ব আছে কিনা? এখানে কবির ভৌগলিক জ্ঞানের দুর্বলতা লক্ষ্য করা যায়।</p><p> কবির ভৌগলিক বর্ণনা প্রাচীন এশিয়া মহাদেশের মধ্যে সীমিত — তাহলে এই বর্ণনা কিভাবে সকল দেশ কালের পুরুষের প্রতিনিধিত্ব করে? এটি এশিয়াবাসী হতাশাগ্রস্থ পুরুষের নারীর কাছে অসহায় আত্মসমর্পণ।<br /> বনলতা সেন কবিতায় সাগর,সবুজ ঘাসের দ্বীপ,হালভাঙা নাবিক,নদীর উল্লেখ থেকে সমুদ্রগামী জাহাজে দীর্ঘদিন নারীসঙ্গবর্জিত নাবিকদের কথা মনে আসে। এটি স্থলভাগের পুরুষের স্বগতোক্তি কখনো নয়। সার্বজনীন পুরুষ এখানে অনুপস্থিত।<br /> কবি মাত্র্র হাজার বছর পৃথিবীর পথে হেটেছেন– এ দ্বারা কবি হাজার বছরের পুরুষের কথাই বলেছেন,বক্তব্যটি সর্বকালের পুরুষকে ধারণ করেনি।<br /> কবিতাটিতে আদিম যুগের শিকারী ও শিকারের কথা মনে করিয়ে দেয়। পুরুষ শিকারী তার নারী শিকারকে খুজে বেড়ায়। এখানে ও নারী পুরুষের অসম আচরণ পরিলক্ষিত হয়। অর্থ্যাৎ পুরুষ সকর্মক নারী অকর্মক/নিষ্ক্রিয়।<br /> ‘মুখোমুখি বসিবার বনলতা সেন’ থেকে বোঝা যায় কবি ও বনলতা সেন সম্ভবত খুব ঘনিষ্ট ছিলেন না, না হলে উভয়ে পাশাপশি না বসে মুখোমুখি বসেছিলেন কেন? অর্থ্যাৎ বনলতা সেন কবির থেকে দূরত্ব বজায় রেখেছিলেন।</p><p> বনলতা সেন চরিত্রটি (সুন্দরী,অহংকারী,পুরুষবিদ্বেষী যিনি পুরুষকে দুদন্ড শান্তি দিয়েই ছুড়ে ফেলে দেন এবং স্থায়ীভাবে গ্রহণ করতে অনিচ্ছুক) যা সুন্দরী নারীদের বহুগামীতার প্রচ্ছন্ন ইঙ্গিত দেয়।<br /> জীবনানন্দ চরিত্রটি (ভীতু,হতাশাগ্রস্থ,অতিমাত্রায় নারীপ্রেমিক যিনি নারীকেই শান্তি-স্বরূপা বলে মনে করেন,ঈশ্বর কিংবা প্রকৃতি তাকে কোন শান্তি দিতে পারে না) যিনি নারীর নিকট কাতর আবেদন-নিবেদনে অভ্যস্ত এবং নারীকে স্থায়ীভাবে অধিকার করতে জানেন না।<br /> বনলতা সেন কবিতায় ধূসর জগত,অন্ধকার বিদিশার নিশা,থাকে শুধু অন্ধকার– এসব বর্ণনা থেকে বলা যায় এটি একটি বিবর্ণ বর্ণের কবিতা।</p><p> তাই সবশেষে বলা যায় হাজার বছর ধরে অনোন্যপায় পুরুষ যে নারীর আকাংখা করে এসেছে তাকে না পেয়ে কল্পনায় কিছু সুখ খুজে নিয়ে বাচতে চেয়েছে। একজন কবি হযত হাজার বছর নারীর সন্ধান করে ক্লান্ত হয়ে বনলতা সেন এর নিকট আশ্রয় চেয়েছেন কিন্তু একজন প্রকৃত নারীর সন্ধান লাভের জন্য পুরুষ জাতিকে হয়তো অনন্তকাল অপেক্ষা করতে হবে। এক্ষেত্রে বনলতা সেনই সর্বশেষ ও চূড়ান্ত কাম্য নারী হতে পারে না।।</p><p>ভিসিট: <a href="http://www.blogymate.com/blog/sfk505" target="_blank">http://www.blogymate.com/blog/sfk505</a></p>]]></description>
			<author><![CDATA[null@example.com (sfk505)]]></author>
			<pubDate>Wed, 10 Jun 2015 09:05:20 +0000</pubDate>
			<guid>http://rmcforum.com/topic1895new-posts.html</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[বই প্রকাশ প্রসঙ্গে]]></title>
			<link>http://rmcforum.com/topic1892new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<p>বন্ধুরা,আল্লাহ যদি তওফিক দেন তাহলে আগামী ২০১৫ তে একটি প্রেমের বই প্রকাশ করার ইচ্ছে করছি।বইটির নাম হবে &quot;প্রেম ও যৌবণ&quot;।না এটি গতানুগতিক কোন প্রেমের বই হবেনা,এটি হবে আধ্যাত্ত প্রেমের বই।এখন কথা হচ্ছে বইয়ের জন্য এখনো তেমন কোন কবিতা লেখা হয়নি।মাত্র গতকাল (০১/০৫/১৫) এ চিন্তা মাথায় এসেছে।তাই কিছুটা লেখা আরম্ভ করছি,বন্ধুদের কাছে শুভ কামনা ও দোয়া প্রার্থনা করছি যেন আশা পূরণ হয়।সবার জন্য রইল শুভ কামনা।ও হ্যাঁ বইয়ের জন্য সদ্য লিখিত একটি কবিতা লিখলাম,কেমন হল জানাবেনঃ-<br />&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp;&quot;প্রেমের শরাব&quot;<br />পিয়েয়েছ সখা মোরে প্রেমের শরাব এখন আমি যে মাতাল<br />যে দিকে তাকাই তোমায় দেখি স্বর্গ ,মর্ত্য ,পাতাল।<br />আমার হিয়া মিশে গিয়াছে তোমার হিয়ার মাঝে<br />বিচ্ছেদ তা করতে&nbsp; পারেনা দুনিয়ার কোনো লাজে।<br />লাজ,শরম আমি দূরে সরে দিয়ে মজেছি তোমার প্রেমে<br />তৃষিত হৃদয়ের তৃষ্ণা মিটাই শরাব সাগরে নেমে।<br />যত পিহি শরাব তৃষ্ণা মিটাতে তৃষ্ণা যে আরো বাড়ে<br />বল সখা ওরে তুমি ছাড়া এ তৃষ্ণা কে মিটাতে মোর পারে।<br />হর রোজ আমি শরাব সাগরে ডুবে হই একাকার<br />মন তাতে মোর বাধ মানেনা ডুবে যেতে চায় বার বার।<br />এ শরাব সাধ বুঝাবো কেমনে মোর নাই তাতে ভাষা<br />তুলনা বিহিন এর তুলনা লক্ষ তুলনায় ঠাসা।<br />যদি চাহি আর পিহিবোনা&nbsp; ভুলে ফের গিলে ফেলি<br />হাজারো ফুলের নির্যাস তাতে চম্পা,চামেলি,বেলী।<br />একবার যাকে পিয়াও এ শরাব সে যায় তাতে মজে<br />আসমান,জমিন পাহাড়,পর্বত সবখানে তার খুঁজে।<br />নেশায় তাহার বুঁদ হয়ে যায় নেশা তার ভারী<br />কাটেনা এ নেশা সখা বিহনে মাথায় মার শত বাড়ি।<br />চার দিকে দেখে সখার ছবি অন্য তাহাতে নাই<br />মন চায় শুধু সখারে দেখতে,চাই আর শুধু চাই।<br />সখা যদি ক্ষনিক যায় যে লুকিয়ে অথবা লুকাতে চায়<br />চার দিকে ব্যাথায় ধ্বনি যে উঠে হায় ,হায়,হায়,হায়।<br />এ ধ্বনি বাজে স্বর্গে,মর্ত্যে চার দিকে উঠে শোর<br />পটাপট করে খুলে যায় যত ফানা-ফিল্লাহর দোর।<br />যে পিয়ে প্রেমের মাতাল শরাব সে ডুবে হয় তাতে লীন<br />বেহুস,বেহাল মাতোয়ারা হয় শুনে যে সখার বীন।<br />আমিও পিয়ে প্রেমের শরাব পড়েছি প্রেমের ঘোরে<br />ধ্যানে কেটে যায় সারা রাত,দিন,সকাল,বিকাল,ভোরে।<br />রচনা কালঃ০১/০৫/২০১৫ইং</p>]]></description>
			<author><![CDATA[null@example.com (Mamun Saheb)]]></author>
			<pubDate>Sat, 02 May 2015 15:20:21 +0000</pubDate>
			<guid>http://rmcforum.com/topic1892new-posts.html</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[অবরোধ]]></title>
