<?xml version="1.0" encoding="utf-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
	<title type="html"><![CDATA[রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ফোরাম — ধর্মীয় আলোচনা]]></title>
	<link rel="self" href="http://www.rmcforum.com/feed-atom-forum24.xml" />
	<updated>2012-10-04T08:06:54Z</updated>
	<generator version="1.4.2">PunBB</generator>
	<id>http://rmcforum.com/</id>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[বাকস্বাধীনতার অর্থ ঐতিহাসিক তথ্য বা সত্যকে বিকৃত করা বা মিথ্যা বলা নয়!]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://rmcforum.com/topic1858new-posts.html" />
			<summary type="html"><![CDATA[<p><p class="bbjustify">যুক্তরাষ্ট্রে নির্মিত ‘ইনোসেন্স অব মুসলিম’ নামক কুখ্যাত সিনেমার প্রতিবাদে এ পর্যন্ত গোটা মুসলিম বিশ্বে ৫০ জনের অধিক মুসলমান শহীদ হয়েছেন। তারপরও সন্ত্রাসী আমেরিকা তার কুপথ থেকে আদৌ সরে আসেনি; বরং সে গোটা মুসলিম বিশ্বের বিরোধিতা করে তার মুসলিমবিদ্বেষী রূপটি প্রকাশ করে যাচ্ছে।</p><p class="bbjustify">সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে অবমাননা করে ইসরাইলি ইহুদি ‘স্যাম ব্যাসেলি’ হানাদার যুক্তরাষ্ট্রে বসে তাদের মদদে ‘ইনোসেন্স অব মুসলিম’ বা মুসলমানদের অজ্ঞতা নামক ঘৃণ্য সিনেমা বানিয়ে এবং ফ্রান্সে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার বিদ্বেষী পত্রিকা ‘শার্লি এব্দো’ মারাত্মক অবমাননাকর ও ন্যাক্কারজনক কার্টুন পুনঃছাপিয়ে সারা বিশ্বের প্রায় ৩২৫ কোটি মুসলমানের অন্তরের মধ্যে আঘাত করেছে।</p><p class="bbjustify">ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে দেয়া সাক্ষাতকারে সিনেমা তৈরিকারী ইসরাইলি এ কুখ্যাত ইহুদি স্যাম ব্যাসেলি বলেছে, ‘চলচ্চিত্রটি নির্মাণের জন্য সে ১০০ জন ইহুদির কাছ থেকে ৫০ লাখ ডলার পেয়েছে।’ অর্থাৎ এ ঘৃণ্য কাজে অর্থায়ন করেছে একশ’র বেশি উগ্রবাদী ধনাঢ্য ইহুদী। জঘন্য সিনেমাটিতে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুসাজসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম মুবারক-এ এক ব্যক্তিকে দেখানো হয়েছে- যাকে প্রতারক, নারীলোভী, সমকামী এবং সম্ভ্রমহরণকারী হিসেবে চিত্রায়িত করেছে। নাঊযুবিল্লাহ!। আর পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাকে তুলনা করা হয়েছে ক্যান্সারের সাথে। নাঊযুবিল্লাহ! সাম্প্রদায়িকতাবাদী কুখ্যাত মাদকসন্ত্রাসী ইহুদী ব্যাসেলি সিনেমার ব্যাখ্যা দিয়ে মন্তব্য করেছে, “নাইন ইলেভেনের পর সবাইকে বিচারের আওতায় আনা উচিত। এমনকি মুসলমানদের নবী উনাকেও।” নাউযুবিল্লাহ!</p><p class="bbjustify">হানাদার, সন্ত্রাসী রাষ্ট্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের প্রত্যক্ষ মদদে এ কুখ্যাত সিনেমাটি নির্মিত হওয়ায়ই তারা এখন পর্যন্ত সিনেমাটি নিষিদ্ধের কোনো ব্যবস্থা নেয়নি এমনকি সিনেমার প্রযোজক স্যাম ব্যাসেলিসহ তার সহযোগীদের বিরুদ্ধেও কোনোরকম ব্যবস্থা নেয়নি। বরং তথাকথিত মতপ্রকাশের স্বাধীনতার কথা বলে হানাদার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারী বলেছে ‘ওই ভিডিওটি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের করার কিছু নেই, আমরা কাউকে তার মত প্রকাশে বাধা দিই না, তা যত অরুচিকরই হোক না কেন? নাউযুবিল্লাহ!</p><p class="bbjustify">অথচ বিশ্ববাসী জানে যুক্তরাষ্ট্রের গোপন নথি ফাঁস করার অভিযোগে সাড়া জাগানো ওয়েব সাইট উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান এ্যসেঞ্জকে আমেরিকা বিভিন্ন মামলা দিয়ে তার দেশ ছাড়া করে রেখেছে। জুলিয়ান এ্যসেঞ্জ বিভিন্ন দেশে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। এক্ষেত্রে তথাকথিত মানবতাবাদী, লুণ্ঠনকারী, সন্ত্রাসী রাষ্ট্র আমেরিকা ‘মতপ্রকাশের স্বাধীনতা’ দেয়নি জুলিয়ান এ্যসেঞ্জকে ।</p><p class="bbjustify">শুধু তাই নয়, গত সেপ্টেম্বর (২০১২ ঈসায়ী) মাসের শুরুর দিকে ওসামা বিন লাদেনের হত্যাকাণ্ড নিয়ে সাবেক মার্কিন নৌকমান্ডো ম্যাট বিসোনেট্টে ‘নো ইজি ডে’ নামে একটি বই প্রকাশ করলে পেন্টাগণ তথা আমেরিকান সরকার লেখকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার ঘোষণা দেয়। এক্ষেত্রেও উক্ত বইয়ের লেখককে ‘মতপ্রকাশের স্বাধীনতা’ দেয়নি লুণ্ঠনকারী, সন্ত্রাসী রাষ্ট্র আমেরিকা।</p><p class="bbjustify">কিন্তু যখনই দ্বীন ইসলাম উনার বিরুদ্ধে বা সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিরোধিতার বিষয়টি আসে তখনই উদ্দেশ্যপ্রণোতিভাবে তাবৎ ইহুদী, খ্রিস্টান, মুশরিক তথা পুরো ইউরোপ-আমেরিকা সকলেই কথিত ‘মতপ্রকাশের স্বাধীনতা’র কথা বলে দ্বীন ইসলাম উনার সম্মানিত বিষয়গুলোর বিরোধিতা করে মানহানি করার স্পর্ধা দেখায়। নাউযুবিল্লাহ!</p><p class="bbjustify">মুসলমানদের তীব্র প্রতিবাদ উপেক্ষা করে শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সাবওয়ে বা পাতাল রেলে দ্বীন ইসলাম উনার বিদ্বেষী একটি পোস্টার লাগানো হয়েছে। ওই পোস্টারটিতে মুসলমানদের বর্বর বলে মন্তব্য করা হয়েছে। বাকস্বাধীনতার নামে চরম মুসলিমবিদ্বেষী পোস্টার লাগানোর অনুমতি দেয়া হলেও পোস্টারটি নষ্ট করার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে এক বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মীকে। এটা আমেরিকার মুসলিমবিদ্বেষী চেহারার হাক্বীক্বত। কারণ দ্বীন ইসলাম উনার বিদ্বেষী পোষ্টার লাগানোর অধিকার যদি স্বীকৃত হয়, তবে পোষ্টার ছেঁড়ার অধিকারও সংরক্ষিত থাকা উচিত।</p><p class="bbjustify">সন্ত্রাসী রাষ্ট্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাকস্বাধীনতার নামে ঐতিহাসিক সত্যকে বা তথ্যকে অস্বীকার ও বিকৃত করে মিথ্যা প্রলাপ বকে যাচ্ছে। বাকস্বাধীনতার অর্থ হচ্ছে সত্য কথা প্রকাশের অধিকার। কিন্তু কোনো ঐতিহাসিক তথ্যকে অস্বীকার করা বা বিকৃত করার অথবা মিথ্যা বলার নাম বাকস্বাধীনতা নয়।</p><p class="bbjustify"><strong><span class="bbu">উদাহরণতঃ ১৪৯৮ ঈসায়ীতে কলম্বাস আমেরিকা গমন করে- এটা ঐতিহাসিক সত্য। এখন যদি কেউ বলে ভাস্কো-ডা-গামা আমেরিকা আবিষ্কার করেছে, তবে এটা বাকস্বাধীনতা হবে না। এটা হবে ঐতিহাসিক সত্য বা তথ্যের বিকৃতি অথবা নিরেট অজ্ঞতা ও মূর্খতা।</span></strong></p><p class="bbjustify">তদ্রুপ সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পূতঃপবিত্র জীবনী মুবারক- এটা ঐতিহাসিক সত্য। উনি স্বীয় সহধর্মীনীগণ অর্থাৎ হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদেরকে ব্যতীত কোনো দাসী পর্যন্ত ব্যবহার করেননি। উনি ব্যভিচারের বিরুদ্ধে কঠোর পবিত্র আয়াত শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ ঘোষণা করেছেন। উনি সমকামিতার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি ঘোষণা করেছেন। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার লা’নত ঘোষণা করেছেন। তারপরেও সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম মুবারক-এ মানহানিকর উক্তি করার চেয়ে দ্বিতীয় কোনো ঐতিহাসিক সত্য বা তথ্যের বিকৃতি ও মিথ্যা পৃথিবীর ইতিহাসে হয়নি এবং হবেও না। কাজেই এটা বাকস্বাধীনতা নয়; বরং এটা দ্বীন ইসলাম উনার বিদ্বেষী কঠিন অপপ্রচারণা। এর শক্ত বিচারে সমগ্র মুসলিম বিশ্বকে এগিয়ে আসতে হবে।</p><p class="bbjustify">সন্ত্রাসী রাষ্ট্র আমেরিকা ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানের পক্ষে কাজ করেছিল। বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিলো। বাংলাদেশের বিপক্ষে যুদ্ধ করার জন্য সপ্তম নৌবহর পাঠিয়েছিলো। সেই মার্কিনিরা এখন গোটা মুসলিম বিশ্বের বিরুদ্ধে লেগেছে। গোটা মুসলিম বিশ্ব দখলের ষড়যন্ত্র করছে। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিরুদ্ধে মানহানিকর বক্তব্য দিয়ে সারা মুসলিম বিশ্বের যুদ্ধাবস্থা তৈরি করে দিচ্ছে। মুসলিম দেশগুলো দখল করতে চাইছে। সম্পদ লুটপাট করতে চাইছে। কিন্তু সন্ত্রাসী আমেরিকা তা কশ্মিনকালেও পারবে না ইনশাআল্লাহ।</p><p class="bbjustify">বর্তমান হিজরী শতকের যামানার ইমাম ও মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি সন্ত্রাসী রাষ্ট্র আমেরিকার বিরুদ্ধে গোটা মুসলিম বিশ্বকে ঐক্যবদ্ধভাবে ব্যবস্থা নেয়ার আহবান জানান।</p></p>]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[Julhaz]]></name>
				<uri>http://rmcforum.com/user1189.html</uri>
			</author>
			<updated>2012-10-04T08:06:54Z</updated>
			<id>http://rmcforum.com/topic1858new-posts.html</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[মুসলমানদের করণীয়]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://rmcforum.com/topic1857new-posts.html" />
			<summary type="html"><![CDATA[<p><p class="bbjustify">মহান আল্লাহ পাক তিনি কালামুল্লাহ শরীফ-এ ইরশাদ করেন, “মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুসরণ কর যদি তোমরা মু’মিন হয়ে থাক।” <strong>(সূরা আনফাল : ১)</strong><br />মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ করেন, “(হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি বলুন! তোমরা একমাত্র আমাকে অনুসরণ কর।” <strong>(সূরা আলে ইমরান : ৩১)</strong><br />অর্থাৎ প্রত্যেক মু’মিন-মুসলমানকে প্রতি ক্ষেত্রে মহান আল্লাহ পাক ও উনার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে অনুসরণ করতে হবে। আর সেজন্যই মহান আল্লাহ পাক তিনি অন্যত্র বলে দিয়েছেন, “নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মধ্যেই সর্বোত্তম আদর্শ রয়েছে।”&nbsp; <strong>(সূরা আহযাব : ২১)</strong><br />অর্থাৎ তিনিই অনুসরণীয় ও অনুকরণীয় এবং উনারই তর্জ-তরীক্বা, নিয়ম-পদ্ধতি, অনুসরণ-অনুকরণ করতে হবে। সর্বক্ষেত্রে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে অনুসরণ ও অনুকরণ করতে হবে। মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনিই একমাত্র আদর্শ এবং এ আদর্শের খিলাফ কোন কাজই করা যাবেনা।<br />তাই মহান আল্লাহ পাক তিনি কুরআন শরীফে অন্যত্র ইরশাদ করেন, “তোমাদের রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যা এনেছেন তা আঁকড়ে ধর এবং যা থেকে বিরত থাকতে বলেছেন তা থেকে বিরত থাক। এ বিষয়ে মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় কর। মহান আল্লাহ পাক তিনি কঠিন শাস্তিদাতা।” <strong>(সূরা হাশর : ৭)</strong><br />অথচ বর্তমান মুসলমানরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে যেমন কঠিন শাস্তিদাতা বলে মানে না ঠিক তেমনি হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সর্বোত্তম আদর্শ হিসেবে মানে না। (নাউযুবিল্লাহ) যদি মানতো তাহলে তাদের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রতিটি বিষয়ে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে অনুসরণের প্রতিফলন ঘটতো। কিন্তু দেখা যায়, একজন মুসলমান যখন চুল রাখে তখন সে কোন অভিনেতা/অভিনেত্রী কিংবা কোন খেলোয়াড়কে অনুসরণ করে। আবার পুরুষরা দাড়ি না রেখে সেভ করে নারীর ছুরত ধারন করছে। নারী বিধর্মীদের অনুসরণে প্রায় নগ্ন হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। পায়ের জুতা পর্যন্ত বিধর্মীদের অনুসরণে পরিধান করছে। বর্তমানে দেখা যায় বেশির ভাগ মুসলমানই কালো রংয়ের জুতা-স্যাণ্ডেল পরিধান করছে।<br />অথচ মুসলমানদের উচিত ছিল হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যেভাবে চুল রেখেছেন সেভাবে চুল রাখা, পুরুষের দাড়ি রাখা, নারীদের পর্দা করা। আর মুসলমাদেরকে দিয়ে কালো রংয়ের জুতা-স্যাণ্ডেল পরিধান করানো কাফিরদের একটি ষড়যন্ত্র। তারা জানে যে কা’বা শরীফ-এর গিলাফের রং কালো তাই মুসলমানদেরকে কালো রংয়ের জুতা-স্যাণ্ডেল পরিধান করিয়ে কা’বা শরীফ-এর অসম্মান করাচ্ছে, যেমনিভাবে কা’বা শরীফ, মদীনা শরীফ, রওযা শরীফ ও বাইতুল মুকাদ্দাস শরীফ-এর ছবি সম্বলিত জায়নামাজ মুসলমাদের দিয়ে পদদলিত করিয়ে কা’বা শরীফ, মদীনা শরীফ, রওযা শরীফ ও বাইতুল মুকাদ্দাস শরীফ-এর প্রতি মুসলমানদের মন থেকে সম্মান বোধ উঠিয়ে দেয়ার ষড়যন্ত্রে তারা লিপ্ত রয়েছে।<br />আর এভাবে মুসলমানদের দিয়ে ইসলামের অবমাননা করাতে করাতে মুসলমানরা এখন অনুভুতিহীন হয়ে পড়েছে। ফলে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শানের খিলাফ নানা চলচিত্র, ব্যঙ্গচিত্র ইত্যাদি নির্মানে কাফিররা আজ সাহস পাচ্ছে। আর নিজস্ব স্বকীয়তা হারা, কাপুরুষ মুসলমান আজ প্রতিবাদ করতেও জানে না। আর প্রতিটি মুসলিম সরকার হচ্ছে কাফিরদের কেনা খাছ গোলাম, ফলে তারাও টু শব্দ করছে না। নামকা ওয়াস্তে একটি বিবৃতি দিয়ে খালাস।<br />সারাবিশ্বের প্রতিটি সরকারের উচিত সাম্প্রতিক কালে নির্মিত চলচিত্রটি বাজেয়াপ্ত করার ও এর কুলাঙ্গার পরিচালক, প্রযোজক, অভিনেতা, অভিনেত্রী ও সংশ্লিষ্ট সকলের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার ব্যাপারে চাপ সৃষ্টি করা।<br />আর যে বিষয়টি আজ স্পষ্টভাবেই বোঝা যাচ্ছে তা হলো সারাবিশ্ব এখন নেতৃত্বশূণ্য, কেননা যারা তথাকথিত সুপার পাওয়ার ছিল তারা আজ সুপার ফকির-এ পরিণত হয়েছে, তারা নিজেদের মৌলিক চাহিদাটুকু পুরণেই অক্ষম। সেখানে বিশ্ব পরিচালনা করবে কিভাবে- এ বিষয়টি মুসলমান নেতৃবৃন্দের বোঝা উচিত। এমনিতেই কাফিররা হচ্ছে মুর্দা তার উপর এখন তাদের চরম আর্থিক অসংঙ্গতি। এমতবস্থায় প্রতিটি মুসলিম সরকারের উচিত নিজেদের মধ্যে পরামর্শ করে একটি যৌথ মুসলিম প্রতিরক্ষা বাহিনী প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বিভিন্ন কাফির রাষ্ট্রে আক্রমণ রচনা করা, তাদের মাটির সাথে মিটিয়ে দেয়া, ধুলিসাৎ করে দেয়া। আর এ জন্যে যিনি বর্তমান হিজরী শতকের যামানার ইমাম ও মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার মুবারক নির্দেশনা মেনে চলা সকল সরকার প্রধানসহ সমস্ত মুসলিম সরকারের সদস্যদের উপর ফরযে আইন।</p></p>]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[Julhaz]]></name>
				<uri>http://rmcforum.com/user1189.html</uri>
			</author>
			<updated>2012-09-21T11:02:52Z</updated>
			<id>http://rmcforum.com/topic1857new-posts.html</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[আল-লাজনাহ আদ-দাইমাহ লিল-বুহুছ আল ইলমিয়া ওয়াল ইফতা-এর ফতওয়া]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://rmcforum.com/topic1853new-posts.html" />
			<summary type="html"><![CDATA[<p><p class="bbjustify">১৯৭১ সালের ২৯শে আগস্ট (হিজরী ১৩৯১ সাল) সউদী সরকারের ১৩৭/১ নম্বর রয়াল ডিক্রি অনুযায়ী সউদী আরবে একটি কাউন্সিল গঠিত হয় তাদের উচ্চ পর্যায়ের মাওলানাদের নিয়ে। ডিক্রির চার নম্বর সেকশনে উল্লেখ করা হয়, ‘একটি চিরস্থায়ী কমিটি রাখা হলো, যে কমিটি মাওলানাদের এই কাউন্সিল থেকে সদস্য নির্বাচন করবে রয়াল ডিক্রির সাথে সামঞ্জস্য রেখে। এর উদ্দেশ্য হচ্ছে, কাউন্সিলে আলোচনা করার জন্য গবেষণা পত্র তৈরি করা এবং প্রতিটি আলাদা আলাদা বিষয়ে ফতওয়া প্রদান করা।’</p><p class="bbjustify">এই কমিটির নামকরণ করা হয় <strong>‘আল-লাজনাহ আদ-দাইমাহ লিল-বুহুছ আল ইলমিয়া ওয়াল ইফতা’</strong> ইংরেজিতে <strong>&quot;The Permanent Committee for Islamic Research and Fataawa&quot;</strong> এবং বাংলায় <strong>‘ইসলামী গবেষণা এবং ফতওয়ার চিরস্থায়ী কমিটি।’</strong></p><p class="bbjustify">এই রয়াল ডিক্রির ৮ নম্বর সেকশনে পুনরায় বলা হয়, চিরস্থায়ী কমিটির বেশিরভাগ সদস্য কোন বিষয়ে চূড়ান্ত ঐকমত্যে না পৌঁছা পর্যন্ত কোন ফতওয়া প্রদান করা হবে না। এরূপভাবে তিনজন সদস্যের কমে কোন ফতওয়ায় সিদ্ধান্ত দেয়া যাবে না। আর কোন মতের পক্ষে এবং বিপক্ষে সমান সংখ্যক রায় পাওয়া গেলে কমিটির প্রধান সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।</p><p class="bbjustify"><span class="bbhighlight"><strong>সউদী আরবের এই ফতওয়া কমিটিকে “ক্যামেরা দিয়ে ছবি তোলা কি হারাম অথবা না?” সে প্রশ্ন করলে তারা উত্তর দেয়, “সকল মানুষ এবং অন্যান্য প্রাণী যাদের জীবন আছে তাদের ক্যামেরা বা অন্য কিছু দিয়ে ছবি তোলা হারাম। এবং যারা এরকম ছবি তুলে তাদের অনুতপ্ত হয়ে আল্লাহ পাক উনার কাছে তওবা করা উচিত। তার দ্বারা যা হয়ে গেছে তাতে যেন সে আর ফিরে না যায়।”</strong></span></p><p class="bbjustify">ডিক্রির ধারা অনুযায়ী <strong>এই ফতওয়ায় স্বাক্ষর করে কমিটির<br />প্রধান- শায়খ আব্দুল আজিজ ইবনে আব্দুল্লাহ বিন বা’য।<br />উপপ্রধান- শায়খ আব্দুর রাজ্জাক আফিফি।<br />সদস্য- শায়খ আব্দুল্লাহ বিন জুদাইয়ান।<br />সদস্য- শায়খ আব্দুল্লাহ বিন কুউদ।</strong></p><p class="bbjustify"><span class="bbhighlight"><strong>এই ফতওয়ার নম্বর হচ্ছে ৩৫৯২ যা ফতওয়া কমিটির ভলিউম-১ এর ৬৭০ পৃষ্ঠা</strong></span>য় উল্লেখ আছে। <span class="bbu"><strong>এই ফতওয়া থেকে যে বিষয়টি স্পষ্ট হলো তা হচ্ছে, সউদী সরকার কর্তৃক ওহাবী মাওলানাদের নিয়ে গঠিত সর্বোচ্চ ফতওয়া কমিটির ফতওয়া অনুযায়ী ক্যামেরার সাহায্যে যে কোন প্রাণীর ছবি তোলা হারাম।</strong></span></p><br /><p class="bbjustify">কিন্তু বাস্তবে আমরা তার বিপরীত অবস্থা দেখতে পাচ্ছি। যিনি সমস্ত কিছুর মালিক, খালিক্ব রব্বুল আলামীন মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্র ঘর বাইতুল্লাহ শরীফ সংলগ্ন মসজিদুল হারামসহ সকল হজ্জ পালনের স্থানসমূহে স্থাপিত ক্যামেরার সংখ্যা ১০ হাজারেরও বেশি। এ সকল ক্যামেরা দিয়ে হজ্জের প্রতিটি এলাকার দৃশ্য ধারণ করে সম্প্রচার করা হয়। (নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক)</p><br /><p class="bbjustify">তাই পৃথিবীর সাড়ে ৩০০ কোটি মুসলমানের উচিত এর তীব্র প্রতিবাদে এগিয়ে আসা এবং মক্কা শরীফ ও মদীনা শরীফসহ সকল পবিত্র স্থানসমূহ থেকে সি.সি. টিভি নামিয়ে ফেলতে সউদী সরকারকে বাধ্য করা। যাতে মুসলমানরা হারাম ছবি থেকে বেঁচে সুন্নতী কায়দায় হজ্জ করতে পারে। এভাবে ছবি তুলে কিয়ামত পর্যন্তও যদি কোন ব্যক্তি হজ্জ করে তার হজ্জ কুবল হবে না। কেননা মহান আল্লাহ পাত তিনি কালামুল্লাহ শরীফ-এ ইরশাদ করেন-</p><p class="bbcenter">فَمَن فَرَضَ فِيهِنَّ الْحَجَّ فَلاَ رَفَثَ وَلاَ فُسُوقَ وَلاَ جِدَالَ فِي الْحَجِّ</p><p class="bbjustify">অর্থ : “যে ব্যক্তির প্রতি হজ্জ ফরয সে যেন হজ্জ পালনের ক্ষেত্রে নির্জন অবস্থান ও তার সংশ্লিষ্ট কোন কাজ না করে এবং কোন প্রকার ফাসিকী বা নাফরমানিমূলক কাজ না করে এবং ঝগড়া-বিবাদ না করে। আর তোমরা যে নেক কাজ কর তা মহান আল্লাহ পাক তিনি জানেন। তোমরা পাথেয় সংগ্রহ কর। নিশ্চয়ই উত্তম পাথেয় হচ্ছে তাক্বওয়া।” <strong>(সূরা বাক্বারা-১৯৭)</strong></p><p class="bbjustify">মহান আল্লাহ পাক তিনি বান্দাদেরকে জানিয়ে দিচ্ছেন তারা যেন হজ্জ করতে গিয়ে কোন প্রকার ফাসিকী বা নাফরমানিমূলক কাজ না করে, তাহলে ছবি তুললে কি নাফরমানি করা হয় না?</p></p>]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[Julhaz]]></name>
				<uri>http://rmcforum.com/user1189.html</uri>
			</author>
			<updated>2012-09-01T10:57:26Z</updated>
			<id>http://rmcforum.com/topic1853new-posts.html</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[ইসলামের নিদর্শনসমূহের ছবি সম্বলিত জায়নামাযে নামায পড়া বৈধ নয়]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://rmcforum.com/topic1850new-posts.html" />
			<summary type="html"><![CDATA[<p><p class="bbjustify">মসজিদে নববী ও রওযা শরীফ ও কা’বা শরীফ-এর ছবিযুক্ত এবং নকশা খচিত জায়নামাযে নামায পড়া ইসলামে বৈধ নয়। কারণ পবিত্র কা’বা শরীফ, মসজিদে নববী শরীফ এবং বাইতুল মুকাদ্দাস শরীফ মহান আল্লাহ পাক উনার শিয়ার বা নিদর্শনসমূহের অন্তর্ভুক্ত। যার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা প্রত্যেকের জন্যই ফরয এবং অশেষ কল্যাণের কারণও বটে। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন-</p><p class="bbcenter">وَمَن يُعَظِّمْ شَعَائِرَ اللَّهِ فَإِنَّهَا مِن تَقْوَى الْقُلُوبِ</p><p class="bbjustify">অর্থ: “যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শনসমূহের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করবে, নিশ্চয়ই তা তার জন্য অন্তরের তাক্বওয়া বা পবিত্রতারই নিদর্শন।” <strong>(সূরা হজ্জ, আয়াত শরীফ : ৩২)</strong><br />মহান আল্লাহ পাক তিনি অন্যত্র আরো ইরশাদ করেন-</p><p class="bbcenter">وَمَن يُعَظِّمْ حُرُمَاتِ اللَّهِ فَهُوَ خَيْرٌ لَّهُ عِندَ رَبِّهِ</p><p class="bbjustify">অর্থ: “মহান আল্লাহ পাক তিনি যে সকল বস্তুকে সম্মানিত করেছেন, তাকে যে ব্যক্তি সম্মান করলো, এটা তার জন্য মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট কল্যাণ বা ভালাইয়ের কারণ হবে।” <strong>(সূরা হজ্জ, আয়াত শরীফ : ৩০)</strong><br />উপরোক্ত আয়াত শরীফসমূহ দ্বারা এটাই প্রমাণিত হলো যে, মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শনসমূহের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা সকলের জন্যই ফরয। আর সেগুলোর অবমাননা করা সম্পূর্ণই হারাম ও নাজায়িয।