			<link>http://rmcforum.com/topic1890new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<p>্মানুশের মাঝে জেগে উঠুক <br />মানুষত্ত বোধ<br />দুনিয়ার থেকে দূর হ্য় যাক<br />সকল অবরোধ।</p>]]></description>
			<author><![CDATA[null@example.com (Mamun Saheb)]]></author>
			<pubDate>Wed, 14 Jan 2015 08:09:48 +0000</pubDate>
			<guid>http://rmcforum.com/topic1890new-posts.html</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[অন্য]]></title>
			<link>http://rmcforum.com/topic1889new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<p>অন্য <br />তুমি জঘন্য<br />তোমার কারণে<br />চড়া মূল্যের মকমলের বিছানায় হই<br />বিবস্ত্র চরিত্রহীনা<br />কামুক পুরুষের পণ্য।</p><p>অন্য<br />তুমি জঘন্য<br />তোমার কারনে<br />আমার বুকে যন্ত্রনার অসুখ!<br />কাল টাকার আচল দিয়ে ঢাকি <br />মম লজ্জার এ মুখ।</p><p>অন্য<br />তুমি জঘন্য<br />তোমার কারনে<br />মেঘ মল্লার কাল মাশকারাতে ঢাকি<br />শরীরি শত লজ্জা<br />প্রতিদিন সাজায় নতুন অথিতির<br />নতুন রাতের সজ্জা।</p><p>&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp;গুলশান থানা<br />&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp;০৮।০৯।০৬ ইং,</p>]]></description>
			<author><![CDATA[null@example.com (shasbikal)]]></author>
			<pubDate>Thu, 10 Jul 2014 12:33:26 +0000</pubDate>
			<guid>http://rmcforum.com/topic1889new-posts.html</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[স্মৃতির পাতা থেকে…]]></title>
			<link>http://rmcforum.com/topic1888new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<p><img class="sigimage" src="http://jalchhabibatayan.com/wp-content/uploads/2014/05/49152665.jpg" alt="PunBB bbcode test" /><br />জীবনের নিঃসঙ্গ বন্ধুর পথ চলতে চলতে<br />আকস্মিক তার সাথে দেখা।<br />অজানা, অচেনা<br />তবু যেন কত পরিচিত,<br />যুগ জন্মান্তরের চেনা।<br />ভাবি এই বুঝি আমার ঠিকানা,<br />এখানেই বুঝি পথচলা শেষ।<br />এখানেই বুঝি ভালবাসার ছায়ায় বিশ্রাম<br />অবিরাম বিশ্রাম।</p><p>কিন্তু সব ভাবনা কি সত্যি হয়,<br />একদিন কাছে এসে ও কাছের মানুষ হারিয়ে যায়।<br />আবার এই আমি সেই আমি হয়ে যাই।<br />অসহায়,নিঃসঙ্গ,বিপন্ন।<br />লক্ষ্যবিহীন শুরু হয় আবার পথচলা।</p><p>যে যায় সেকি ফিরে আসে।<br />আসে না।<br />আসবে না একম ও তো বলা যায় না।<br />আসতে ও তো পারে।<br />এটি যুক্তির কথা।<br />বাস্তবতা এই–<br />তার সন্ধান আর মেলেনি।<br />ফিরে আসবে একথা ভেবে কল্পনায় সুখ<br />পাওয়া ও যেতে পারে।<br />বাস্তবে নয়।</p><p>তখন বুঝতে পারি, বেশ বুঝতে পারি<br />সে আর ফিরবে না…<br />অনন্তকাল প্রতীক্ষার নামই বুঝি ভালবাসা ।।</p><p>visit:&nbsp; <a href="http://www.prothom-aloblog.com/blog/sfk808" target="_blank">http://www.prothom-aloblog.com/blog/sfk808</a></p>]]></description>
			<author><![CDATA[null@example.com (sfk505)]]></author>
			<pubDate>Mon, 05 May 2014 17:08:15 +0000</pubDate>
			<guid>http://rmcforum.com/topic1888new-posts.html</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[কবি শফিকুল ইসলামের শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ “তবুও বৃষ্টি আসুক”]]></title>
			<link>http://rmcforum.com/topic1887new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<p><img class="sigimage" src="http://jalchhabibatayan.com/wp-content/uploads/2013/05/tobu-o-ashuk-x300.jpg" alt="PunBB bbcode test" /><br />পর্যালোচনায়- ডঃ আশরাফ সিদ্দিকী<br />সাবেক মহাপরিচালক,<br />বাংলা একাডেমী।</p><p>‘তবুও বৃষ্টি আসুক’ কবি শফিকুল ইসলামের&nbsp; শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ। গ্রন্থটি প্রকাশ করেছে আগামী প্রকাশনী। তার কবিতা&nbsp; আমি ইতিপূর্বে&nbsp; পড়েছি । ভাষা বর্ণনা প্রাঞ্জল এবং তীব্র&nbsp; নির্বাচনী। “তবুও&nbsp; বৃষ্টি&nbsp; আসুক” গ্রন্থে&nbsp; মোট ৪১ টি কবিতা&nbsp; রচিত হয়েছে। প্রথম&nbsp; থেকে শেষ&nbsp; পর্যন্ত এ গ্রন্থ&nbsp; পাঠ&nbsp; করে&nbsp; পূর্বেই&nbsp; বলেছি, মন অনাবিল তৃপ্তিতে ভরে যায়।</p><p>বইটির প্রথম কবিতায় মানবতাহীন এই হিংস্র পৃথিবীতে কবির চাওয়া বিশ্ব মানবের সার্বজনীন আকাংখা হয়ে ধরা দিয়েছে। কবি বলেছেন–<br />‘তারও আগে বৃষ্টি নামুক<br />আমাদের বিবেকের মরুভূমিতে<br />সেখানে মানবতা ফুল হয়ে ফুটুক,<br />আর পরিশুদ্ধ হোক ধরা,হৃদয়ের গ্লানি…<br />(কবিতা:“তবুও&nbsp; বৃষ্টি&nbsp; আসুক”)</p><p>প্রকৃতি ,প্রেম,নারী ,মুক্তিযোদ্ধা, মা এবং&nbsp; সুলতা নামের এক&nbsp; নারী&nbsp; তার হৃদয়&nbsp; ভরে রেখেছে। তাকে&nbsp; কিছুতেই&nbsp; ভোলা যায় না। মা তার&nbsp; কাছে&nbsp; অত্যন্ত&nbsp; আদরের ধন। মাকে তার বারবার&nbsp; মনে পড়ে।</p><p>মনে পড়ে&nbsp; সুন্দরী&nbsp; সুলতাকে, যে তার হৃদয়ে&nbsp; দোলা দিয়েছিল। বেচারা তার জীবন, মৃত্যুহীন মৃত্যু&nbsp; । তাই&nbsp; তিনি&nbsp; এখন ও&nbsp; সুলতাকে&nbsp; খুঁজেন । যার জন্য তিনি&nbsp; অনন্তকাল&nbsp; প্রতীক্ষায়&nbsp; আছেন।&nbsp; এই&nbsp; প্রিয়তমা&nbsp; তার হৃদয়-মন ভরে&nbsp; আছে।&nbsp; নদীর জল ও&nbsp; তীরের মত&nbsp; এক&nbsp; হয়ে&nbsp; মিশে&nbsp; আছে । এই&nbsp; প্রেম&nbsp; বড়ই&nbsp; স্বর্গীয় ,বড়ই&nbsp; সুন্দর । একে ভোলা যায় না। প্রকৃতি&nbsp; আর&nbsp; সুলতা&nbsp; কখন&nbsp; &nbsp;একাকার&nbsp; হয়ে&nbsp; যায়&nbsp; হৃদয়ে।</p><p>কাব্য গ্রন্থটি পড়ে আমার খুব ভাল লেগেছে। বইটির ছাপা অত্যন্ত সুন্দর। ধ্রুব এষের প্রচছদ&nbsp; চিত্রটি&nbsp; অত্যন্ত&nbsp; প্রশংসনীয়।<br />——————–<br />[গ্রন্থের নাম- ‘তবুও বৃষ্টি আসুক’ লেখক- শফিকুল ইসলাম। প্রচ্ছদ- ধ্রুব এষ। প্রকাশক- আগামী প্রকাশনী,৩৬ বাংলাবাজার, ঢাকা-১১০০। ফোন- ৭১১১৩৩২,৭১১০০২১। মোবাইল- ০১৮১৯২১৯০২৪।</p>]]></description>