<br />কাজেই, “পবিত্র কা’বা শরীফ, মসজিদে নববী শরীফ, বাইতুল মুকাদ্দাস শরীফ” যেহেতু মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শনসমূহের অন্তর্ভুক্ত, সেহেতু উক্ত নিদর্শনসমূহকে পায়ের নিচে রাখা বা সেগুলোকে পদদলিত করা মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শনসমূহকে অবমাননা করার শামিল। যা শুধু আদবের খিলাফই নয় বরং স্থান ও ক্ষেত্র বিশেষে নাজায়িয, হারাম ও কুফরী। তাই মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন-</p><p class="bbcenter">يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُواْ لاَ تُحِلُّواْ شَعَآئِرَ اللّهِ</p><br /><p class="bbjustify">অর্থ: “হে ঈমানদারগণ! তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শনসমূহের অবমাননা করো না।” <strong>(সূরা মায়িদা, আয়াত শরীফ : ২)</strong><br />উদাহরণ স্বরূপ বলা যেতে পারে যেমন, ছবি তোলা হারাম। এরপরেও যদি কোন ব্যক্তি তার পিতার ছবি তোলে, সেই ছবি যদি তৃতীয় কোন ব্যক্তি পা দিয়ে মাড়ায় তাহলে যার পিতার ছবি মাড়ানো হলো সে ব্যক্তি কি সেটা সম্মানজনক হিসেবে মেনে নিবে? কখনই সেটা সম্মাজনক হিসেবে গ্রহণ করবে না। বরং যার পিতার ছবি সে ঐ ব্যক্তির উপর গোস্বা করবে, যে তার পিতার ছবিকে মাড়িয়েছে। কারণ তার পিতার ছবিকে পা দিয়ে মাড়ানোর কারণে তার পিতাকে অবমাননাই করা হয়েছে। ইজ্জত, সম্মান করা হয়নি।<br />উল্লেখ্য, কারো পিতার ছবি যদি পা দিয়ে মাড়ানোর&nbsp; কারণে অবমাননা হয় তাহলে পবিত্র কা’বা শরীফ, মদীনা শরীফ ও বাইতুল মুকাদ্দাস শরীফ যা মহান আল্লাহ পাক উনার শিয়ার, সেসবের ছবিকে পা দিয়ে মাড়ালে কি পবিত্র কা’বা শরীফ, মদীনা শরীফ ও বাইতুল মুকাদ্দাস শরীফ-এর অবমাননা হবে না? অবশ্যই হবে। <br />হাদীছ শরীফে ইরশাদ হয়েছে-</p><p class="bbcenter">اَلْكَافِرُ مِلَّةَ وَّاحِدَةَ</p><p class="bbjustify">অর্থ: “সমস্ত কাফিররা, বিধর্মীরা মিলে এক দল।”<br />ক্রুসেডের যুদ্ধে পরাজিতের পর তার প্রতিশোধ নেয়ার জন্য ইহুদী-খ্রিস্টানরা মরিয়া হয়ে ইসলাম ও মুসলমানদের উপর একের পর এক হিংসাত্মক, মারাত্মক ও ধ্বংসাত্মক আঘাত হেনে চলেছে। তারা সম্মিলিত চক্রান্ত বা কূটকৌশলের মাধ্যমে মুসলমানদের পবিত্র ও সম্মানিত স্থান- পবিত্র কা’বা শরীফ ও রওজা শরীফ সংলগ্ন মসজিদে নববী শরীফ এবং বাইতুল মুকাদ্দাস শরীফ-এর ছবি সম্বলিত অধিকাংশ জায়নামায তৈরি করে মুসলমানদের সম্মানিত জিনিসগুলোকে মুসলমানদের পায়ের নিচে ঠেলে দিয়ে মুসলমানদের দ্বারাই ইসলামের অবমাননা করিয়ে নিচ্ছে। মূলতঃ মুসলমানদের ঈমান হরণ করে নিচ্ছে। <br />উপরোক্ত আলোচনা সাপেক্ষে সাব্যস্ত হলো যে, সাধারণভাবে পবিত্র কা’বা শরীফ ও বাইতুল মুকাদ্দাসের ছবিযুক্ত জায়নামাযে নামায পড়া মাকরূহ তাহরীমী ও আদবের খিলাফ। আর সূক্ষ্মভাবে হারাম ও নাজায়িয। আর মসজিদে নববীর ছবি যদি রওযা শরীফসহ হয়, তবে তাতে নামায পড়া সম্পূর্ণই হারাম ও নাজায়িয। কারণ এগুলো মহান আল্লাহ পাক উনার শিয়ার বা নিদর্শনসমূহের অন্তর্ভুক্ত। আর এগুলোকে তা’যীম-তাকরীম করা সকলের উপরই অপরিহার্য কর্তব্য। তাছাড়া সকলের মতেই মসজিদের ছবিযুক্ত বা নকশা খচিত জায়নামাযে নামায পড়া সুন্নতের খিলাফ বা মাকরূহ এবং হুযূরী বিনষ্ট হওয়ার কারণ। এটাই কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা ও ক্বিয়াসসম্মত, ছহীহ ও গ্রহণযোগ্য মত।<br />পরিশেষে বলতে হয়ে যে, “জাতীয় পতাকার কাছে পা রাখলে যদি অবমাননার মামলা হয়, তবে মহান আল্লাহ পাক উনার শিয়ার কা’বা শরীফ, রওযা শরীফসহ মসজিদে নববী শরীফ, বায়তুল মুকাদ্দাস শরীফ-এর ছবি সম্বলিত জায়নামাযে পা রাখলে তা ইসলামের দৃষ্টিতে কত মারাত্মক অবমাননাকর কাজ বলে গণ্য হতে পারে এবং তার জন্য কত কঠিন শাস্তি নির্ধারিত হতে পারে?”<br />২০০৮ ঈসায়ী সনের জানুয়ারীতে অস্ট্রেলিয়ায় হপম্যান কাপ টুর্নামেন্টে একটি ম্যাচ দেখার সময় কুখ্যাত সানিয়া মির্জার পা ভারতের জাতীয় পতাকার সামনে থাকায় এবং সে ছবি টিভিতে দেখে ভারতের মধ্য প্রদেশের রাজকুমার দুবে নামে একজন আইনজীবী সানিয়ার বিরুদ্ধে মামলা ঠুকে দেয়। ভারতীয় আইনজীবী তার বক্তব্যে উল্লেখ করেছে, “সানিয়া এমন বেখেয়ালীভাবে ম্যাচটি দেখছিলেন যে তার পা কোথায় সে বোধ তখন তার ছিল না। তিনি কি ভুলে গেছেন ভারতীয়দের কাছে তিন রং (জাতীয় পতাকা) এর মূল্য কতটুকু। তার অবশ্যই শাস্তি হওয়া উচিত।”<br />সুতরাং বেখেয়ালীভাবে পা পতাকার কাছে গেলেই যদি দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির কথা উঠে, তাহলে ইচ্ছাকৃতভাবে কা’বা শরীফ-এর ছবি বা নকশা খচিত জায়নামাযে যদি কেউ পা রাখে, তাহলে কা’বা শরীফ বা বায়তুল্লাহ শরীফ-এর কত বড় জঘন্য অবমাননাকারী বলে গণ্য হবে এবং আল্লাহ পাক তাকে কত কঠোর শাস্তি দিবেন। (নাঊযুবিল্লাহি মিন যালিক)<br />তাই ভারতীয় জাতীয় পতাকার অবমাননার কথিত এই ঘটনা থেকে মুসলমানদের অনেক শিক্ষা গ্রহণের অবকাশ রয়েছে। ইসলাম ও ইসলামের শিয়ারের অবমাননাকারীদের চিহ্নিত করার বিষয় রয়েছে।<br />আর সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হলেন মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব ও আখিরী রসূল। উনাকে সৃষ্টি না করলে মহান আল্লাহ পাক তিনি কিছুই সৃষ্টি করতেন না। সেখানে মহাসম্মানিত রওযা শরীফ-এর ছবি যদি কেউ জায়নামাযে রাখে বা রওযা শরীফ-এর ছবি সম্বলিত জায়নামায ব্যবহার করে, তাতে পা রাখে (নাঊযুবিল্লাহ) তাহলে সে কত নিকৃষ্ট ও নাফরমান ও বেয়াদব হিসেবে গণ্য হবে। কত বড় জাহান্নামী সে হবে? কত কঠিন তার শাস্তি হবে? (নাঊযুবিল্লাহ মিন যালিক)</p></p>]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[Julhaz]]></name>
				<uri>http://rmcforum.com/user1189.html</uri>
			</author>
			<updated>2012-08-23T15:20:42Z</updated>
			<id>http://rmcforum.com/topic1850new-posts.html</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[ঈদের নামাযের সুন্নতী ওয়াক্ত]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://rmcforum.com/topic1847new-posts.html" />
			<summary type="html"><![CDATA[<p><p class="bbjustify">কালামুল্লাহ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে,</p><p class="bbcenter">اِنَّ الصَّلاَةَ كَانَتْ عَلَى الْمُؤْمِنِينَ كِتَابًا مَّوْقُوتًا</p><p class="bbjustify">অর্থ : “নিশ্চয়ই নামায নির্দিষ্ট সময়ে পড়া মু’মিন মুসলমানের উপর ফরয করা হয়েছে।” <strong>(সূরা আন-নিসা, আয়াত শরীফ-১০৩)</strong><br />পাঞ্জেগানা নামাযের ন্যায় ঈদের নামায কোন সময় আদায় করতে হবে সে সম্পর্কে ইসলামে বিধান রয়েছে। সকালে সূর্য পূর্ণভাবে উদিত হবার পর থেকে (অর্থাৎ মাকরূহ্ ওয়াক্ত শেষ হবার পর থেকে অথবা সূর্য উদয়ের শুরু থেকে ঘড়ির মিনিট অনুযায়ী ২৩ মিনিট পর) ঈদের&nbsp; নামাযের ওয়াক্ত শুরু হয়। আর যাহওয়াতুল কুবরা বা যাওয়াল অথবা শরয়ী অর্ধদিন বা দ্বিপ্রহর অর্থাৎ সূর্যের এস্তাওয়া আরম্ভ হবার পূর্ব পর্যন্ত ঈদের নামাযের ওয়াক্ত থাকে। ফজরের ওয়াক্ত শেষ হবার পর, ২৩ মিনিটি পর্যন্ত মাকরূহ্ ওয়াক্ত এবং এরপর ঈদের নামাযের ওয়াক্ত শুরু হয়। আর যোহরের ওয়াক্ত শুরু হবার ১ ঘন্টা পূর্ব পর্যন্ত ঈদের&nbsp; নামাযের ওয়াক্ত থাকে। অর্থাৎ মাকরূহ ওয়াক্ত শুরু হবার আগ পর্যন্ত।<br /><span class="bbhighlight">সূর্য পূর্ণভাবে উদিত হবার পর থেকে অর্থাৎ মাকরূহ ওয়াক্ত যা ঘড়ির হিসাব অনুযায়ী ২৩ মিনিট অতিক্রম হবার পূর্বে ঈদের নামায আদায় করলে নামায হবে না এবং যোহরের নামাযের ওয়াক্ত হবার পূর্বের ১ ঘন্টা যা মাকরূহ ওয়াক্ত নামে পরিচিত অর্থাৎ যাহওয়াতুল কুবরা বা সূর্যের এস্তাওয়া আরম্ভ হবার পর ঈদের নামায আদায় করলে তা আদায় হবে না।</span><br />অর্ধদিন বা নিসফুন নাহার দু’ভাবে বর্ণিত। একটি হলো শরয়ী অর্ধদিন এবং আরেকটি উরফী (প্রচলিত) অর্ধদিন। সূর্য উদয় হতে সূর্য অস্ত পর্যন্ত সময়কে দু’ভাগে ভাগ করলে প্রথম ভাগকে শরয়ী অর্ধদিন বলা হয়। প্রথম ভাগের শেষ অংশকে বলা হয় শরয়ী দ্বিপ্রহর বা যাহওয়াতুল কোবরা। যাহওয়াতুল কোবরা হতে সূর্য ঢলা পর্যন্ত সময়কে এস্তাওয়ায়ে শামস বলা হয়। ওটার মধ্যবর্তী সময়&nbsp; নামায পড়া মাকরূহ।<br />আর প্রচলিত অর্ধদিন বলতে বেলা ১২টা বুঝানো হয়। ঈদের নামাযের ওয়াক্ত শরয়ী অর্ধদিনের পূর্ব পর্যন্ত থাকে।<br />উদাহরণস্বরূপ সকাল ৬ টায় যদি সূর্য উদিত হয়, তাহলে ৬ টা ২৩ মিনিট হতে ঈদের নামাযের ওয়াক্ত শুরু হয় এবং ১২ টায় যদি যোহরের ওয়াক্ত শুরু হয়, তাহলে তার পূর্বে ১ঘন্টা বাদ দিয়ে অর্থাৎ ১১টা পর্যন্ত ঈদের নামাযের ওয়াক্ত থাকে।<br />আর নিম্নবর্ণিত হাদীছ শরীফের মাধ্যমে আমরা ঈদের নামায কোন সময় আদায় করলে তা সুন্নত হবে, তা জানতে পারবো। সে সম্পর্কে হাদীছ শরীফ-এ বর্ণিত রয়েছে যে, “মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঈদের দিন ফজরের নামায পড়ে হুজরা শরীফ-এ যেতেন এবং সকাল সকাল গোসল করে ঈদুল ফিতরের দিন হলে বেজোড় সংখ্যক (৩, ৫ অথবা ৭টি) খোরমা খেজুর খেয়ে ঈদগাহে যেতেন। আর ঈদুল আদ্বহার দিন হলে কিছু না খেয়ে সরাসরি ঈদগাহে যেতেন এবং ঈদের নামাযের ওয়াক্ত হওয়ার সাথে সাথে ঈদের নামায আদায় করতেন। অতঃপর খুতবা দিতেন ও নছীহত করতেন।”<br />হাদীছ শরীফ-এ আরো বর্ণিত রয়েছে, “হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত আমর ইবনে হাযম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে নজরানের আমীর বা প্রধান হিসেবে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় চিঠি দিয়ে আদেশ করেন যে, ‘ঈদুল আদ্বহার নামায খুব সকাল সকাল পড়বেন এবং ঈদুল ফিতরের নামায ঈদুল আদ্বহার চেয়ে অল্প একটু দেরিতে পড়বেন এবং নামাযের পরে মানুষকে নছীহত করবেন।’<br />কাজেই ঈদের নামায সকাল সকাল পড়া সুন্নত। ঈদের নামাযের সম্মানার্থে এবং ঈদের নামায যাতে আদায়ে দেরি না হয়, সেজন্য ঈদের দিন ইশরাকসহ অন্যান্য সকল নফল নামায তথা সমস্ত নফল ইবাদত করা মাকরূহ তাহরিমী।<br />বাংলাদেশে পবিত্র শাওওয়াল মাসের চাঁদ তালাশ করতে হবে আজ ২০ ছালিছ ১৩৮০ শামসী ১৮ আগস্ট ২০১২ ঈসায়ী, ইয়াওমুস সাবতি বা শনিবার সন্ধ্যায়। আজ ইয়াওমুস সাবতি বা শনিবার সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা গেলে আগামীকাল ২১ ছালিছ ১৩৮০ শামসী ১৯ আগস্ট ২০১২ ঈসায়ী, ইয়াওমুল আহাদি বা রোববার হবে পবিত্র শাওওয়াল মাসের পহেলা তারিখ অর্থাৎ মুসলমানদের খুশির দিন পবিত্র ঈদুল ফিতর-এর দিন।<br />আর যদি আজ ইয়াওমুস সাবতি বা শনিবার সন্ধ্যায় চাঁদ দেখতে না পাওয়া যায়, তবে পবিত্র রমাদ্বান মাস ৩০ দিন পূর্ণ করে আগামী ২২ ছালিছ ১৩৮০ শামসী ২০ আগস্ট ২০১২ ঈসায়ী, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীমি বা সোমবার রীঢ হবে পবিত্র শাওওয়াল মাসের পহেলা তারিখ অর্থাৎ পবিত্র ঈদুল ফিতর-এর দিন। অর্থাৎ চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামীকাল ইয়াওমুল আহাদি বা রোববার অথবা আগামী ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীমি বা সোমবার শরীফ পালিত হবে পবিত্র ঈদুল ফিতর।<br />আর যামানার খাছ লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার মুজাদ্দিদ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস্ সুন্নাহ, মুজাদ্দিদে আ’যম, আওলাদে রসূল রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মুবারক ইমামতিতে ১৪৩৩ হিজরী সনের দেশের সর্বপ্রথম ঈদুল ফিতর নামাযের জামায়াত রাজারবাগ শরীফ সুন্নতী জামে মসজিদে সুন্নতী ওয়াক্ত মুতাবিক সকাল ০৬টা ১৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে ইনশাআল্লাহ।<br />হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, “যে ব্যক্তি কোনো হক্কানী ওলীআল্লাহ উনার পিছনে নামায আদায় করলো, সে যেনো হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পিছনে নামায পড়লো। আর যে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পিছনে নামায আদায় করলো তাকে মহান আল্লাহ পাক তিনি ক্ষমা করে দিবেন।” সুবহানাল্লাহ!<br />রাজারবাগ শরীফ-এর পক্ষ থেকে ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণকে উক্ত জামায়াতে শামিল হওয়ার জন্য আহবান জানানো হচ্ছে।</p></p>]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[Julhaz]]></name>
				<uri>http://rmcforum.com/user1189.html</uri>
			</author>
			<updated>2012-08-18T13:11:14Z</updated>
			<id>http://rmcforum.com/topic1847new-posts.html</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[সউদী আরবে যথাযথভাবে শাওওয়াল মাস শুরু করতে হলে রমাদ্বান মাস হবে ৩১ দিনে]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://rmcforum.com/topic1846new-posts.html" />
			<summary type="html"><![CDATA[<p><p class="bbjustify"><a href="http://www.rmcforum.com/topic1825.html" target="_blank">সউদী সরকার রমাদ্বান শরীফ মাস চাঁদ না দেখে মনগড়াভাবে শুরু করাতে</a> ত্রিশতম দিনেও সউদী আরবে পবিত্র শাওওয়াল মাসের চাঁদ দৃশ্যমান হবে না। অথচ এটা <strong>শরীয়ত এবং মহাকাশ বিজ্ঞানের আলোকে অসম্ভব একটি বিষয়</strong>। সউদী আরব ২২ ছালিছ ১৩৮০ শামসী, ২০শে জুলাই ২০১২ ঈসায়ী, ইয়াওমুল জুমুয়াতি বা শুক্রবার থেকে পবিত্র রমাদ্বান শরীফ শুরু করাতে পবিত্র শাওওয়াল মাসের চাঁদ তালাশ করবে ১৯ ছালিছ ১৩৮০ শামসী, ১৭ই আগস্ট ২০১২ ঈসায়ী, ইয়াওমুল জুমুয়াতি বা শুক্রবার। সউদী আরবের পবিত্র মক্কা শরীফ-এর সময় অনুযায়ী অমাবস্যা সংঘটিত হবে ১৯ ছালিছ ১৩৮০ শামসী, ১৭ই আগস্ট ২০১২ ঈসায়ী, ইয়াওমুল জুমুয়াতি বা শুক্রবার ৬টা ৫৪ মিনিটে। অথচ সেদিন মক্কা শরীফ-এ সূর্যাস্ত ৬টা ৫২ মিনিটে এবং চন্দ্রাস্ত ৬টা ৩২ মিনিটে। অর্থাৎ <span class="bbu"><strong>সূর্য অস্ত যাওয়ার পূর্বেই চাঁদ অস্ত যাবে আবার সূর্যাস্তের পরে অমাবস্যা শুরু হবে। সুতরাং ২০ ছালিছ ১৩৮০ শামসী, ১৮ই আগস্ট ২০১২ ঈসায়ী, ইয়াওমুস সাবতি বা শনিবার থেকে সউদী আরবে পবিত্র শাওওয়াল মাস শুরু হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।</strong></span></p><p class="bbjustify">আবার যদি সউদী আরব পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস ৩০ দিনে পূর্ণ করে, তবে ২০ ছালিছ ১৩৮০ শামসী, ১৮ই আগস্ট ২০১২ ঈসায়ী, ইয়াওমুস সাবতি বা শনিবার সূর্য অস্ত যাবে ৬টা ৫১ মিনিটে আর চাঁদ অস্ত যাবে ৭টা ১৩ মিনিটে। অর্থাৎ মাত্র ২২ মিনিট চাঁদ আকাশে অবস্থান করবে। সূর্যাস্তের সময় চাঁদের উচ্চতা হবে মাত্র ৪ ডিগ্রি ২৯ মিনিট। সুতরাং <span class="bbu"><strong>ত্রিশতম দিনেও চাঁদ দৃশ্যমান হবে না।</strong></span> এ বিষয়টি প্রমাণ করে যে, <span class="bbhighlight">সউদী আরবে পবিত্র শাওওয়াল মাস সঠিক তারিখে শুরু হতে যাচ্ছে না। অর্থাৎ তাদের রমাদ্বান শরীফ মাস ঘোষনা ছিল সম্পূর্ণ ভুল ও শরীয়ত বিরোধী।</span> তাই সেদেশে অবস্থানরত সকল মানুষ ফরয রোযা তরক হওয়ার পাশাপাশি লাইলাতুল ক্বদরের নিয়ামত এবং পহেলা শাওয়ালের দোয়া কবুলের নিয়ামত থেকে বঞ্চিত হবে।</p><p class="bbjustify">অথচ সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, নিশ্চয়ই পাঁচ রাতে দুয়া কবুল হয়ে থাকে, ১. রজব মাসের পহেলা রাত, ২. শবে বরাত, ৩. শবে ক্বদর, ৪. ৫. ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আদ্বহার রাত। <strong>(মা ছাবাতা বিস সুন্নাহ, গুনইয়াতুত ত্বালিবীন, মুকাশাফাতুল কুলুব)</strong></p><p class="bbjustify">উল্লেখ্য, ইসলামী শরীয়তে আরবী মাস শুরুর ক্ষেত্রে প্রতি মাসে চাঁদ তালাশ করা ওয়াজিবে কিফায়া এবং চাঁদ দেখে অথবা দেখা না গেলে ত্রিশ দিনে মাস পূর্ণ করে সঠিক তারিখে মাস শুরু করা ফরয। বিপরীতে অমাবস্যা অনুযায়ী মাস শুরু করা ইহুদীদের রীতি। তাহলে আজকের সউদী আরবের নামধারী মুসলিম ওহাবী শাসকগোষ্ঠী আসলে কোন ধর্মের অনুসরণ করছে তা ভেবে দেখা প্রয়োজন। <a href="http://www.sabujbanglablog.net/17501.html#more-17501" target="_blank">(মূলত আজকের সউদী ওহাবী শাসকগোষ্ঠী হচ্ছে ইহুদী)</a></p><p class="bbjustify">আবার হাদীছ শরীফ-এ নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, <strong>‘তোমরা কোনো অন্যায় কাজ দেখলে হাতে বাধা দাও; সম্ভব না হলে মুখে বাধা দাও; তাও যদি সম্ভব না হয় তাহলে অন্তরে ঘৃণা করে দূরে সরে থাকো। তবে এটা হচ্ছে দূর্বল ঈমানের পরিচয়।’</strong></p><p class="bbjustify">অন্য বর্ণনায় রয়েছে, <strong>‘এরপর ঈমানের কোন স্তর নেই।’</strong> অর্থাৎ <span class="bbu">যারা এই তিন স্তরের বাহিরে থাকবে তারা মুসলমান হিসেবে গণ্য হবেনা।</span></p><p class="bbjustify"><span class="bbhighlight">আশ্চর্য্যরে বিষয়! সউদী ওহাবী সরকারের এহেন শরীয়ত বিরোধী আমলের বিষয়ে মুসলমানগণের মধ্যে কোন প্রকার চিন্তা ফিকির নেই।</span></p><p class="bbjustify">আর তাই শবে ক্বদরের রাতে মহান আল্লাহ পাক উনার শাহী দরবারে ফরিয়াদ- আয় বারে ইলাহী! আপনি সউদী ওহাবী সরকারকে হিদায়েত দান করুন। আর যদি তাদের নছীবে হিদায়েত না থাকে, তাহলে তাদের রাজ পরিবারকে রাজতন্ত্রসহ আবরাহার মতো ধূলিস্বাত করে দিয়ে হযরত খুলাফায়ে রশিদীন আলাইহিমুস সালাম উনাদের দ্বারা পরিচালিত <strong>“খিলাফত আলা মিনহাজুন নুবুওওয়াত”</strong> সারা যমীনে পুণঃপ্রতিষ্ঠা করে দিন।</p></p>]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[Julhaz]]></name>
				<uri>http://rmcforum.com/user1189.html</uri>
			</author>
			<updated>2012-08-15T08:40:58Z</updated>
			<id>http://rmcforum.com/topic1846new-posts.html</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[ইসলামিক ফাউন্ডেশন ফিতরা নির্ধারণে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও ভুল করেছে]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://rmcforum.com/topic1845new-posts.html" />
			<summary type="html"><![CDATA[<p><p class="bbjustify">হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে সা’লাবা অথবা সা’লাবা ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আবু সুআইর উনার পিতা হতে বর্ণনা করেন যে, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি তিনি ইরশাদ করেন, এক সা’ গম বা আটা দু’ব্যক্তির পক্ষ থেকে আদায় করতে হবে- ছোট হোক বা বড় হোক, আযাদ হোক বা গোলাম হোক এবং পুরুষ হোক বা মহিলা হোক।” <strong>(আবূ দাউদ শরীফ, মিশকাত শরীফ)</strong></p><p class="bbjustify">হানাফী মাযহাব মুতাবিক অর্ধ সা’ বলতে ১ সের সাড়ে ১২ ছটাক বুঝানো হয়েছে, যা গ্রাম হিসাবে ১৬৫৭ গ্রাম (প্রায়) হয়।</p>যেমন<br />১ সের সাড়ে ১২ ছটাক = ১৬ ছটাক + ১২<sup>১</sup>/<sub>২</sub> ছটাক [যেহেতু ১ সের = ১৬ ছটাক]<br />&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp;= ২৮<sup>১</sup>/<sub>২</sub> ছটাক<br />&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp;= ২৮<sup>১</sup>/<sub>২</sub> x ৫ তোলা [যেহেতু ১ ছটাক = ৫ তোলা]<br />&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp;= (৫৭ x ৫)/২ তোলা<br />&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp;= ২৮৫/(২ x ৮৬) কেজি [যেহেতু ৮৬ তোলা = ১ কেজি]<br />&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp;= (২৮৫ x ১০০০)/১৭২ গ্রাম [যেহেতু ১ কেজি = ১০০০ গ্রাম]<br />&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp;= ১৬৫৬.৯৭৬৭ গ্রাম<br />&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp;= <strong>১৬৫৭ গ্রাম প্রায়</strong><br /><p class="bbjustify"><span class="bbhighlight">কিন্তু ইসলামিক ফাউন্ডেশন ফিতরা নির্ধারণে শুদ্ধ গাণিতিক হিসাব করতে না পারায় অর্থাৎ তাদের যোগ-বিয়োগের নূন্যতম জ্ঞানটুকুও না থাকায় প্রতি বছরই তারা ফিতরা নির্ধারণে ভুল করে থাকে। প্রতি বছর ন্যায় এবারো এক সের সাড়ে বারো ছটাক অর্থাৎ ১৬৫৭ গ্রামের পরিবর্তে তারা ১৬৫০ গ্রাম হিসাব করে ফিতরা নির্ধারণ করেছে। কাজেই ফিতরা সম্পর্কে ইসলামিক ফাউন্ডেশন যে ফতওয়া দিয়েছে তা সম্পূর্ণই ভুল ও পরিত্যাজ্য।</span></p><p class="bbjustify">শুদ্ধ গাণিতিক হিসাব করতে না পারায় প্রতিবছরই ইফা ফিতরা নির্ধারণে<span class="bbhighlight"> তিন ধরনের ভুল করে</span>।</p><p><span class="bbhighlight"><strong>প্রথমত</strong>, ১৬৫৭ গ্রামের স্থলে কমিয়ে ১৬৫০ গ্রাম নির্ধারণ করে।</span></p><p><span class="bbhighlight"><strong>দ্বিতীয়ত</strong>, তারা খোলা বাজারের আটার দামে ফিতরা নির্ধারণ করে। অথচ খোলা বাজারের আটা গুণগত মানে ভাল নয় এবং তা ধনীরা তো নয়ই এমনকি মধ্যবিত্তরাও খায় না। তারা সবাই প্যাকেটের ভাল আটা খেয়ে থাকে। তারপরেও কথা হচ্ছে, প্যাকেটে আটা সব সময় ১ কেজি বা ২ কেজি পুরো থাকে না। অনেক সময় ২ কেজির প্যাকেটে থাকে ১৯৭৫ গ্রাম অথবা ১ কেজির প্যাকেটে ৯৭৫ গ্রাম বা ৯৮০ গ্রাম আটা থাকে।</span></p><p><span class="bbhighlight"><strong>তৃতীয়ত</strong>, ইফা একই মূল্য শহর, গ্রাম তথা সারাদেশ ব্যাপী নির্ধারণ করে দেয়। অথচ বিভিন্ন অঞ্চলে দামের তারতম্য থাকতে পারে এবং সে হিসাবেই ফিতরার পরিমাণ নির্ধারণ হওয়া বাঞ্ছনীয়। কেননা দেশের বিভিন্ন এলাকায় আটার দাম বিভিন্ন রকম।</span></p><p>কাজেই যাদের উপর ছদকাতুল ফিতর ওয়াজিব, তাদেরকে বর্তমান মূল্য হিসাবে এক সের সাড়ে বারো ছটাক বা ১৬৫৭ গ্রাম আটার মূল্য হিসেবে দিতে হবে। এ বছর ঢাকা শহরে ৩৪.৫০ টাকা কেজি হিসাবে এক সের সাড়ে বারো ছটাক বা ১৬৫৭ গ্রাম আটার মূল্য- ৫৭.১৬৬৫ টাকা অর্থাৎ ৫৮ টাকা (প্রায়)।</p><p class="bbjustify">যেমন, ১ কেজি বা ১০০০ গ্রাম আটার মূল্য ৩৪.৫০ টাকা।<br />প্রতি গ্রাম আটার মূল্য ৩৪.৫০ ÷ ১০০০ = ০.০৩৪৫ টাকা<br />১৬৫৭ গ্রাম আটার মূল্য ১৬৫৭ x ০.০৩৪৫ = ৫৭.১৬৬৫ টাকা অর্থাৎ <span class="bbhighlight">৫৮ টাকা (প্রায়)। এর কম দেয়া যাবে না। তবে ইচ্ছা করলে বেশি দিতে পারবে।