			<author><![CDATA[null@example.com (sfk505)]]></author>
			<pubDate>Wed, 16 Apr 2014 15:48:58 +0000</pubDate>
			<guid>http://rmcforum.com/topic1887new-posts.html</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[প্রেম]]></title>
			<link>http://rmcforum.com/topic1886new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<p>্প্রেম যেন এক খাসী ছাগলের কিমা<br />কেউ খুব শখ করে খায়<br />কেউবা আবার নাক সিটকায়।।<br />অথবা,<br />প্রেম যেন ঢাকার ব্যস্ত গুলিস্তান<br />কেউ এথায় বেহুদা দাঁড়ায়<br />কেউবা আবার দোড়ে পালায়...............।</p>]]></description>
			<author><![CDATA[null@example.com (Mamun Saheb)]]></author>
			<pubDate>Wed, 09 Apr 2014 14:52:57 +0000</pubDate>
			<guid>http://rmcforum.com/topic1886new-posts.html</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[মেঘদুত]]></title>
			<link>http://rmcforum.com/topic1868new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<p><p class="bbcenter"><strong>মেঘদূত</strong><br />মোরতাজা আব্দুল হাই শামীম</p><p>পরদেশী মেঘ কহিও তাহারে কহিও<br />হৃদয়ের কথা না বলা ব্যথা বর্ষা হইয়া বহিও।<br />শত স্বর্ণে বর্ণে খচিত স্বপনো<br />তাহারে লইয়া দেখিযে এখনো।<br />হঠাৎ শব্দে স্বপনহারা<br />জেগে থাকি একা তন্দ্রাহারা।<br />হৃদয়ের শত আবেগ আসিয়া<br />জল হয়ে দেয় নয়ন ভাসিয়া।<br />কহিও আমার ভিতর ও বাহিরো<br />চাহে যে তাহারে চাহেনা কাহারো ।<br />আজও মাঝে মাঝে সাজে<br />তার নূপুরের ধ্বনি রুমা ঝুমা বাজে ।<br />দূর হতে শুনি তার সুর ও ছন্দ<br />কাছে গেলে পাই ব্যথা জাগে শুধু দ্বন্দ্ব।<br />সে যে আধারের আলো হাতে আলেয়া<br />যত বলি প্রিয়া প্রিয়া দুঃখ তত পায় হিয়া।<br />কহিও তাহারে কহিও<br />প্রানাধিক তারে ভালোবাসি আমার এ বার্তা বহিও ।</p></p>]]></description>
			<author><![CDATA[null@example.com (shamim51)]]></author>
			<pubDate>Thu, 29 Nov 2012 15:45:48 +0000</pubDate>
			<guid>http://rmcforum.com/topic1868new-posts.html</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[একটি গল্পের সমালোচনা ও আমাদের করনীয় -মামুনুর রাশীদ]]></title>
			<link>http://rmcforum.com/topic1861new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<p>Tolstoy তার বিখ্যাত গল্প What men live by তে প্রেম ও মানবতা বোধের অমর চিত্র নির্মান করে গেছেন।যে গল্পে আমরা পাই জীবণ দর্শন ও মানবতা বোধের অমর বাণী।এ গল্পের সারাংশে আমরা খুঁজে পাই Love is God.অর্থাত প্রেমই ঈশ্বর।বর্তমান পৃথিবীতে মানুষের প্রতি মানুষের নির্দয় আচরনের এ ক্রান্তি লগ্নে যে কোন ভাবুক মানুষকেই এ গল্পটি ভাবিয়ে তোলে.ভোঁতা অনুভুতিতে আঘাত করে ও বিবেকের মাঝে মানবতা বোধকে জাগ্রত করে।এ গল্পে আমরা দেখতে পাই স্বর্গীয় দূত মিখাইল তিনটি ঐশ্বরিক সত্ত্য জানার জন্য পৃথিবীর বুকে প্রেরিত হয়। স্বর্গীয় দূতের শাস্তি স্বরূপ ঈশ্বর কর্তৃক পৃথিবীতে প্রেরিত হয় তিনটি Divine truth জানার জন্য। স্বর্গীয় দূত মিখাইল কেন ঈশ্বর কর্তৃক শাস্তি পেতে হয়েছিল আমরা সে দিকে যাবনা কিন্তু মিখাইল কর্তৃক তিনটি ঐশ্বরিক সত্ত্য জানার মধ্য দিয়ে আমাদের ও কিছু শিক্ষনীয় আছে কিনা তা আলোচনা করবো।প্রথমে তিনটি ঐশ্বরিক সর্ম্পকে আলোচনা করবো। তিনটি ঐশ্বরিক সত্ত্য প্রথমটি ছিল;What men have?(মানুষের কি আছে)। স্বর্গীয় দূত এর উত্তর পেয়েছিল;Men have love for others (মানুষের অন্যের জন্য প্রেম আছে)।The first truth was reveled to Mikhail when Matrona wife Simon took pity on him and gave him food. স্বর্গীয় দূত যখন মানব আকৃতি নিয়ে গির্জার গায়ে হেলান দিয়ে মাটিতে বিপযর্স্ত হয়েছিলেন তখন মুচি সাইন দয়াপরবশ হয়ে তাকে বাড়ীতে নিয়ে আসে এবং সাইমনের স্ত্রী মাত্রোনা স্বামীর সাথে নতুন আগুন্তুককে দেখে প্রথমে ক্রুদ্দ হয় পরে আবার এই মাত্রোনাই ঐশ্বরের কথা স্মরণ হওয়ায় মানবরুপী স্বর্গীয় দূতকে খাদ্য পরিবেশন করেন আর তখনই স্বর্গীয় দূত প্রথম ঐশ্বরিক সত্ত্যের উত্তর পেয়ে যান,Men love for others.<br />&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp;দ্বিতীয় ঐশ্বরিক সত্ত্যের পটভূমি ছিল;What men do not have?এর উত্তর সে এভাবে পেয়েছিল;When the fat rich man came to place order for a pair of boots. the second truth is that men do not have any knowledge of what many happen to them the moment or hour of the day.মোটা ধনী লোকটি এমন এক জোড়া বুট তৈরীর ফরমায়েশ দিলেন যা এক বছরের মধ্যে ছিড়বেনা,অতচ মৃত্যুদূত তার সন্নিকটেই তখন অবস্থান করছিল।ধনী লোকটি যদি জানতো যে কিছুক্ষণ পরেই তার মৃত্যু হবে তাহলে নিশ্চয় সে বুট তৈরীর ফরমায়েশ দিতেন না।মানুষ তার সম্মুখ জ্ঞানের অভাব হেতুই যা ইচ্ছে তা করে বসে,না হয় সে ভেবে চিন্তেই কাজ করত।তাইত স্বর্গীয় দূত দ্বিতীয় ঐশ্বরিক সত্তের সমাধান পেয়ে যান;Men do not have any knowledge of what may happen to them the next moment.<br />&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; তারপর স্বর্গীয় দূত what men live by (মানুষ কি নিয়ে বাঁচে)?