</span><br /><span class="bbhighlight">অথচ ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ভুল হিসাবে এসেছে ৫৫ টাকা তা সম্পূর্ণই ভুল ও পরিত্যাজ্য</span></p><p class="bbjustify">দেশের সব এলাকার আটার দাম এক রকম নয়। সাধারণত শহরের তুলনায় গ্রামে দ্রব্যমূল্যের দাম কিছুটা কম হয়ে থাকে। আবার খোলা আটার তুলনায় প্যাকেটের আটার মান ভালো হয়ে থাকে এবং তার দামও বেশি হয়ে থাকে। শরীয়তের ফতওয়া হচ্ছে, যেটা সবচেয়ে ভাল, পছন্দনীয় ও মূল্যবান সেটাই দান করতে হবে। খারাপ বা নিম্ন মূল্যের যেটা সেটা দান করা যাবে না। কেননা হাদীছ শরীফ-এ বর্ণিত রয়েছে,<br /><p class="bbright">عَنْ حَضَرَتْ اَبِىْ هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا نَصَدَّقَ اَحَدٌ بِصَدَ قَةٍ مِّنْ طَيِّبِ وَلَا يَقْبَلُ اللهُ عَزَّ وَجَلَّ اِلَّا الطَّيِّبَ</p>অর্থ :&nbsp; হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তা’য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, কোন ব্যক্তি পবিত্র বা উৎকৃষ্ট বস্তু হতে দান করলো। আর মহান আল্লাহ পাক তো পবিত্র বা উৎকৃষ্ট ব্যতীত কোন কিছুই কবুল করেন না। <strong>(বুখারী শরীফ)</strong><br />আর এ বিষয়টি মহান আল্লাহ পাক তিনি কালামুল্লাহ শরীফ-এ স্পষ্ট করেই জানিয়ে দিয়েছেন। তিনি ইরশাদ করেন,<br /><p class="bbcenter">لَن تَنَالُواْ الْبِرَّ حَتَّى تُنفِقُواْ مِمَّا تُحِبُّونَ وَمَا تُنفِقُواْ مِن شَيْءٍ فَإِنَّ اللّهَ بِهِ عَلِيمٌ</p>অর্থ : তোমরা কখনই নেকী, কল্যাণ হাছিল করতে পারবে না যে পর্যন্ত না তোমরা তোমাদের প্রিয় বা পছন্দনীয় বস্তু দান করবে। এবং তোমরা যা কিছু দান কর সে সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি অবশ্যই পূর্ণ খবর রাখেন। <strong>(সূরা আল ইমরান, আয়াত শরীফ ৯২)</strong></p><p class="bbjustify">ছদকাতুল ফিতরের পরিমাণ ও তার মূল্য নির্ধারণ সম্পর্কে ইসলামিক ফাউন্ডেশনে (ইফা) অনুষ্ঠিত সভায় মাওলানা, মুফতী, ইমাম ও খতীব ছাহেবরা যে সিদ্ধান্ত প্রদান করেছে তা ভুল ও অশুদ্ধ। সুতরাং উল্লিখিত পরিমাণে কেউ ছদকাতুল ফিতর আদায় করলে তা আদায় হবে না। কারণ ছহীহ এবং গ্রহণযোগ্য মতে, নিছফু ‘সা’ বা অর্ধ ‘সা’ বলতে এক সের সাড়ে বারো ছটাক বুঝানো হয়েছে, যা গ্রাম হিসেবে প্রায় ১৬৫৭ গ্রাম হয়।</p></p>]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[Julhaz]]></name>
				<uri>http://rmcforum.com/user1189.html</uri>
			</author>
			<updated>2012-08-12T06:40:53Z</updated>
			<id>http://rmcforum.com/topic1845new-posts.html</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[কোনা ফাঁড়া পাঞ্জাবী হিন্দুদের পোশাক এবং হিন্দুরাই এর উৎপত্তিকারক]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://rmcforum.com/topic1843new-posts.html" />
			<summary type="html"><![CDATA[<p><p class="bbjustify">রমাদ্বান শরীফ মুসলমানদের জীবনে অবারিত রহমত, বরকত, ছাকীনা, মাগফিরাত, নাযাতের মাস। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার মাধ্যমে তাক্বওয়া হাছিলের এক অনন্য সম্ভার। এ মাসের পর পশ্চিমাকাশে বাঁকা চাঁদ অবলোকনের মাধ্যমে আনন্দের বারতা নিয়ে আসে ঈদুল ফিতর। এ ঈদে খুশি প্রকাশের জন্যে নতুন পোশাক কেনার ধুম পড়ে রমাদ্বান মাস থেকেই। আর এ উপলক্ষে সমস্ত মার্কেটগুলোতে রমাদ্বানের পবিত্রতার প্রতি নূন্যতম ভ্রূক্ষেপ না করে চলে অবাধ বেহায়াপনা-বেলেল্লাপনার হিড়িক। রমাদ্বানের পবিত্রতা রক্ষা করার চেয়ে ঈদ পালনই মুখ্য বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। অথচ ঈদ তাদেরই জন্যে যারা রমাদ্বানের হক্ব তথা পবিত্রতা যথাযথভাবে আদায় করেছে। অন্য দিকে ঈদের কেনাকাটায় বেশিরভাগ মুসলমান পুরুষেরই প্রথম পছন্দ কোনা ফাঁড়া পাঞ্জাবী। অথচ তারা ঘুনাক্ষরেও চিন্তা করে না যে, পোশাকটি ইসলামে বৈধ কিনা।</p><p class="bbjustify">ইতিহাস পর্যালোচনায় জানা যায় যে, বাদশাহ আকবর যে “দ্বীনে ইলাহী” প্রতিষ্ঠা করেছিল হিন্দুরাও তার সদস্য ছিল। হিন্দুরা তাদের চিরাচরিত প্রথানুযায়ী খোলা শরীরে ধুতি, পৈতা ও টিকলী পরিধান করেই বাদশাহর শাহী দরবারে আসা-যাওয়া করতো। বাদশা দেখলো এরূপ পোশাকহীন বা উলঙ্গ অবস্থায় বাদশাহর দরবারে প্রবেশ করা বাদশাহর শানের খিলাফ। তাই বাদশাহ তাদেরকে খোলা শরীরে এবং খালি মাথায় শাহী দরবারে আসতে নিষেধ করলো এবং পোশাক পরিধান করে আসার নির্দেশ দেয় তবে মুসলমানদের খেলাফ পোশাক ব্যবহার করতে বলে। তখন হিন্দুরা শলা-পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত নিল তারা পোশাক পরেই শাহী দরবারে যাবে। তবে মুসলমানগণের পোশাক পরে নয়। সেটা হবে মুসলমানগণের খিলাফ; স্বতন্ত্র এক পোশাক।</p><p class="bbjustify">স্মর্তব্য যে, মুশরিক তথা হিন্দুরা যে মুসলমানদের চিরশত্রু তা স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনিই কুরআন শরীফ-এ ইরশাদ করেছেন,</p><p class="bbcenter"><br />لَتَجِدَنَّ اََشَدَّ النَّاسِ عَدَاوَةً لِّلَّذِينَ آمَنُوا اليَهُودَ وَالَّذِينَ اَشْرَكُوا</p><p class="bbjustify">অর্থ : “তোমরা তোমাদের সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে পাবে ইহুদীদেরকে। অতঃপর যারা মুশরিক তাদেরকে।” <strong>(সূরা মায়িদা-৮২)</strong></p><p class="bbjustify">মুসলমানদের সাথে ইহুদী ও মুশরিকদের শত্রুতা চিরদিনের। তারা কখনো মুসলমানদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করে না। সবসময় বিরোধীতায় লিপ্ত। শত্রুতাবশত প্রতিটি ক্ষেত্রে মুসলমানদের বিপরীত কাজ করে থাকে। তাই মুসলমানগণের চিরশত্রু সেই হিন্দু সম্প্রদায় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলো তারা মুসলমানগণের মত লম্বা ও ঢিলা ঢালা জামা পরিধান করবে না। আর ইহুদী-নাছারাদের মত শার্ট, প্যান্ট, টাইও পরবে না। তারা কোনা ফাঁড়া খাটো পাঞ্জাবী পরিধান করবে।</p>কারণ দু’টি-<br /><p class="bbjustify"><span class="bbhighlight">(১) মুসলমানদের কোর্তা গোল বিধায়, তারা কোনা ফাঁড়া পাঞ্জাবী ব্যবহার করবে, যেন মুসলমানদের সাথে মিল না হয়।</span><br /><span class="bbhighlight">(২) তারা যেহেতু ধুতি পরিধান করে তাই ধুতির লেজকে পাঞ্জাবীর পকেটে রাখতে সহজ হবে। কেননা পাঞ্জাবীর কোনা যদি ফাঁড়া না হয় তবে ধুতির লেজ পকেটে ঢুকানো হলে পাঞ্জাবী উঠে থাকে। সেজন্যে তারা কোনা ফাঁড়া পাঞ্জাবী ব্যবহার করে, এতে ধুতীর লেজ পাঞ্জাবীর পকেটে রাখলেও পাঞ্জাবী উঠে থাকলো না।</span></p><p><span class="bbhighlight">আবার মুসলমানরা যেহেতু গোল টুপি ব্যবহার করতো সেহেতু তারা লম্বা টুপি অর্থাৎ দোপাট্টা বা কিস্তি টুপিকে গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিলো।</span></p><p class="bbjustify">তখন থেকে হিন্দুরা কোনা ফাঁড়া পাঞ্জাবী এবং দোপাট্টা বা কিস্তি টুপি পরে বাদশাহের শাহী দরবারে যাতায়াত করতে থাকে। অদ্যাবধি হিন্দুরা সেই কোনা ফাঁড়া পাঞ্জাবী এবং ধুতিকে অত্যন্ত সম্মানজনক ও সম্ভ্রান্ত পোশাক মনে করে বিধায় কোনা ফাঁড়া পাঞ্জাবী পরে ধুতির লেজ কোনার ফাঁক দিয়ে পকেটে রেখে দিতে অনেক স্বাচ্ছন্দ বোধ করে। অতএব, প্রমাণিত হলো যে, লম্বা বা কিস্তি টুপি ও কোনা ফাঁড়া পাঞ্জাবী হিন্দুদেরই পোশাক এবং তারাই এর উৎপত্তিকারক।<br />আর হুজ্জাতুল ইসলাম, হযরত ইমাম গাজ্জালী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার বিখ্যাত কিতাব “<strong>আল মুর্শিদুল আমীন</strong>” কিতাবে লিখেন, ইবলীস যখন হযরত মূসা কালিমুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার সাথে সাক্ষাৎ করে, তখন ইবলীসের মাথায় লম্বা টুপি ছিল।</p><p class="bbjustify">তাহলে মুসলমানদের চিন্তা করা উচিত যে, এই কোনা ফাঁড়া পাঞ্জাবী ও লম্বা টুপি পরিধান করে মুসলমানদের চির শত্রু হিন্দুদের সাথে মিল রাখবে নাকি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুন্নতের অনুসরণে গোল ক্বমীছ বা কোর্তা ও চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি পরিধান করবে। কেননা মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেছেন,</p><p class="bbcenter">لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِي رَسُولِ اللَّهِ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ</p><p class="bbjustify">অর্থ : “নিশ্চয় তোমাদের জন্যে মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহ উনার মধ্যে উত্তম আদর্শ রয়েছে।” <strong>(সূরা আহযাব, আয়াত শরীফ : ২১)</strong><br />আর হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে,</p><p class="bbcenter">عَنْ حَضَرَتْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ رَضِىَ اللهُ تَعَالى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ تَشَبَّهَ بِقَوْمٍ فَهُوَ مِنْهُمْ</p><p class="bbjustify">অর্থ : হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি যে সম্প্রদায়ের সাথে সাদৃশ্য বা মিল রাখবে, সে ব্যক্তি তাদেরই দলভুক্ত হবে। অর্থাৎ তার হাশর-নশর তাদের সাথেই হবে। <strong>(আবু দাউদ, মুসনাদে আহমদ)</strong></p><p class="bbcenter"><img class="sigimage" src="http://www.simplyislam.com/images/products/50059.jpg" alt="http://www.simplyislam.com/images/products/50059.jpg" /></p><p class="bbcenter">চিত্র : হিন্দু-মুশরিকদের ব্যবহৃত কিস্তি টুপি, যা মুসলমানদের জন্যে ব্যবহার করা সম্পূর্ণ হারাম</p><p class="bbcenter"><img class="sigimage" src="http://www.indienhaus.de/WebRoot/Store12/Shops/10739552/4896/2421/A9B5/D0BA/5236/C0A8/2935/A6C7/Kurta.jpg" alt="http://www.indienhaus.de/WebRoot/Store12/Shops/10739552/4896/2421/A9B5/D0BA/5236/C0A8/2935/A6C7/Kurta.jpg" /></p><p class="bbcenter">চিত্র : হিন্দু-মুশরিকদের ব্যবহৃত ধুতিসহ কোনা ফাঁড়া পাঞ্জাবী, যা মুসলমানদের জন্যে ব্যবহার করা সম্পূর্ণ হারাম</p></p>]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[Julhaz]]></name>
				<uri>http://rmcforum.com/user1189.html</uri>
			</author>
			<updated>2012-08-09T12:09:15Z</updated>
			<id>http://rmcforum.com/topic1843new-posts.html</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[আলিমের প্রকারভেদ]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://rmcforum.com/topic1833new-posts.html" />
			<summary type="html"><![CDATA[<p><p class="bbjustify">হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, “হযরত আহওয়াছ ইবনে হাকীম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার পিতা হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট নিকৃষ্ট লোক সম্পর্কে জানার জন্য প্রশ্ন করলেন। তখন সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন, তুমি আমাকে খারাপ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করো না বরং ভাল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করো। তিনি এটা তিনবার বললেন। অতঃপর বললেন, সাবধান! নিশ্চয়ই নিকৃষ্টেরও নিকৃষ্ট লোক হলো দুনিয়ালোভী ধর্মব্যবসায়ী আলিমগণ আর নিশ্চয়ই সৃষ্টির শ্রেষ্ট হচ্ছেন হচ্ছেন হক্কানী-রব্বানী আলিম উনারা।” <strong>(দারিমী শরীফ)</strong><br />উপরোক্ত হাদীছ শরীফ-এ মূলত দু’প্রকার আলিমের কথা বলা হয়েছে। যথা-<br />(১) হক্ব আলিম বা দ্বীনদার আলিম<br />(২) না-হক্ব আলিম বা দুনিয়াদার আলিম।<br />নিম্নোক্ত ঘটনা দ্বারা আরো সুস্পষ্টভাবে দ্বীনদার আলিম ও দুনিয়াদার আলিমের পরিচয় ফুটে উঠবে।</p><p class="bbjustify">বাদশাহ শাহজাহান একবার তার দরবারী আলিমদের নিকট ফতওয়া তলব করে বললো, আমি অসুস্থ, অসুস্থতার কারণে আমার জন্য রেশমী কাপড় পরিধান করা জায়িয হবে কি? দরবারী আলিমরা বাদশার মনতুষ্টির জন্যই হোক বা দুনিয়াবী ফায়দা লাভের জন্যই হোক, তারা ফতওয়া দিল, বাদশাহ নামদার যেহেতু আপনি অসুস্থ আর আপনি অসুস্থ হয়ে পড়লে রাজ্য অচল হয়ে পড়বে। কাজেই রাজ্য ও প্রজাদের বৃহত্তর স্বার্থে আপনার জন্য এ অবস্থায় রেশমী কাপড় পরিধান করা জায়িয হবে। বাদশা তার দরবারী আলিমদের মৌখিক ফতওয়ায় আশ্বস্ত না হতে পেরে লিখিত ফতওয়ার নির্দেশ দিলো। দরবারী আলিমরা বাদশাহকে এ ব্যাপারে লিখিত ফতওয়া দিল। বাদশাহ তাতেও নিশ্চিত হতে না পেরে বললো, এ ফতওয়াতে অন্যান্য আরো আলিমের দস্তখত লাগবে। দরবারী আলিমরা তখন তাদের সমগোত্রীয় ৩০০ আলিমের দস্তখত সংগ্রহ করে ফতওয়াটি বাদশাহর নিকট পেশ করলো। বাদশাহ ফতওয়াটি আদ্যপান্ত ভালরূপে পাঠ করে দেখে বললো যে, সেখানে তার শাহী মসজিদের যিনি খতীব, নূরুল আনওয়ার ও তাফসীরে আহ্‌মদীর ন্যায় বিশ্ববিখ্যাত কিতাবের মুছান্নিফ, তৎকালীন যামানার শ্রেষ্ঠতম আলিম, হযরতুল আল্লামা মুল্লা জিউন রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার দস্তখত ব্যতীত এ ফতওয়া গ্রহনযোগ্য হবে না। তখন দরবারী আলিমরা উক্ত ফতওয়াটি হযরত মুল্লা জিউন রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার দরবারে নিয়ে যায় দস্তখত নেবার জন্য। হযরত মুল্লা জিউন রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বললেন, আমি আজ এ ব্যাপারে কোন মন্তব্য করবো না, বরং বাদশাহ আমার মসজিদে জুমুয়ার নামাজ পড়তে আসে, তাই আমি বাদশাহ ও মুছল্লীগণের সম্মূখে এ ব্যাপারে ফতওয়া দিব। অতঃপর জুমুয়ার দিন বাদশাহ তার উজীর-নাজীরসহ জুমুয়ার নামাজ পড়ার জন্য মসজিদে গেলো। অনেক মুছল্লীও উপস্থিত হলো এবং দরবারী আলিমরাও উপস্থিত। সকলেই অপেক্ষা করছে হযরত মুল্লা জিউন রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ফতওয়া শুনার জন্য। ইতিমধ্যে হযরত মুল্লা জিউন রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি মিম্বরে উঠে বসলেন এবং বললেন, মুছল্লী ভাইয়েরা আমার নিকট ৩০০ আলিমের দস্তখত সম্বলিত একটি ফতওয়া এসেছে। যাতে বলা হয়েছে যে, বৃহত্তর স্বার্থে, বাদশাহর অসুস্থতার কারণে, বাদশাহর জন্য রেশমী কাপড় পরিধান করা জায়িয। এ ব্যাপারে আমার ফতওয়া হলো “যারা এ ফতওয়া দিয়েছে এবং যে চেয়েছে উভয়েই কাফির হয়ে গেছে।” কারণ ওহীর দরজা বন্ধ হয়ে গেছে, হারাম হারাম হিসেবে সাব্যস্ত হয়ে গেছে এবং হালাল হালাল হিসেবে সাব্যস্ত হয়ে গেছে। তাই শরীয়তের দৃষ্টিতে হারামকে হালাল আর হালালকে হারাম বলা কাট্টা কুফরী। যারা বলবে তারা কাট্টা কাফির হবে।</p><p class="bbjustify">উপরোক্ত ঘটনা দ্বারা যেরূপ দুনিয়াদার আলিম বা ধর্মব্যবসায়ী আলিমদের মুখোশ সুস্পষ্টভাবে উম্মোচিত হলো, তদ্রুপ উলামায়ে হক্ব তথা দ্বীনদার আলিম উনাদের পরিচয় বা লক্ষণও সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হলো।</p><p class="bbjustify">সুতরাং, যাঁরা দ্বীনকে রক্ষা করার জন্য সবকিছু বিসর্জন দেন, প্রতিক্ষেত্রে ছহীহ্‌ আক্বীদা পোষণ করেন, মহান আল্লাহ পাক ও উনার প্রিয়তম হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদেরকে ভয় করেন, ইলম অনুযায়ী আমল করেন, সুন্নতের ইত্তিবা (অনুসরণ-অনুকরণ) করেন, হারাম থেকে বেঁচে থাকেন উনারাই হক্কানী আলিম, আর উনারাই হলেন উম্মতের মধ্যে সর্বোত্তম।<br /></p><p class="bbjustify">আর যারা দুনিয়াবী ফায়দা হাছিলের লক্ষ্যে, দুনিয়ার সামান্য সম্পদ ও মান-সম্মান হাছিল করার জন্য ঈমান ও আমল ধ্বংস করে দেয়। যেমন বর্তমানে কেউ কেউ দুনিয়াবী ফায়দা হাছিলের জন্য বা ক্ষমতা লাভের উদ্দেশ্যে ইসলামের নামে গণতন্ত্র ভিত্তিক আন্দোলন করছে, যে গণতন্ত্র অনুসরণ করা শরীয়তের দৃষ্টিতে সম্পূর্ণ হারাম ও নাজায়িয। কারণ গণতন্ত্র হলো ইহুদী-নাছারা বা মানব রচিত মতবাদ। অথচ এক শ্রেণীর আলিম তাদের নিকট গণতন্ত্র হারাম একথা স্পষ্ট হয়ে যাওয়ার পরও তারা গণতন্ত্র চর্চা করছে। (নাঊযুবিল্লাহ্‌) মূলতঃ তাদের গণতন্ত্রভিত্তিক আন্দোলন করার উদ্দেশ্য হলো দুনিয়াবী কিছু ফায়দা হাছিল করা।<br />তাদের মধ্যে আবার কেউ কেউ অহরহ পেপার-পত্রিকায় নিজের ছবি ছাপাচ্ছে এবং ইসলামের নামে টিভি চ্যানেলে প্রোগ্রাম করছে। (নাঊযুবিল্লাহ্‌) অথচ ছবি তোলা, আঁকা, রাখা ইত্যাদি সবই শরীয়তে কাট্টা হারাম। কিন্তু তারা বিনা দ্বিধায় এ হারাম কাজগুলো করে যাচ্ছে। মূলতঃ এরাই হলো ধর্মব্যবসায়ী অর্থাৎ না-হক্ব আলিম।<br /></p></p>]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[Julhaz]]></name>
				<uri>http://rmcforum.com/user1189.html</uri>
			</author>
			<updated>2012-08-03T09:40:40Z</updated>
			<id>http://rmcforum.com/topic1833new-posts.html</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[احباب في الله]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://rmcforum.com/topic1831new-posts.html" />
			<summary type="html"><![CDATA[<p>آمَنَ الرَّسُولُ بِمَا أُنْزِلَ إِلَيْهِ مِنْ رَبِّهِ وَالْمُؤْمِنُونَ كُلٌّ آمَنَ بِاللهِ وَمَلَائِكَتِهِ وَكُتُبِهِ وَرُسُلِهِ لَا نُفَرِّقُ بَيْنَ أَحَدٍ مِنْ رُسُلِهِ وَقَالُوا سَمِعْنَا وَأَطَعْنَا غُفْرَانَكَ رَبَّنَا وَإِلَيْكَ الْمَصِيرُ ۞ لَا يُكَلِّفُ اللهُ نَفْسًا إِلَّا وُسْعَهَا لَهَا مَا كَسَبَتْ وَعَلَيْهَا مَا اكْتَسَبَتْ رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذْنَا إِنْ نَسِينَا أَوْ أَخْطَأْنَا رَبَّنَا وَلَا تَحْمِلْ عَلَيْنَا إِصْرًا كَمَا حَمَلْتَهُ عَلَى الَّذِينَ مِنْ قَبْلِنَا رَبَّنَا وَلَا تُحَمِّلْنَا مَا لَا طَاقَةَ لَنَا بِهِ وَاعْفُ عَنَّا وَاغْفِرْ لَنَا وَارْحَمْنَا أَنْتَ مَوْلَانَا فَانْصُرْنَا عَلَى الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ</p><p>The Messenger believes in what has been send down to him from his Lord, and so do the believers. Each one believes in Allah, His Angels, His Books, and His Messengers. They say: &quot;We make no distinction between any of His Messengers,&quot; and they say: &quot;We hear, and we obey. (We seek) Your Forgiveness, our Lord, and to You is the return.&quot; Allah burdens not a person beyond what he can bear. He gets reward for that (good) which he has earned, and he is punished for that (evil) which he has earned. Our Lord! Punish us not if we forget or fall into error. Our Lord! Lay not on us a burden like that which You did lay on those before us. Our Lord! Put not on us a burden greater than we have strength to bear. Pardon us and grant us forgiveness. Have mercy on us. You are our Protector, and help us against the disbelieving people.</p>]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[Rashed Loverboy]]></name>
				<uri>http://rmcforum.com/user1232.html</uri>
			</author>
			<updated>2012-07-21T10:50:49Z</updated>
			<id>http://rmcforum.com/topic1831new-posts.html</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[হাদিস কাকে বলে?]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://rmcforum.com/topic1830new-posts.html" />
			<summary type="html"><![CDATA[<p>‘হাদিস’ শব্দটির আভিধানিক অর্থ- কথা, নতুন কথা, বাণী, সংবাদ, বিষয়, অভিনব ব্যাপার ইত্যাদি।<br />পারিভাষিক ও প্রচলিত অর্থে- নবী করিম সা.-এর কথা, কাজ, সমর্থন, আচরণ এমনকি তাঁর দৈহিক ও মানসিক কাঠামো সংক্রান্ত বিবরণকে হাদিস বলে। [মুকাদ্দমা সহীহ আল বুখারি; মুকাদ্দমা মিশকাতুল মাসাবীহ]<br />পূর্বকালে সাহাবায়ে কিরামের কথা, কাজ ও সমর্থনকেও হাদিস বলা হতো। অবশ্য পরে উসূলে হাদিসে তাঁদের কথা, কাজ ও সমর্থনের নাম দেয়া হয়েছে ‘আছার’ এবং ‘হাদিসে মওকূফ’। তাবেয়ীগণের কথা, কাজ ও সমর্থনের নাম দেয়া হয়েছে ‘ফতোয়া’। [ইবন হাজর আসকালানী : তাওজীহুন নযর]</p>]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[Rashed Loverboy]]></name>
				<uri>http://rmcforum.com/user1232.html</uri>
			</author>
			<updated>2012-07-21T10:44:00Z</updated>
			<id>http://rmcforum.com/topic1830new-posts.html</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[মুসলমান ইফতারি সামনে নিয়ে আজানের জন্য অপেক্ষা করতে থাকে]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://rmcforum.com/topic1829new-posts.html" />
			<summary type="html"><![CDATA[<p>রাসুল (সাঃ) বলেছেনঃ যখন একজন রোজাদার মুসলমান ইফতারি সামনে নিয়ে আজানের জন্য অপেক্ষা করতে থাকে, কিন্তু ইফতারি স্পর্শ করে না; তখন মহান আল্লাহ তাঁর ফেরেশতাদের বলেনঃ “এই বান্দা-রা বসে আছে কেন? এদের সামনে তো খাবার আছে!” উত্তর দেনঃ “হে আল্লাহ! এঁরা আপনাকে সন্তুষ্ট করার জন্য আজ সারাদিন দানা-পানি স্পর্শ না করে সংযম করে রোজা রেখেছে; আর, এখন অপেক্ষা করছে—আপনার হুকুমের (আযানের) জন্য; যদি-ও তাঁদের সামনে অনেক খাবার আছে, তাঁরা আপনার হুকুম (আজান) পেলে-ই স্পর্শ করবে” আল্লাহ ফেরেশতাদের কে বলেনঃ “আমি যখন এঁদের সৃষ্টি করি, তখন তোমরা বলেছিলেঃ এঁরা কেবল বিবাদ করবে! অথচ, এঁরা শুধু আমাকে সন্তুষ্ট করার জন্য সংযম করছে না!” ফেরেশতা রা তখন ভুল স্বীকার করে নিশ্চুপ থাকবে। মহান আল্লাহ বলবেনঃ “ইফতারি স্পর্শ করার সাথে সাথে (আযানের সাথে সাথে) এই সংযম-পালন কারীদের সকল চাওয়া-পাওয়া, দোয়া, মনের ইচ্ছা পুরন করে দাও; যারা রোজাদার—তাঁদের কে আমার পক্ষ থেকে ক্ষমার সু-সংবাদ দিয়ে দাও; তাঁরা যা কল্পনা-ও করেনি, সেই রহমত, বরকত, দিয়ে দাও।”<br />[বুখারী শরিফ; সাওম]</p>]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[Rashed Loverboy]]></name>
				<uri>http://rmcforum.com/user1232.html</uri>
			</author>
			<updated>2012-07-21T10:37:44Z</updated>
			<id>http://rmcforum.com/topic1829new-posts.html</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[মানবাধিকার লঙ্ঘনকারীরা মুসলিম বিশ্বে মানবাধিকারের ত্রাণকর্তা সেজেছে]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://rmcforum.com/topic1827new-posts.html" />