তৃতীয় প্রশ্নের উত্তর ও পেয়ে যান;When the women come with the two girls to place orders for the shoes of the twins. The third truth is that men live by the force of love with in them. men live not for their own sake. but for others.মুচি সাইমন ও মিখাইল জুতা বানানো অবস্থায় দুটি ফুট ফুটে মেয়ে সহ যে স্ত্রীলোকটি তাদের কাছে মেয়ে দুটির জুতো তৈরী কর দেয়ার জন্য এসেছিল তাদের মধ্যে একটি মেয়ের পাঁ ছিল খোঁড়া।কথা প্রসঙ্গে স্বর্গীয় দূত মিখাইল জানতে পারে মেয়ে দুটি স্ত্রীলোকটির আপন মেয়ে নয়।মেয়ে দুটি ছিল স্ত্রীলোকটির প্রতিবেশী এক মহিলার মেয়ে যিনি মেয়ে দুটিকে প্রসব করার সময় মারা যান এবং ওই সময় একটি মেয়ের উপর গড়িয়ে পড়ার কারনেই আজ একটি মেয়ের পাঁ খোড়া।ঘটনা ক্রমে এ স্ত্রীলোকটিরও সন্তান মারা যায় তাই মা মরা মেয়ে দুটির জন্য স্ত্রীলোকটির মমতা লেগে যায় এবং সে থেকেই মাতা পিতাহীন মেয়ে দুটিকে স্ত্রীলোকটি নিজ মেয়ের মতই লালন পালন করে বড় করে এবং আজ মেয়ে দুটি ছাড়া স্ত্রীলোকটির জীবণ মুল্যহীন।<br />&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp;এ জানার মধ্য দিয়েই স্বর্গীয় দূত তার তৃতীয় ঐশ্বরিক সত্তের উত্তর পেয়ে যান;Men live by the force of love with in then. Men live not for their own sake. but for others (মানুষ নিজের জন্য বাচেঁনা,বাচেঁ পরের জন্য)।তিনটি ঐশ্বরিক সত্ত জানার পর ঈশ্বর কর্তৃক স্বর্গীয় দূতের পাপ মুক্ত হয়ে সে পূর্ণবার স্বর্গে ফিরে যায়।<br />&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; এখন দেখা যাক স্বর্গীয় দূতের সাথে সাথে এ তিনটি ঐশ্বরিক সত্ত জানার মধ্য দিয়ে আমাদেরও করনীয় কিছু আছে কিনা।প্রথম সত্ত জেনেছি মানুষের অন্যের জন্য প্রেম আছে।দ্বিতীয় সত্ত মানুষের পর মুহুর্তে যে কি ঘটবে সে জ্ঞান তার নেই।তৃতীয় সত্ত মানুষ পরের জন্য বাঁচে।হ্যাঁ মানুষের অন্যের জন্য প্রেম আছে বলেই আমরা দেখতে পাই পৃথিবীতে এমন অনেক মানুষ আছে যারা পরের জন্য নিজকে বিলিয়ে দেয়।পরের সাহায্য সহযোগীতায় হাত বাড়িয়ে দেয়।গল্পের মধ্যমে এসত্য জানার পর আমাদের পরস্পরের মধ্যে এ দায়িত্ব বোধ আরো বেড়ে যায় এবং এ সত্তের প্রতি খেয়াল রেখে সমাজে বিচরন করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব হয়ে দাড়াঁয়।দ্বিতীয় সত্ত জানার পর মানুষের চিন্তাশীল হওয়া উচিত।যার পর মুহুর্ত্যের জীবনের জ্ঞান নেই তাকে সৃষ্টি জগতের সকল অনিষ্ট থেকে ফিরে থাকাই উচিত এবং মানব কল্যানের মধ্য দিয়ে জীবনকে সার্থক করাই উচিত।তৃতীয় সত্ত মধ্য দিয়ে মানবতার এক মহান বাণী আমাদের মাঝে পরিস্ফুটিত হয়ে উঠে।সত্তিই মানুষ নিজের জন্য বাঁচা উচিত নয়।মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব দাবী করে মানুষকে শুধু নিজের জন্য বেচেঁ থাকা শোভনীয়ই নয়।যে এমন করে তার শ্রেষ্ঠত্বের দাবী চলেনা।মানুষের মধ্যে যদি মানবতাই না থাকলো,সৃষ্টিজগতের জন্য ভালোবাসাই না থকলো তা হলে সে পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে দাবী করতে পারেনা।মানুষ কে মানুষ ও মানবতার জন্যই বেচেঁ থাকতে হবে।আর যদি মানুষ এ একটি গুনই নিজের মধ্যে প্রতিফলিত করতে পারে তাহলে তার পক্ষে খারাপ ও নিষ্ঠুর কাজ কখনো সম্ভব নয়।এমন মানুষের জন্যই পৃথিবী হয়ে উঠে সুন্দর ও মধুময়।বর্তমান সংঘাত পূর্ণ বিশ্বে প্রত্যেক মানুষকেই মানবতা,দয়া ও মায়ায় পরিপূর্ণ হওয়া প্রয়োজন।তাকে বুঝতে হবে শুধু নিজের জন্য নয়,পরের জন্যও বাচঁতে হবে।তাহলেই পৃথিবী হয়ে উঠবে সুন্দর,মধুময় ও সবার জন্য বাসযোগ্য।আর যিনি উপরের বিধাতা তিনিও চান;Men help each other and love each other.এ গল্পে মানব প্রেমের কথাই উজ্জ্বল হয়ে ফুটে উঠেছে।আমাদের শিক্ষনীয় বিষয় নির্দেশ করেছে প্রেম ও মানবতার অমর শিক্ষা,কারন;Love is god.প্রেমই ঈশ্বর।<br />ব্যত্তিগতঃপবিত্র ঈদুল আযহা একবারেই আমাদের দোরগোড়ায়।ধনী দরিদ্র সবাই আমরা এ দিনে এক সাথে ঈদ ও ঈদের খুশী করবো।এখন এখানে একটি বড় বিষয় হচ্ছে আমরা যারা অর্থবান তারাই শুধু কোরবান দিব কিন্তু আমাদেরই প্রতিবেশী অসহায় গরীব লোকটি হয়ত কোরবানী দিতে পারছেনা এক্ষেত্রে আমাদের অবশ্য অবশ্যই মানবতা বোধের দায়িত্ব থেকে হলেও তাদের দিকে খেয়াল রাখতে হবে।বেশী না হয় অন্তত এক টুকরা গোস্ত হলেও আমরা তাদের দিব।মনে রাখতে হবে গলা থেকে একটু নিচে নেমে গেলেই সকল খাদ্যের স্বাদ কিন্তু এক হয়ে যায়।তাহলে আমরা কৃপনতা করবো কেনো।সবাই মিলে সমভাবে ঈদ করলেই না তবে ঈদের খুশী।তাইনা?বন্ধুরা,আমরা যেন দরিদ্রদের ভুলে না যাই,এ আহবান রইলো।&nbsp; <br />&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; মামুনুর রশীদ (কবি,গল্পকার ও ছড়াকার)<br />&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; হাজীবাড়ী,নাওতলা চৌরাস্তা,সোনাইমুড়ী,নোয়াখালী।<br />&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; Email:poet_mamun@yahoo.com<br />&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp;26/10/2012</p>]]></description>
			<author><![CDATA[null@example.com (Mamun Saheb)]]></author>
			<pubDate>Fri, 26 Oct 2012 14:17:21 +0000</pubDate>
			<guid>http://rmcforum.com/topic1861new-posts.html</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[রসিক মামার প্রেমের বয়ান (প্রেমের একাল-সেকাল)]]></title>
			<link>http://rmcforum.com/topic1856new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<p>রসিক মামার প্রেমের বয়ান (প্রেমের একাল-সেকাল)<br />&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp;-মামুনুর রশীদ(কবি,ছড়াকার)</p><p>আমাদের রসিক মামা বয়স পঞ্চান্ন ছুঁই ছুঁই করছে,কিন্তু দেখলে বুঝার উপায় নেই তাহার এত বয়স।রসিক মামা যে শুধু নামেই রসিক তাহা নয় কাজেও তার চেয়ে বেশী রসিক।চাল চলনে রাজকীয় ভাব।সে ছোট বেলা হতে সবার মুখে শুনে আসছি রসিক মামা,রসিক মামা।আজ বড় হয়ে আমরাও তাকে মামা বলেই ডাকছি।ছেলেরও মামা,বাবারও মামা,নাতিরও মামা -মানে এজমালি মামা।রসিক মামা কেন যে সবার এজমালি মামা হয়ে দাঁড়িয়েছেন তা অনেক গবেষনা করেও রহেস্যের শেষ কিনারায় আসতে পারিনি,তবে এইটুকু জেনেছি যে রসিক মামা ছোট বেলা হতেই বড় ছোট ভেদা-ভেদ না করে সবাইকে ভাগিনা বলে ডাকত।তাকেও সবাই তামাশার ছলে মামা বলে ডাকত।এমনি করেই সে মামা খেতাব লাভ করে। আজ ও ছোট বড় সবার কাছে মামা হয়েই রয়েছেন।তবে এলাকায় মামার সব চেয়ে বড় পরিচয়, মামা একজন ব্যর্থ প্রেমিক।কিন্তু মামার নিজের ভাষায় সম্পুর্ন ব্যর্থ নয়,সার্থকের কাছাকাছি পর্যন্ত পৌঁছালে যা বলে তাই।নিন্দুকেরাই হিংসে করে খামখা তাকে সম্পুর্ন ব্যর্থ বলে।<br />&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; প্রেম নামক বিষয়টি মামার কাছে পৃথিবীর সব চেয়ে প্রিয় বিষয়। এই বিষয়টি কোন প্রকারে মামার কাছে উপস্থাপন করতে পারলে মামার চোখ দু’টি কালো বিড়ালের মত জ্বল জ্বল করে ওঠে।ছলে বলে,কৌশলে মামা বুঝাতে চান যে, উনি লাইলী-মজনু,শিরী-ফরহাদ,রোমিও-জুলিয়েট এসব বিশ্ববরেণ্য প্রেমিক-প্রেমিকাদের চেয়ে কোন অংশে কম নয়,বরং ওদের সবার থেকে সাড়ে তিন ইঞ্চি বেশীই হবেন।<br />&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; কেউ যদি বল্ল; মামা,তুমি প্রেমের জন্য কি করতে পারবে।মামা হেসে বলবে মলত্যাগ তো অবশ্যই।সে সাথে পৃথিবী,এর সাথে যদি মঙ্গল গ্রহও চাওয়া হয় তা হলেও দিতে আমার আপত্তি নেই।বলার ধরণ দেখে মনে হবে পুরো মঙ্গল গ্রহটাই যেন মামার বাপ দাদার সম্পত্তি।অবশ্য রসিক মামাও কম নয়,অবস্থাশালী পিতার একমাত্র সন্তান ছিলেন।মা বাবা আদর করে রসিক নাম রাখলো।আর মামাও বড় হয়ে রসিকি করে প্রেমে পড়ল।তার পর ছ্যাকা-বেকা খেয়ে একাই থাকবো পণ করে ঘর না বেঁধে একাই থাকলো এবং মজনু সাহেবের দ্বিতীয় সংস্করন হয়ে প্রেমের গুনকীর্তন করতে করতে সে থেকে এই অবধি এসে পৌঁছলো।<br />&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; মামার মত প্রেম বিশেষজ্ঞ পৃথিবীতে বর্তমানে দ্বিতীয় জন আছে কিনা তা একশ আনার মধ্যে দুইশ আনা সন্দেহ।তাকে আমরা নব্য প্রেমিকেরা অনেক আগেই এ বিষয়ে পি,এইচ,ডি ডিগ্রী ফরমাইয়াছি।প্রেম কত প্রকার ও কি? কি?এর গতি বেগ,অক্ষরেখা সহ কি কি ভাবে টক্কর লাগে, সবই মামার নখ দর্পনে।যদি বলি মামা ঐ যে কবি বলেছেন, আমারে দেখতে যাইও কিন্তু ঊজান তলির গাঁও।এ লাইনটি বুঝলাম না।সামথিং রং বলে মনে হয়।মামা বিজ্ঞের মত বলবে,বুঝলিনা ভাগিনা কবি গুলো আস্ত একটা.........।প্রেম পিরিতিতে মহা উস্তাদ।কবিতার চরণ দিয়ে এরা মেয়ে পটাতে মহা উস্তাদ।বুঝলিনা, কবি সাহেবের কোথায় ছিল আর কি।হয়ত দুঃখিনী কথা রাখতে পারে নাই।বাধ্য হয়ে অন্যত্র বিবাহ বসতে হয়েছে,কিন্তু কবি সাহেবকে উজান তলির পথ চিনিয়ে দিতে মোটেও ভূল করেন নি।তোদের কি সব বলে দিতে হবে?কিছু কিছু জিনিস বুঝে নিতে হয়।এই কবি গুলো নিজ কথা সরাসরি বলেনা।কবিতার মাধ্যমে বলে।মনে করে কেউ বুঝবেনা,আরে আমাকে ফাঁকি দেয়া কি এত সোজা?<br />&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp;মামার কথা শুনে আমরা তাজ্জবের সাথে সাথে বেয়াক্কেল ও হয়ে যাই।সকল ছ্যাঁকা খাওয়া ব্যর্থ প্রেমিকেরাই মামার আসল সাগরেদ। ব্যর্থ প্রেমিকরা অনেক সময় মামার কাছে এসে তাদের ছ্যাঁকার কথা বলতে গিয়ে নিজেদের অজান্তেই চোখের জল ফেলে।মামা তখন হায়! হায়! করস কি? করস কি? বলতে বলতে ওদের চোখের জল নিজ হাতে মুছে দিতে দিতে বলবে, দুঃখ করিস না ভাগিনা।তোদের যুগে প্রেমের অপর নাম বদনা,তাই এটাই ভাগ্যের লিখন বলে মেনে নে।কেউ যদি বলে মামা বদনা নয়,বেদনা।মামা তখন রেগে বলবে বেদনা হলে তো ভালই ছিল কিন্তু তোদের অনেকের তো এখন বদনাই জানের প্রাণ হয়ে গেল।প্রসংগত মামা সেকালের (মামার কালের)প্রেমকে পবিত্র জ্ঞানে ধ্যান করে কিন্তু একালের প্রেমকে মনে করে পবিত্র প্রেমকে কলঙ্কিত করার ছেলে মেয়েদের এক লরে লক্কা চ্ছক্কা খেলা মাত্র।যদি বলি মামা তোমাদের সেকালের প্রেম তাহলে তোমাকে ছ্যাঁকা দিয়ে ব্যাঁকা করলো কেন?মামা তখন অতি করুন ভাবে বলবে, বেচারির দোষ নেইরে!আমার পোড়া কপাল,অবস্থা বেগতিক দেখে বেচারী যেদিন থেকে তাকে ভাগিয়ে নিয়ে যাবার কথা বল্ল সেদিন থেকে অজানা এক ভয়ে দুই সপ্তাহ পর্যন্ত আমার পাতলা পায়খানা বিষম বেগে নিম্ন মুখে ধাবিত হতে লাগল,আমারত তখন যায় যায় অবস্থা।এই ফাঁকে তার মা বাবা তাকে জোর করে নিকাহ দিয়ে দিল।এ কাহিনী শুনে আর কারো কিছু বলার থাকেনা।<br />&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; আমার সাথে মামার খুব ভাব।আমাকে দেখেই বলে ওঠবে;কি ভাগিনা, কত নাম্বারে পাঁ দিয়েছিস?আমি বলি দূর... মামা!আমার কি তোমার মত সৌভাগ্য আছে?মামা তখন রেগে বলবে তুই তো আর এক......।বক্কর-চক্কর কি যেন লিখিস তাতেই সারাদিন মোবাইলে পুটুর পুটুর চলে।নানান জায়গা থেকে অনেক চিঠি পত্র ও আসে শুনি।আমি বলি; মামা,যদি কিছু হয় তা তো তোমার সোহবতেই...।রসিক মামা তখন বিজয়ী ভঙ্গিমায় বলে বসে দেখতে হবেনা আমি কে?আমি রসিক মামার মুখের উপর তখন বলে বসি ব্যর্থ প্রেমিক?রসিক মামা তখন রেগে যায়।<br />&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; তো সেদিন রসিক মামাকে দেখলাম বেশ মুডে আছে।আমি আস্তে আস্তে গিয়ে মামার পাশে বসলাম।বল্লো চা খাবি?