			<summary type="html"><![CDATA[<p><p class="bbjustify">পশ্চিমা দেশগুলো ও জাতিসংঘ সবসময় মানবাধিকার কথা বলে বেড়ায়। মুসলিম দেশগুলোকে কথিত মানবাধিকারের নামে চাপে রাখে। কিন্তু নিজেরা যেভাবে অব্যাহতভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন করে আসছে সেটা তারা দেখেনা আর দেখলেও না দেখার ভান করে। এমনকি যে জাতিসংঘ কথিত মানবাধিকার রক্ষার নামে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল বাস্তবে সে জাতিসংঘ একটা বহুরূপী ইহুদীবাদী সংস্থায় পরিণত হয়েছে। পশ্চিমা ইহুদী-খ্রিস্টান দেশগুলোর স্বার্থ রক্ষা আর ইসলাম বিরোধী আইন-কানুন তৈরী ও মুসলিম দমনই যেন এর প্রধান কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মানবাধিকারের নামে বিভিন্ন ইসলাম বিরোধী আইন কানুন তৈরী করে মুসলিম দেশগুলোর উপর চাপিয়ে দিচ্ছে। মানতে বাধ্য করছে।</p><p class="bbjustify"><span class="bbhighlight">ইহুদীবাদী এ সংস্থাটি মুসলিম দেশ ইন্দোনেশিয়া থেকে পূর্ব তিমুরকে এবং সুদান থেকে দক্ষিণ সুদানকে গণভোটের মাধ্যমে দুটি স্বাধীন খ্রিস্টান দেশ তৈরী করে দিয়েছে। এর আগে মুসলিম দেশ ইথিওপিয়া থেকে ইরিত্রিয়াকে আলাদা করে আরেকটি স্বাধীন খ্রিস্টান দেশ তৈরী করে। এ ইহুদীবাদী সংস্থাটির তত্বাবধানে পার্বত্য চট্টগ্রামে উপজাতিদের খ্রিস্টান বানিয়ে বাংলাদেশে আলাদা খ্রিস্টান রাজ্য গড়ার পথ অনেকদূর এগিয়ে নিয়ে গেছে। অথচ আরবে ফিলিস্তিন, ভারতে কাশ্মীর, চীনে উইঘুর, রাশিয়ায় চেচনিয়া, মিয়ানমারে আরাকান, ফিলিপাইনে মিন্দানাও, থাইল্যান্ডে ইয়ালা, পাত্তানি ও নারাথিওয়া ইত্যদি প্রদেশের স্বাধীনতা দিতে গণভোট আয়োজনে ইহুদীবাদী জাতিসংঘের অনীহা প্রচ-। অথচ এসব প্রদেশে দশকের পর দশক ধরে মুসলমানদের রক্ত ঝরছে।</span></p><p class="bbjustify">তাছাড়া সারা বিশ্বে মুসলমানদের উপর বৈষম্য বাড়ছে ক্রমাগত হারে। বিভিন্ন যালিম দেশ মুসলমানদের উপর অব্যাহতভাবে নির্যাতন করে যাচ্ছে, একের পর এক মুসলিম দেশ দখল করে নিচ্ছে। মুসলমাদের ধর্মীয় অধিকার দলিত-মথিত করে নিশ্চিহ্ন করে দিতে চাচ্ছে।</p><p class="bbjustify"><span class="bbhighlight"><strong>সুইজারল্যান্ড আইন করে সেদেশে মিনার নির্মাণ নিষিদ্ধ করেছে।</span></strong></p><p class="bbjustify"><strong><span class="bbhighlight">বোরকা তথা পর্দা নিষিদ্ধ করেছে ফ্রান্স, জার্মানি, নেদারল্যান্ডসে।</span></strong></p><p class="bbjustify"><strong><span class="bbhighlight">ডেনমার্কে আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কার্টুন প্রকাশ করেছে।</span></strong></p><p class="bbjustify"><strong><span class="bbhighlight">নেদারল্যান্ডে কুরআন শরীফ পুড়িয়েছে আবার ছিঁড়ে ফেলার দৃশ্য প্রকাশও করেছে। কুরআন শরীফ-এর নামে ফ্যাসিবাদী চরিত্র নিয়ে সিনেমাও করেছে নেদারল্যান্ডে।</span></strong></p><p class="bbjustify"><strong><span class="bbhighlight">জার্মানিতে উম্মুল মু’মিনীন হযরত আয়িশা ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার প্রতি অপবাদ লেপন করে ‘জুয়েল অব মদিনা’ নামক অপন্যাস বের করেছে। (নাউযুবিল্লাহ)</strong></span></p><p class="bbjustify">অথচ এসব বিষয়ে তথা মুসলমানদের রাষ্ট্রীয় অধিকার, ধর্মীয় অধিকার ক্ষুন্ন করার বিষয়ে তথাকথিত মানবাধিকারের ধ্বজাধারী জাতিসংঘসহ পশ্চিমা দেশগুলোর কোন প্রতিবাদ নেই, কোন শব্দ নেই, কোন উদ্যোগ নেই। কিন্তু কেন?</p><br /><p class="bbcenter"><img class="sigimage" src="http://2.bp.blogspot.com/_t2Ry7I5DNuQ/TO6modSIbPI/AAAAAAAAF-w/McxS-PEogcA/s1600/burn%2Bquran.jpg" alt="http://2.bp.blogspot.com/_t2Ry7I5DNuQ/TO6modSIbPI/AAAAAAAAF-w/McxS-PEogcA/s1600/burn%2Bquran.jpg" /></p><p class="bbcenter"><img class="sigimage" src="http://i.ytimg.com/vi/cBwVZO8sYi8/0.jpg" alt="http://i.ytimg.com/vi/cBwVZO8sYi8/0.jpg" /><img class="sigimage" src="http://lstcccme.files.wordpress.com/2011/04/koran-burning.jpg" alt="http://lstcccme.files.wordpress.com/2011/04/koran-burning.jpg" /></p><p class="bbcenter"><img class="sigimage" src="http://www.metalkingdom.net/album/cover/d34/35772_janaza_burning_quran_ceremony.jpg" alt="http://www.metalkingdom.net/album/cover/d34/35772_janaza_burning_quran_ceremony.jpg" /></p></p>]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[Julhaz]]></name>
				<uri>http://rmcforum.com/user1189.html</uri>
			</author>
			<updated>2012-07-21T04:43:30Z</updated>
			<id>http://rmcforum.com/topic1827new-posts.html</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[চাঁদ দেখাকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে সউদী আরবে আগাম রমাদ্বান মাস ঘোষণা]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://rmcforum.com/topic1825new-posts.html" />
			<summary type="html"><![CDATA[<p><p class="bbjustify">হাদীছ শরীফ-এ রয়েছে, আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, “হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, তোমরা রোযা রাখ চাঁদ দেখে, ইফতারী কর চাঁদ দেখে। যদি ২৯ তারিখে আকাশ মেঘলা হয়, চাঁদ দেখা না যায় তাহলে ৩০ তারিখ গণনা করে ঈদ করবে। <strong>(বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ, মিশকাত শরীফ)</strong></p><p class="bbjustify">হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে-“হযরত আবু হুরাইরা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, তোমরা রোযা রাখ চাঁদ দেখে এবং রোযা ভাঙ্গ চাঁদ দেখে। যদি মেঘের কারণে তোমাদের প্রতি চাঁদ গোপন থাকে তবে শা’বান মাস ত্রিশ দিন পূর্ণ করবে।” <strong>(বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ, মিশকাত শরীফ ১৭৪)</strong></p><p class="bbjustify">অর্থাৎ ২৯ শে শা’বান যদি কোন কারণবশতঃ চাঁদ দেখা না যায় তবে শা’বান মাসকে ৩০ দিন পূর্ণ করে অতঃপর রমাদ্বান শরীফ এর রোযা রাখবে।<br />আবার ২৯ শে রমদ্বান শরীফ যদি চাঁদ দেখা না যায় তাহলে রমাদ্বান শরীফ এর রোযা ৩০টি পূর্ণ করে ১লা শাওওয়াল ঈদুল ফিতর উদযাপন করতে হবে।<br />আরো ইরশাদ হয়েছে, “হযরত আবু হুরাইরা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, তোমরা রমাদ্বান শরীফ এর রোযা পালনের জন্য সঠিকভাবে শা’বানের চাঁদের হিসাব রাখবে।” <strong>(তিরমিযী শরীফ, মিশকাত শরীফ ১৭৪)</strong></p><p class="bbjustify">চাঁদ দেখে মাস নির্ধারণ করতে হবে। চাঁদ দেখার মাসয়ালা হচ্ছে, শা’বান, রমাদ্বান শরীফ, শাওওয়াল এবং যিলহজ্জ এ চার মাসে চাঁদ তালাশ করা হচ্ছে ওয়াজিবে কিফায়াহ। কারো কারো মতে, ফরযে কিফায়াহ। কিছু লোককে চাঁদ তালাশ করতেই হবে।</p><p class="bbjustify">এখন রমাদ্বান শরীফ, শাওওয়াল এবং যিলহজ্জ এ তিনমাস ব্যতীত যে নয় মাস রয়েছে এ নয় মাসের চাঁদের হুকুম হচ্ছে, আকাশ পরিষ্কার থাকুক অথবা মেঘলা থাকুক এই নয় মাসের চাঁদ দেখার জন্য দু’জন পুরুষ স্বাক্ষী দিবে অথবা একজন পুরুষ দু’জন মহিলা স্বাক্ষী দিবে তাহলে রমাদ্বান শরীফ, শাওওয়াল, জিলহজ্জ এই তিনমাস ব্যতিত অন্য মাসের চাঁদগুলোকে গ্রহণ করা হবে।</p><p class="bbjustify">শাওওয়াল এবং যিলহজ্জ এ দু’মাসের চাঁদ দেখার হুকুম হচ্ছে আকাশ মেঘলা থাকলে কমপক্ষে দু’জন পুরুষ অথবা এক জন পুরুষ দু’জন মহিলা চাঁদ দেখতে হবে।<br />আর যদি আকাশ পরিষ্কার থাকে তাহলে শাওওয়াল এবং যিলহজ্জ অর্থাৎ রোজার ঈদ এবং কুরবানীর ঈদের চাঁদ এত সংখ্যক লোক দেখতে হবে, যেটা মিথ্যা বলা সম্ভব নয়।</p><p class="bbjustify">আকাশ পরিষ্কার থাকলে রমাদ্বান শরীফ এর চাঁদ দেখার জন্য এতসংখ্যক লোকের দেখার প্রয়োজন রয়েছে, যেটা মিথ্যা বলা সম্ভব নয়।<br />আর রমাদ্বান শরীফ এর চাঁদ অর্থাৎ ২৯শে শা’বান যদি আকাশ মেঘলা থাকে তাহলে রমাদ্বান শরীফ এর জন্য ১জন পুরুষ অথবা ১জন মহিলা চাঁদ দেখলেই সেটা রমাদ্বান শরীফ এর চাঁদ হিসেবে গণ্য হবে।</p><p class="bbjustify">হাদীছ শরীফ-এ রয়েছে, “হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, লোকজন চাঁদ দেখলে আমিও দেখলাম, আমি দেখে এসে বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ ইয়া হাবীবাল্লাহ ছলাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমি চাঁদ দেখেছি। যখন আমি স্বাক্ষী দিলাম, তখন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমার সাক্ষী গ্রহণ করে নিজেও রোযা রাখলেন মানুষকেও রোযা রাখতে বললেন।”&nbsp; <strong>(আবূ দাঊদ শরীফ, দারিমী শরীফ, মিশকাত শরীফ)</strong></p><p class="bbjustify">মোটকথা, রমাদ্বান শরীফ-এর চাঁদ দেখার জন্য আকাশ যদি মেঘলা তাকে তাহলে ১জন পুরুষ বা একজন মহিলা দেখলেই সেটা যথেষ্ট কিন্তু আকাশ পরিষ্কার থাকলে এত সংখ্যক পুরুষ বা মহিলা চাঁদ দেখতে হবে যেটা মিথ্যা বলা সম্ভব নয়।</p><p class="bbjustify">এখন চাঁদ দেখার জন্য কোশেশ বা চেষ্টা করতে হবে। এতে কোন ত্রুটি করা যাবে না। কেননা চাঁদ তালাশ করা হচ্ছে ওয়াজিবে কিফায়াহ।<br />তবে বিশেষ করে মুসলমান দেশগুলোতে যদি হিলাল কমিটি থাকে তাহলে হিলাল কমিটি দেখলেই সমস্ত লোকের ওয়াজিবে কিফায়া আদায় হয়ে যাবে। তারপরেও জনগণের জন্য সেটা তালাশ করার হুকুম রয়েছে। যেহেতু শা’বান, রমাদ্বান শরীফ, শাওওয়াল, যিলহজ্জসহ প্রতিটি মাস মুসলমানদের ইবাদত বান্দেগীর সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই চাঁদ তালাশ করা ফরযে কিফায়া, ওয়াজিব কিফায়াহ ফতওয়া দেয়া হয়েছে। এখন অবশ্যই কিছু লোককে চাঁদ তালাশ করতেই হবে। যদি কেউ তালাশ না করে তাহলে সকলেই ফরয এবং ওয়াজিব তরকের গুনায় গুনাহগার হবে।<br />বর্তমান যুগ বিজ্ঞানের যুগ তাই চাঁদ দেখার জন্য মুসলিম বিজ্ঞানীগণ কতগুলো শর্ত বের করেছেন সে শর্তগুলো পূর্ণ হলে আরবী মাসের ২৯তম দিনে চাঁদ দেখতে পাওয়ার সম্ভবনা থাকে। অর্থাৎ অগ্রীম বুঝা যায় যে, চাঁদ দেখা যাবে কিংবা যাবে না। কিন্তু তারপরও চাক্ষুষ চাঁদ দেখা শরীয়তের শর্ত।</p><p class="bbjustify">মুসলিম বিজ্ঞানীগণ কতগুলো শর্ত বের করেছেন সে শর্তগুলো হলো-<br /><strong>১)&nbsp; &nbsp; চাঁদের বয়স&nbsp; &nbsp; :</strong> <span class="bbu">সাধারণভাবে চাঁদ দেখতে পাওয়ার সর্বনিম্ন বয়স ১৭ ঘণ্টা এবং সর্বোচ্চ ২৪ ঘণ্টা।</span><br /><strong>২)&nbsp; &nbsp; চন্দ্র, সূর্যের কৌণিক দূরত্ব :</strong> বর্তমানে বায়ুমণ্ডলের দূষণ, আলোর দূষণ এবং ধূলাবালির কারণে চাঁদ সূর্য থেকে ১০-১০.৫ ডিগ্রী পর্যন্ত সরে আসলে তারপর চাঁদ দৃশ্যমান হয়। এই পরিমাণ কোণ তৈরী করতে চাঁদের লাগে প্রায় ১৭ থেকে ২৩ ঘণ্টা।<strong><br />৩)&nbsp; &nbsp; দিগন্তরেখার উপর চাঁদের উচ্চতা :</strong> <span class="bbu">সাধারণত যে চাঁদ সূর্যাস্তের সময় দৃশ্যমান হবে সাধারণতঃ সে চাঁদকে ১০ ডিগ্রী উচ্চতায় বা তার চেয়েও অধিক উচ্চতায় অবস্থান করতে হয়।</span><br /><strong>৪)&nbsp; &nbsp; সূর্যাস্তের লাল আভা বিকিরণের বিস্তৃতি ও স্থায়ীত্ব :</strong> দিগন্তের উজ্জলতার চেয়ে চাঁদের উজ্জলতা কম থাকলে খালি চোখে চাঁদ দৃশ্যমান হয় না।