তেল মেরে বললাম মামা খাওয়ালে খাবোনা এ তুমি কি করে ভাবলে?মামা কিছু না বলে চা নিয়ে এলো।হরেক রকম কথা বার্তার পর বললাম ;মামা, তোমাদের কালের প্রেম আর&nbsp; একালের প্রেমের মধ্যে তোমার কাছে তফাৎ বলে কি কিছু চোখে পড়ে?অর্থাৎ এ দুকালের প্রেমের মধ্যে কি কোন পরিবর্তন হয়েছে বলে তোমার মনে হয়?রসিক মামা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললো ; ভাগিনা, এ যুগে তোরা যে প্রেম করিস তা কি প্রেম হলো? থু......।আমি বল্লাম,মামা তুমি কিন্তু প্রেমকে অপমান করছো?মামা বললেন গোষ্টি মারি তোদের এমন প্রেমকে?এখন যদি দেখি আম্বিয়ার সাথে তখন দেখি সখিনার সাথে পুটুস পুটুস করিস।দেখলাম মামা খুব রেগে গেছেন।আমি বল্লাম রাগ করছো কেন মামা?খুলে বল কি হয়েছে?মামা প্রসন্ন হলেন,বল্লেন আমাদের যুগে প্রেম ছিলরে...যাকে বলে প্রেম।আহ কই গেল সেদিন,সে প্রেম!মামা এমন ভাবে নিঃশ্বাস ছাড়লেন মনে হল মামা একালের প্রেমে মোটেও সন্তুষ্ট নন।এরপর মামা বলতে লাগলেন,আমরা সেকালে প্রেম করেছি সম্পুর্ণ বিনা শ্বার্থে।তা যদি লাইলি মজনুও দেখতো তাহলে আক্কেল-গুড়ুম যেতো।এ প্রেমের জন্য আমাদের কত উপাস,কাপাস আর নাভিশ্বাস উঠত তা আর কি বলবো।আমাদের প্রেমিকারাও মাশাল্লাহ আমাদের পানে চেয়ে থেকে হা করে বোয়াল মাছের মত গিলে খেতে চাইতো।অন্য দিকে ফিরেও চাইতনা।আর তোদের একালে? কি সব ছাইপাস দেখছি।একালে প্রেমিক প্রেমিকা দুজন হয়তো দাঁড়িয়ে কথা বলছে এর মাঝেই একজন অপর জনের চোখ ফাঁকি দিয়ে ট্যারা চোখে অন্য প্রেমিক-প্রেমিকার দিকে ইশারা দেয়।আমি বললাম তাহলে তুমি এত সুক্ষ ব্যাপারও লক্ষ্য কর?রসিক মামা হেসে বললো পুরোনো প্রেমিক তো,তাই সব কিছু চোখে পড়ে যায়।তোরা তো প্রেম করিসনা করিস বাটপারি।শুধু শ্বার্থ আর শ্বার্থ।ছেলেরা চাস কোন মেয়ের বাপের টাকার পরিমান কত।মেয়েরাও চায় ছেলের পকেটে মালের পরিমানের সুচক কত।রহিমুদ্দিকে সকালে তাহেরার সাথে দেখা গেলে বিকেলে দেখা যায় তহুরার সাথে।নন্দিনীকে দেখা যায় নতুন ফন্দিতে।এগুলা কোন প্রেম হলো?আমি বল্লাম মামা; আধুনিক প্রেমে এমন তর সায় সামান্য আগ-পাছ হয়েই থাকে।মামা চিৎকারের মত করে বল্ল; রাখ তোর আধুনিক-পাধুনিক।প্রেম প্রেমই।জানিস এই প্রেমের জন্য মোরতা মুড়ায় কত মশার কামড় খেয়েছি।তোরা হলে ডেঙ্গু মশার এক কামড় খেয়েই প্রেমের গোষ্টি মেরে চলে আসতি।তোদের তো আবার শরম-ভরম ও নেই,পথে-ঘাটে পিটিস পিটিস কথা বার্তা শুরু করে দিস।আমাদের সময় শরম আমাদের মরমে আঘাত করতো।তাই লুকিয়ে ছুকিয়ে দু,চার কথা বলতাম।<br />&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp;মামা হঠাৎ আমাকে জিজ্ঞেস করলো,মশার রক্ত চিনিস?আমি বললাম চিনবো না কেন?অবশ্য চিনি।মামা তাচ্ছিল্যের ভাব প্রকাশ করে বল্লো তাহলে অভ্যাস আছে, না? আমি মামার কথা বুঝতে না পেরে মামার দিকে হা করে তাকিয়ে থাকলাম! মামা বল্ল আমার দিকে চেয়ে দেখছিস কি? তোরা নাকি মশা মেরে সে মশার রক্ত দিয়ে কোন রকমে, “আই লাভ ইউ” লিখে বলিস আমার বুকের রক্ত দিয়ে তোমাকে এই চিঠি লিখেছি।ছিঃ ছিঃ তোরা এত বড় বাটপার।তোদের জন্য কচু গাছ ও নেই নাকি?কচু গাছে ফাঁসি-টাসিও দিতে পারিস না।আমাদের কালে এসব বাটপারি-পাটপারি ছিলনা।আমরা সত্যি সত্যিই নিজ রক্ত দিয়ে লিখতাম।কেউ কেউ অবশ্য তখন ও বাটপার ছিল। তবে নিরীহ মশা নয়,মোরগ-টোরগ জবাই করে সে রক্ত দিয়ে চিঠি লিখতো।তবে এ সংখ্যা ছিল নেহায়েত দু-একজন।<br />&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; সেদিন রসিক মামার কাছে প্রেমের সেকাল-একালের বিশ্লেষক বয়ান শুনে আমি ক্ষনিক সময় বেয়াক্কেল হয়ে রইলাম এবং মামার ভাব ভাল নয় দেখে বললাম মামা আজ তাহলে যাই, পরে সময় করে আবার অন্যদিন এসে তোমার প্রেমের সেকাল-একাল বিষয়ে আরো ব্যাখ্যা বিশ্লেষন শুনবো।রসিক মামা বল্লেন, আচ্ছা আসিস। সবেত মাত্র শুরু করলাম।মামার কাছ থেকে ছাড়া পেয়ে আর পেছন দিকে না চেয়ে দ্রুত সামনে পা বাড়ালাম ।----মামুনুর রশীদ(কবি,ছড়াকার) <br />&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; (সমাপ্ত)<br />Email:poet_mamun@yahoo.com</p>]]></description>
			<author><![CDATA[null@example.com (Mamun Saheb)]]></author>
			<pubDate>Wed, 19 Sep 2012 13:56:59 +0000</pubDate>
			<guid>http://rmcforum.com/topic1856new-posts.html</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[একটি না বলা কথা _মামুনুর রশীদ(কবি ও ছড়াকার)]]></title>
			<link>http://rmcforum.com/topic1842new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<p>বৌদি ,জানিনা তুমি আজ কোথায় আছ?বেঁচে আছ না মরে গেছ তা সঠিক করে কেও বলতে পারেনা।শুধু লোক মুখে শুনেছি তুমি হারিয়ে গেছ। কোথায়,কিভাবে,কেমন করে কেউই তা বলতে পারেনা।কেমন করেই বা বলবে ।নিউইয়র্ক এর মত এত বড় শহরে কে কার খবর রাখে। সবাই নিজকে নিয়েই যে ব্যস্ত।তোমাদের পরিচিত যারা ছিল তারাও তোমার সম্পর্কে কিছু বলতে পারেনা।তোমার নিরুদ্দেশ হওয়া বা তোমাকে নিয়ে কিছু ভাবাকে কেউই গুরুত্ব পুর্ণ বলে মনে করেনা।আসলে “পাষাণ এই শর্থপর পৃথিবীতে সবাই নিজকে নিয়ে ব্যস্ত থাকে এবং&nbsp; শ্বার্থ ফুরালে কেটে পড়ে। কেউ কাউকে ভালবাসেনা,মমতা দেয়না আদর করে বুকে টেনে নেয়না”।বৌদি বহু দিন আগে বলা কথা গুলো আজ সত্যি বলে মনে হয়।সেদিন বিশ্বাস করতাম না , আজ করি। বৌদি সত্যি বলছি আজ করি।তোমার পরিচিত জনরা আজ তোমার কথা মুখে আনতেও নারাজ,যেন তুমি মহা কোন পাতকি।কিন্তু ভগবান জানেন আর আমি জানি তুমি কত ভাল।যেদিন শুনলাম তুমি হারিয়ে গেছ সেদিন দৌড়ে তোমার স্বামীর বাড়ী গেলাম সব কিছু জানার জন্য,কিন্তু গিয়ে দেখলাম তোমার ব্যাপারে কিছু আলাপ না করলেই যেন তারা খুশী হয়, তাই কিছু জিজ্ঞেস না করেই ফিরে এলাম। ভাবলাম মানুষ কেমন করে এত অকৃজ্ঞ হয়।যাদের তুমি এত ভালবাসতে আজ তারা তোমার কথা মুখে আনতেও নারাজ।তোমার আগের বলা কথা গুলো বার বার আমার কানে এসে বাজতে লাগল, “কেউ ভালবাসেনা”।আমার বুকের মধ্যে মনে হল বেদনার এক পাহাড় এসে চেপে ধরল।আমি যেন বড় কিছু হারিয়ে ফেলেছি।নিজের অবস্থা দেখে নিজেই চমকে উঠলাম।এক অপরাধ বোধ এসে চেপে ধরল।মনে মনে সিদ্ধান্ত নিলাম আজ আমাকে এক চরম সত্য প্রকাশ করতেই হবে । তোমার সত্যবাদি এই আমাকে কত বড় মিথ্যার বোঝা চিরদিন বয়ে বেড়াতে হবে তা আমি নিজেই জানি।আমি তো এত বড় মহা পুরুষ নই যে জীবনে কোন পাপ করিনি।এ সত্য প্রকাশ করলে সমাজ যদি আমাকে বাঁকা দৃষ্টিতে দেখে তাহলে তা আজ আমি পরোয়া করিনা।কিছু কলঙ্ক না হয় আমার ভালে অঙ্কিত হবে বিনিময়ে এত বড় এক সত্য প্রকাশের কারনে আমার অপরাধ বোধ কিছুটা হলেও লাঘব হবে।তাই হাতে কলম নিতে বাধ্য হলাম।</p><p>তোমার সাথে জীবনে হয়ত আর দেখা হবেনা।যদি বেঁচে থাক,আবার কোন দূর্বিপাকে আমার এ লেখা তোমার চোখে পড়ে,একটি সত্য জেনে তুমি মনকে শান্তনা দিতে পার,তাইত এ লেখা।</p><p>বৌদি,কোন এক দৈব-দূর্বিপাকে পড়ে তোমার সাথে আমার পরিচয় । দূর্বিপাকেই বলতে হবে।সুউচ্চ পর্বত থেকে ঝর্ণাধারা যখন নিচে পতিত হয় তখন তাকে চলতে চলতে কোন এক স্থানে স্থির হওয়া না পযর্ন্ত অনেক নুড়ি,পাথর, পলি,এমন কি মূল্যবান ধাতুর সাথে পরিচিত হতে হয়।তোমার সাথে ও ঠিক তেমনি করেই আমার পরিচয়।তারপর জানা শোনা,তোমার জীবনের একান্ত কথা গুলো আমাকে বলা।<br />&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp;যেদিন প্রথম তোমার স্বামীর বাড়িতে তোমার সাথে আমার দেখা হয় সেদিন তোমার সৌন্দর্য দেখে বিধাতাকে আমি এ বলে প্রনাম জানাই-বিধাতা এত সৌন্দর্যও তাহলে পৃথিবীতে আছে। তুমি সম্পূর্ণ অপরিচিত এ আমার সাথে যখন নিঃসঙ্কোচে কথা বলতে শুরু করলে তখন মনে হল তুমি আমার জনম জনমের চেনা।তুমি যে কত ভাল আমি সেদিন’ই টের পেয়ে ছিলাম।আমার লজ্জা ও জড়তা দেখে তুমি&nbsp; তো হেসেই খুন।বললে পুরুষের এত লাজ-লজ্জা থাকতে পারে তা তোমার জানা ছিলনা।হয়ত আমার এ লজ্জা ও জড়তাই তোমার জন্য কাল হল।তুমি আগ-পর কোন কিছু না ভেবেই আমাকে ভালবেসে ফেললে।কিন্তু আমি কি জানতাম তোমার মত এক বিচক্ষন মেয়ে চাল চুলোহীন এক যাযাবরকে এমনি ভাবে ভালবেসে ফেলবে? তোমার জীবনে আমি এক ক্ষত হয়ে রব।</p><p>প্রথম পরিচয়ে তুমি আমাকে আপন করে নিলে।তোমার স্বামী নিউইয়র্ক প্রবাসি।বাড়ীতে তোমার শাশুড়ী, ছোট জা, দেবর,ননদরা।তুমি, তোমার জা , দেবর,ননদরা&nbsp; যে ভাবে আমাকে আপন করে নিলে তা দেখে ভগবানকে আমি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বললাম; ভগবান,তোমার পৃথিবীতে এখনো দয়া-মায়া,ভালবাসা আছে।তোমাকে সবর্দা আমি হাসি খুশীর মধ্যে মেতে থাকতে দেখতাম।আমার অনেক সময় মনে হত তুমি বুঝি পৃথিবীর সব চেয়ে সুখী মানূষ।কিন্তূ আমি তখনও জানতাম না হিরের মাঝেও বিষ লুকিয়ে থাকে।তোমার ভিতরেও এত দুঃখ লুকায়িত!<br />&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp;জানিনা ,আমার কোন গুন তোমাকে আমার প্রতি নির্ভরতা ও বিশ্বাস এনে দিয়েছিল।আস্তে আস্তে তোমার জীবনের সব কথাই আমাকে বলতে শুরু করলে।তুমি সুখী নও, প্রথম যেদিন জানলাম সেদিন আবার পৃথিবীটাকে আমার কেমন যেন মনে হল।মনে হল সবই ভুল ,এ জগত সংসার সবই ভুল।</p><p>তোমার জীবন কাহিনী শুনলাম; তুমি বড় ঘরের মেয়ে ছিলে।তোমরা চার বোন কিন্তু তোমাদের কোন ভাই ছিলনা।তোমার পিতা ছিল সহজ-সরল মানুষ, ফলে যা হবার তাই হল।অংশীদাররা সবাই ঠকাল, আস্তে আস্তে তোমাদের&nbsp; অবস্থার পরিবর্তন হল। <br /> বড় তিন বোনকে বড় ঘরে বিয়ে দিতে গিয়ে তোমার পিতা সর্বশান্ত হয়ে গেল।তুমি ছিলে খুব সুন্দরী।তোমাকে বিয়ে করার জন্য লন্ডন,আমেরিকা প্রবাসী ছেলেদের মধ্যে প্রতিযোগিতা শুরু হল,কিন্তু তোমার দূর সম্পর্কের এক জ্ঞাতি কুটুম্বের মাধ্যমেই এখানে বিয়ে হয়।তোমার স্বামী দোজবর,প্রথম বিয়ের&nbsp; কয়েক বছরের মধ্যে স্ত্রী মারা যায়।তোমাকে বিয়ের আগে শর্ত করেছিল তোমার বৃদ্ধ মা বাবার ভার তোমার স্বামী বহন করবে।তোমাকে তোমার পরিবার সহ সকলে ধরে বসল এই পাত্রে বিয়ে বসলে সবচেয়ে ভাল হবে।ছেলের মাত্রতো একটি দোষ,ছেলে দোজবর। এই সামান্য কারনে এত বড় ঘর ফিরিয়ে দেয়া ঠিক হবে না।তুমি মা বাবার কথা চিন্তা করে মত দিলে।বিবাহের পর কিছু দিন ভালভাবেই কেটে গেল।এর পর পরেই দেখলে স্বামীর পরিবারের আসল রুপ। স্বামী পরিবারের সবাই তোমার স্বামীর উপার্জনের উপর নির্ভরশীল।কেউ এতটুকু কর্ম করেনা।সবাই তোমাকে বাঁকা চোখে দেখতে লাগল। স্বামীর সাথে পর্যন্ত যেতে দিলনা,যদি তাদের বিলাসী জীবনের প্রেরিত টাকা বন্ধ হয়ে যায়।তোমার মা বাবার প্রতি তারা ফিরেও তাকাল না।ভগবান হয়ত ভালই করেন,এক সময় তোমার মা বাবা দু-জনেই মারা গেলেন।তুমি প্রতিবাদী হলে। স্বামীকে কাছে পেয়ে দুঃখ ভুলতে চাইলে,কিন্তু তোমার স্বামী পরিবার কেউ তোমাকে নিঊইয়র্ক যেতে দিলনা।তোমার স্বামীও তার মা,ভাই বোনদের কথার বাইরে এক পা’ও ফেলতে রাজি হলনা।শেষ পযর্ন্ত ভাগ্যকেই মেনে নিলে।এছাড়া যে উপায় নেই।বাঙালী সমাজে মেয়েরা যে অসহায়।</p><p>এর পরের সব কিছু যে আমার নিজেরই দেখা।স্বামীর সংসারে তুমি যে কত দুঃখী যেদিন প্রত্যক্ষ দেখলাম সেদিন আমার চোখে জল চলে এল।তোমাকে দেখে কে বুঝবে তুমি অসুখী? নিজের দুঃখকে বুকের ভেতর লুকিয়ে রাখতে।তোমার রূপ যৌবন তোমার জন্য কাল হল।অনেক হিংস্র লোলুপ দৃষ্টি তোমার উপর পতিত হত।সাধু সেজে অনেকে ভাব জমাবার চেষ্টা করত।এসব&nbsp; হিংস্র লোলুপ দৃষ্টি থেকে কত কৌশল করে যে তুমি নিজকে রক্ষা করতে তা দেখে শ্রদ্ধায় তোমার প্রতি আমার মাথা নত হয়ে আসত।তোমার স্বামীর প্রতি আমার ঘৃনা হত।কোন স্বামী এমন ভাল স্ত্রীকে কিভাবে দূরে সরিয়ে রাখতে পারে তা আমার কল্পনায় আসতনা।<br />&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp;কথার ছলে একদিন তোমাকে বলেছিলাম বোদি, তোমার মত মেয়েকে কেউ দূরে সরিয়ে রাখতে পারে তা কেমন করে হয়?তুমি হেসে বললে ভাই; তোমার ভাই তো দূরেই রাখে; কাছে যেতে দেয়না। আর একদিন বলেছিলাম যে পুরুষ তোমাকে ভালবাসতে পারেনা সে ত মানুষই নয়। <br />&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; আমার কথা শুনে সেদিন তুমি এক দৃষ্টিতে অনেক্ষন ধরে আমার দিকে চেয়ে রইলে।আমি দেখলাম তোমার চোখ থেকে বিন্দু বিন্দু জল গড়িয়ে মাটিতে পড়ছে।আমি তোমাকে আঘাত দিয়েছি মনে করে নিজের নিবুদ্ধিতার জন্য তোমার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করলাম। তুমি কিছু না বলে&nbsp; উঠে গেলে।ভাবলাম এ বুঝি শেষ যাওয়া আর কখনোই আমার সাথে কথা বলবেনা।কারন তুমি যে তখন পুরুষদের হিংস্র হায়েনা ছাড়া কিছুই ভাবতেনা।আমার ধারনা ভুল প্রমানিত হল,তুমি আগের চেয়ে আমাকে আরো বেশি মমতা করতে লাগলে।তুমি আমাকে প্রায় বলতে; তোর এত লজ্জা কেনরে?এত লজ্জা নিয়ে ছেলেদের কি পৃথিবীতে চলা যায়?আমি বললাম কোথায় লজ্জা?তুমি বললে তাহলে আমাকে দেখলে তুই লজ্জায় এত জড়সড় হয়ে যাস কেন?&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp;<br />হঠাত একদিন বললে; তুই কি কাউকে ভালবাসিস?আমি বললাম না,তবে তোমার মত কাউকে পেলে না ভালবেসে পারতাম না।তুমি হেসে বললে -এত দূর এগিয়েছিস?তো আমাকে ভালবাসনা।আমি হেসে বললাম তোমাকে যদি ভালবাসতে পারতাম তা হলে জীবনে এই কাজটিই হবে সবচেয়ে বড় কাজ।তুমি প্রতি উত্তরে বলেছিলে আমি অতি সাধারণ,বরং তোকে যে নারী ভালবাসতে পারবে তার জীবন শুধু সার্থক নয়,শ্রেষ্ঠও।তোমার কথা শুনে সেদিন আমার নিজকে নিয়ে ভাবতে ইচ্ছে হল।আমাকেও&nbsp; কোন নারী ভালবাসতে পারে,তা ভেবে নিজে নিজে রোমাঞ্চিত হলাম।</p><p>সেদিন ছিল বৃষ্টি,তুমি অনেক করে সাজলে।এমনি সাজ-সজ্জা অবস্থায় তোমাকে আমি প্রথম দেখলাম।মানুষ যে এত সুন্দর হয় তা আমার জানা ছিলনা।তুমি আমার ঘরে আসলে।আমি তোমার প্রতি এক দৃষ্টিতে চেয়ে রইলাম, তুমি বললে সত্যি বলত ভাই,আমাকে কোন পুরুষ ভালবাসতে পারে?আমি বললাম নিশ্চয়।<br />&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp;তুমি চঞ্চল হয়ে উঠে বললে, তাহলে বল তুই আমাকে ভালবাসিস।আমি তোমার কথা শুনে প্রথমে ভাবলাম তুমি হয়ত তামশা করছো কিন্তু তোমার চোখ তা বললনা।আমি দেরী না করে বললাম; একি বলছো বৌদি ? তুমি বললে ,হ্যাঁ শুধু একটি বার বল ভালবাসিস ?আমি ভয় পেয়ে গিয়ে বললাম তা হয়না।তুমি দৃঢ় ভাবে বললে আমি যে তোকে ভালবেসে ফেলেছি।তোমার কথা যে সত্যি তোমার চোখ দেখেই সেদিন আমি বুঝেছিলাম।ঘটনার আকর্ষিকতায় আমি হতভম্ব হয়ে গেলাম।শুধু বললাম বৌদি তা হয়না ,তুমি বিবাহিতা।<br />&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; তুমি আমাকে আর কথা বলতে না দিয়ে চিৎকার করে বলে উঠলে; বিবাহিত বলে কি আমি পচে গিয়েছি? আমার কি মন- প্রাণ বলতে কিছুই নেই,পৃথিবীতে অধিকার বলতে আমার কি কিছুই নেই?বৃষ্টি হচ্ছিল বলে তোমার কথা বাহির থেকে শোনা যাচ্ছিলনা।আমি তোমাকে বললাম বৌদি আস্তে কথা বল,কেউ শুনবে?তুমি বললে আস্তে কথা বলবো কেন,কেউ শুনলে জাত যাবে?তোর মত পুরুষ মানুষ গুলোই তো আমাকে লুটে পুটে খেতে চায়।অসহায় বলে যা ইচ্ছে তাই করতে চায়।আমাকে কত প্রলোভন দেখায় ?তুই তো ভবঘুরে মাত্র ।আমি যখন ধৈর্য্যের পাহাড় ভেঙ্গে তোর সাথে ধরা দিলাম তখন তুই সাধু সেজে ভাল হয়ে গেলি? তাহলে আমাকে&nbsp; স্বপ্ন দেখালি কেন?আমি বললাম, বৌদি আমি তোমাকে স্বপ্ন দেখাইনি?আমার ঘর যে গাছ তলায়।তুমি আমার তামশা গুলোকে হয়ত সত্যি ধরে নিয়েছ।আমায় তুমি ক্ষমা কর।তখন আমাদের দু’জনার চোখের জলে একাকার।</p><p>তুমি ঘর থেকে বেরিয়ে গেলে।তিন দিন পযর্ন্ত অসুখের বাহনা ধরে পানি পযর্ন্ত খেলেনা।আমি বুঝলাম তোমার&nbsp; চোখের সামনে আমার না থাকাটাই তোমার জন্য ভাল হবে,তাই সিদ্ধান্ত নিলাম তোমাদের কাছ থেকে চলে যাব।সিদ্ধান্ত মোতাবেক আসার সময় তুমি বললে;আমাকে তুই ক্ষমা করিস।পাগলামী করে তোকে কি বলেছি তা মনে রাখিসনা।সত্যিই তুই অনেক ভাল,বলেই ঘরের ভিতরে চলে গেলে।কিন্তু তোমার ভিতরের রক্তক্ষরণ আমি ঠিকই বুঝেছিলাম।আমি চলে এলাম। তোমার আমার এ কাহিনী তুমি আমি ও ভগবান ছাড়া আর কেউ জানলনা<br />&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp;বৌদি, তুমি ধরে নিয়েছিলে আমি ভালবাসাহীন নিষ্ঠুর এক পাষান মানুষ।কিন্তু বৌদি পরিস্থিতি,সমাজ ,সংসারের কথা ভেবে মানুষকে&nbsp; যে অনেক কিছু লুকিয়ে রাখতে বাধ্য করে।তুমি বিবাহিতা, পর স্ত্রী,বয়সে আমার চেয়ে বড়।এ সমাজ যে তোমার ভালবাসা মেনে নিতনা ?পবিত্র প্রেম কে পরকীয়া আখ্যায়িত করে তোমার মুখে কলঙ্কের চিহ্ন এঁকে দিত।</p><p>তবে বৌদি শুনে রাখ; চলে আসার পর তোমাকে নিয়ে অনেক ভেবেছি। বিশ্বাস কর আমি মোটেও পাষাণ ছিলাম না এবং আমিও তোমাকে অনেক ভালবাসতাম।হয়ত ঐ ভালবাসা ছিল সম্পুর্ন অন্য রকম ।যা এ ভালবাসার চেয়ে কোন অংশে কম নয়।তোমার প্রতি আমার এ ভালবাসা চিরকাল অটুট থাকবে।<br />&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; (সমাপ্ত)-------মামুনুর রশীদ(কবি,ছড়াকার)<br />&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp;poet_mamun@yahoo.com</p>]]></description>
			<author><![CDATA[null@example.com (Mamun Saheb)]]></author>
			<pubDate>Wed, 08 Aug 2012 06:41:39 +0000</pubDate>
			<guid>http://rmcforum.com/topic1842new-posts.html</guid>
		</item>
	</channel>
</rss>