<strong><br />৫)&nbsp; &nbsp; হিলালের তীর্যক পথ ও খাড়া পথে গমণ :</strong> অনেক সময় চাঁদের ৪০ ঘণ্টা বয়স না হলে দেখা যায় না এর কারণ হচ্ছে, হিলালের পথ পশ্চিমাকাশে তীর্যকভাবে থাকে, খাড়াভাবে থাকে না। হেলানো বা তীর্যকপথে হিলালের অস্ত যেতে সময় লাগে অনেক কিন্তু সূর্যের মধ্যে ডুবে থাকার কারণে দেখা যায় না।<br /><strong>৬)&nbsp; &nbsp; হিলালের আলোকিত অংশ বা চাঁদের পুরুত্ব :</strong> যে চাঁদ তার জন্মের সময় সম্পূর্ণ অন্ধকার থাকে না তাকে দেখার সম্ভাবনা, যে চাঁদ অমাবস্যার সময় সম্পূর্ণ অন্ধকার থাকে তার চেয়ে দেখার সম্ভাবনা বেশি থাকে। যদিও চাঁদের বয়স সমান থাকে। এ কারণেই বিজ্ঞানীরা চাঁদের প্রশস্থতাকে চাঁদ দেখার একটি শর্ত হিসেবে উল্লেখ করেছেন।<br /><strong>৭)&nbsp; &nbsp; পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্ব এবং সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব :</strong> পৃথিবীর চতুর্দিকে চাঁদের কক্ষপথ কখনই পরিপূর্ণ গোল নয় বরং উপবৃত্তাকার। সে কারণে চাঁদ পৃথিবীর কাছে থাকে এবং কখনও দূরে অবস্থান করে। আবার সূর্যের চতুর্দিকে পৃথিবীর কক্ষপথও পুরোপুরি গোলাকার নয় বরং উপবৃত্তাকার। সুতরাং পৃথিবী কখনও সূর্যের কাছে থাকে এবং কখনও দূরে।<br />তাই চাঁদ ও পৃথিবীর সূর্যের কাছাকাছি অবস্থান এবং কখনও দূরে অবস্থানের বিষয়টি চাঁদ কখন, কোথায় প্রথম দৃশ্যমান হবে তার সাথে জড়িত।<br /><strong>৮)&nbsp; &nbsp; রাস্তাঘাট ও বাড়ীঘরের আলো :</strong> রাস্তাঘাটের অতিরিক্ত আলো যে অস্বচ্ছ পরিবেশ সৃষ্টি করে তা চাঁদ দেখতে পাবার জন্যে যথেষ্ট বাধার কারণ। অনেক সময় আকাশ পরিস্কার থাকলেও রাস্তাঘাটের উজ্জ্বল আলো চাঁদের ম্লান আলোকে বাধাগ্রস্ত করে।<br /><strong>৯)&nbsp; &nbsp; বায়ুস্তরে ভাসমান পদার্থের পরিমান :</strong> ‌বাতাসে ভাসমান ধুলিকণা হিলালের আলো বিক্ষিপ্তভাবে প্রতিফলিত করে থাকে। এই বিক্ষিপ্ত আলো আমাদের চোখে পৌঁছেনা। যে অঞ্চলে বাতাসে ধুলিকণার পরিমাণ খুব বেশী সেখানে অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় হিলাল দেখার সম্ভাবনা কম হবে।<br /><strong>১০)&nbsp; &nbsp; চাঁদ ও সূর্যের অস্ত যাওয়ার সময়ের পার্থক্য :</strong> <span class="bbu">চাঁদ ও সূর্যের অস্ত যাওয়ার সময়ের পার্থক্য যদি ৪২ মিনিট হয় তবে প্রথম ১০ মিনিটে চাঁদ দৃশ্যমান হবে না। সূর্য অস্ত যাওয়ার ২০-৩০ মিনিট পর চাঁদ দৃশ্যমান হবে।</span><strong><br />১১)&nbsp; &nbsp; আজীমাত :</strong> চাঁদ প্রতি মাসে একই স্থানে দেখা যায় না। পশ্চিমে ডান ও বামে সরে সরে আসে।<br /><strong>১২)&nbsp; &nbsp; গোধুলী :</strong> সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গেই আকাশ অন্ধকার হয় না। দৃশ্যতঃ সূর্যাস্তের পরও বায়ুমন্ডলের উপরিভাগ সূর্যের রশ্মিকে কিছুক্ষণ ধরে রাখতে সক্ষম হয় এবং আকাশ আলোকিত করে।</p><p class="bbjustify">উপরোক্ত শর্তসমূহের সংক্ষিপ্ত আলোচনা হতে দেখা যায় যে, চাঁদের বয়স ১৭-২৩ ঘন্টা হলেও অন্যান্য শর্তসমূহ পূর্ণ না হলে চাঁদ দেখা যাওয়ার সম্ভবনা কম থাকে।</p><p class="bbjustify"><span class="bbhighlight"><strong>অথচ সউদী আরবের তথাকথিত আলিম আব্দুল্লাহ আলমানী চাঁদ দেখাকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে আগাম ঘোষণা দিয়েছে যে, ২২শে ছানী ১৩৮০ শামসী সন (অর্থাৎ ২০শে জুলাই ২০১২ ঈসায়ী সন) ইয়াওমুল জুমুয়াতি বা শুক্রবার হবে সউদী আরবে পহেলা রমাদ্বান শরীফ। নাউযুবিল্লাহ!</strong></span></p><p class="bbjustify"><strong>২১শে ছানী ১৩৮০ শামসী সন (১৯শে জুলাই ২০১২ ঈসায়ী সন) ইয়াওমুল খামীসি বা বৃহস্পতিবার সউদী আরবে অমাবস্যার দিন।</strong></p><p><strong>সেদিন অমাবস্যা সংঘটিত হবে : সউদী আরবের সময় অনুযায়ী সকাল ৭টা ২৪ মিনিটে</strong></p><p><strong>সেদিন সূর্যাস্ত হবে : সউদী আরবের সময় অনুযায়ী সন্ধ্যা ৭টা ৭ মিনিটে</strong></p><p><strong>অর্থাৎ <span class="bbhighlight">সূর্যাস্তের সময় চাঁদের বয়স হবে : ১১ ঘন্টা ৪৩ মিনিট</strong></span></p><p><strong>আর চন্দ্রাস্ত হবে : সউদী আরবের সময় অনুযায়ী সন্ধ্যা ৭টা ১৩ মিনিটে</strong></p><p><strong>অর্থাৎ <span class="bbhighlight">চাঁদ ও সূর্যের অস্ত যাওয়ার সময়ের পার্থক্য : মাত্র ৬ মিনিট</strong></span></p><p><strong>এছাড়া <span class="bbhighlight">চাঁদের উচ্চতা থাকবে দিগন্তরেখা বরাবর (০ ডিগ্রি)</strong></span></p><p class="bbjustify"><strong>এমতাবস্থায় <span class="bbhighlight">২১শে ছানী ১৩৮০ শামসী সন (১৯শে জুলাই ২০১২ ঈসায়ী সন) ইয়াওমুল খামীসি বা বৃহস্পতিবার সউদী আরবে চাঁদ দৃশ্যমান হওয়ার কোনোই সম্ভাবনা নেই।</span></strong></p><p class="bbjustify">আর বলার অপেক্ষাই রাখে না যে, <span class="bbhighlight">শরীয়তে চাঁদ দেখা ছাড়া কোনভাবেই অগ্রীম কোন আরবী মাস শুরু করা সম্পূর্ণ অবৈধ।</span> কেননা হাদীছ শরীফ-এ স্পষ্ট ইরশাদ হয়েছে-“হযরত আবু হুরাইরা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, তোমরা রোযা রাখ চাঁদ দেখে এবং রোযা ভাঙ্গ চাঁদ দেখে। যদি মেঘের কারণে তোমাদের প্রতি চাঁদ গোপন থাকে তবে শা’বান মাস ত্রিশ দিন পূর্ণ করবে।” <strong>(বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ, মিশকাত শরীফ ১৭৪)</strong></p><br /><p class="bbjustify"><strong>এমতাবস্থায় সারাবিশ্বের মুসলমানগণের জন্য ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে, সউদী ওহাবী সরকারের এরূপ শরীয়তবিরোধী ও মনগড়া কর্মকাণ্ডের তীব্র প্রতিবাদ করা।</strong></p></p>]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[Julhaz]]></name>
				<uri>http://rmcforum.com/user1189.html</uri>
			</author>
			<updated>2012-07-16T14:16:32Z</updated>
			<id>http://rmcforum.com/topic1825new-posts.html</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[গরমিলে ভরা রমাদ্বানের ক্যালেন্ডারগুলোর কোনটি সাধারণ মানুষ অনুসরণ করবে?]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://rmcforum.com/topic1824new-posts.html" />
			<summary type="html"><![CDATA[<p><p class="bbjustify">আমাদের দেশের শাসকশ্রেণীর ইসলাম সম্পর্কে অজ্ঞতা এবং উলামায়ে ‘সূ’দের অপব্যাখ্যার কারণে দেশের সাধারণ মানুষ ইসলামের সঠিক শিক্ষা এবং তা পালন থেকে অনেক দূরে। ৯৭ ভাগ মুসলমানের এ দেশটিতে ইসলাম একটি আনুষ্ঠানিকতা সর্বস্ব বিষয় হিসেবে রূপ লাভ করেছে। শরীয়ত মুতাবিক পালিত না হয়ে অনেক বিষয় লৌকিকতা সর্বস্ব সংস্কৃতির মধ্যে প্রবেশ করেছে। সে কারণেই-<br /><strong>* রমাদ্বান শরীফ-এর রোযার ফরয-ওয়াজিব ভুলে গিয়ে মানুষ ইফতার পার্টির আনন্দে মেতে উঠে।<br />* ইফতারের আয়োজনে নারী-পুরুষের সমাগম হয় পর্দার গুরুত্ব উপেক্ষা করে।<br />* দোয়া কবুলের ঈদের রাতটিকে ভুলে গিয়ে মানুষ শরীয়ত বর্হিভূত আনন্দ আর বেহায়াপনায় মেতে উঠে।<br />* রোযার পূর্বেই শুরু হয় পত্রিকাগুলোতে ঈদ ফ্যাশনের কাভারেজ। অসংখ্য অশ্লীল ছবিতে ভরে যেতে থাকে পত্রিকাগুলো।<br />* মিডিয়াগুলো ব্যস্ত হয়ে উঠে খেল-তামাশা প্রচারে।&nbsp; নাউযুবিল্লাহ!</strong></p><p class="bbjustify">রমাদ্বানের গুরুত্ব বোঝাতে গিয়ে (অনেকটা বাণিজ্যিক কারণে) পত্রিকাগুলো সৌজন্যমূলক রমাদ্বানের শুভেচ্ছা জানায় আর প্রকাশ করে সাহরী-ইফতারের একটি সময়সূচি। সাহরী-ইফতারের সময়সূচি প্রকাশ করতে গিয়ে পত্রিকাগুলো ধর্মীয় দায়িত্ববোধের চেয়ে লৌকিকতা সর্বস্ব সাংস্কৃতিক দায়িত্ববোধ দ্বারা বেশি তাড়িত থাকে। ফলে <strong>তাদের প্রকাশিত সময়সূচি অনুসরণ করে রোযাদারের রোযা হবে কি হবে না সে ব্যাপারে তাদের কোনো মাথাব্যথা নেই। </strong>আরও একটি কারণ হলো- তারা তথ্য সূত্রে কোনোভাবে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের নাম যোগ করতে পারলেই ভাবে সব দায়িত্ব শেষ। অথচ<span class="bbhighlight"> ইসলামিক ফাউন্ডেশনের নামাযের সয়মসূচিও কিন্তু ত্রুটিমুক্ত নয়।</span> আর ইসলামিক ফাউন্ডেশন (ইফা)’র নামাযের সময়সূচি ছাড়া অন্যান্য তথ্য সূত্র থেকে যারা সাহরী-ইফতারের সময়সূচি তৈরি করেন তাদের আরও সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।</p><p class="bbjustify"><a href="http://www.rmcforum.com/topic1796.html" target="_blank">বাজারে প্রচলিত অনেক ক্যালেন্ডারেই কয়েকটি জেলার সময়সূচির পার্থক্য ঢাকার সঙ্গে যতটুকু হওয়া উচিত তার চেয়ে ভিন্নভাবে প্রকাশ করা হয়ে থাকে। </a>আবার অনেক দৈনিক পত্রিকায় যে সময়সূচি প্রকাশ করা হয়ে থাকে তার একটির সঙ্গে অন্যটির কোনো মিল থাকে না।<br />এছাড়াও কয়েকটি তথাকথিত মাদরাসা থেকে প্রকাশিত সাহরী ও ইফতারের সময়সূচিতে বড় রকমের ভুল পরিলক্ষিত হয়। উলামায়ে ‘সূ’দের অজ্ঞতার কারণে ‘মাছি মারা কেরানী’র মতো অন্ধ অনুকরণ করতে গিয়ে এ ভুলের জন্ম দিয়ে থাকে। এর মধ্যে নানান একাডেমী এবং নানান কমিটির প্রকাশিত সময়সূচি উল্লেখযোগ্য।</p><p class="bbjustify">আজকাল যদিও বিভিন্ন কম্পিউটার সফটওয়্যারের মাধ্যমে নামাযের সময়সূচি নির্ণয় করা যায় তথাপি সফটওয়্যারের সময়সূচি নির্ধারণেও অনেকগুলো বিষয়ের উপর লক্ষ্য রাখতে হয়। যেমন-<br />১। প্রভাত এবং সন্ধ্যার আলোর যথাক্রমে শুরু এবং শেষ (<a href="http://www.rmcforum.com/topic1793.html" target="_blank">Twilight angle of sunrise and sunset</a>)<br />২। ঐ স্থানের সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা।<br />৩। ঐ স্থানের কেন্দ্র থেকে কতটা দূরত্বের সময়সুচি নির্ণয় করতে হবে।<br />৪। কোন মাযহাব অনুযায়ী নির্ণয় করতে হবে।<br />৫। সূর্যাস্তের (Apparent sunset) সময়ের সাথে সতর্কতামূলক সময় যোগ।<br />৬। অক্ষাংশ এবং দ্রাঘিমাংশের সঠিক ব্যবহার ইত্যাদি।</p><p class="bbjustify">উপরের বিষয়গুলোর জন্য সঠিক মান ব্যবহৃত না হলে সময়সূচিতে ভুল হয়ে যাবে। এছাড়াও মনে রাখা প্রয়োজন, সূর্যের চতুর্দিকে পৃথিবীর ঘূর্ণনের কারণে সারা বছরের বিভিন্ন মাসেই ঢাকার সাথে অন্যান্য জেলার সময়ের কিছু পার্থক্য ঘটে। প্রতিমাসের জন্য এই পার্থক্য এক রকম নয়। সুতরাং, এ বছর যেহেতু <a href="http://attaqweemush-shamsi.net/" target="_blank">ছানী মাসে</a> (জুলাই মাসে) রমাদ্বান শরীফ শুরু হবে সুতরাং ছানী মাসের সময়ের পার্থক্যের মধ্য থেকে দু’টো মান নির্ধারণ করতে হয়, একটি সাহরীর সর্বনিম্ন পার্থক্যের মান আর ইফতারের জন্য সর্বোচ্চ পার্থক্যের মান। সাবধানতার জন্য ঢাকার সাহরীর সময়ের সাথে সর্বনিম্ন পার্থক্যের মান যোগ করে অন্য জেলার সাহরীর সময় নির্ধারণ করতে হয় আর ইফতারের সময়ের জন্য ঢাকার ইফতারের সময়ের সাথে সর্বোচ্চ পার্থক্যের মান যোগ করে অন্য জেলার ইফতারের সময়সূচি নির্ণয় করতে হয়। আর যে সকল জেলার সময় নির্ধারণে ঢাকার সময় থেকে বিয়োগ দিতে হয় সেখানে বিপরীত ব্যবস্থা নেয়া হয়।</p><p class="bbjustify">কোনো পত্রিকা বা মাদরাসা প্রতিষ্ঠানগুলোর নামাযের এবং সাহরী ও ইফতারের সময়সূচিতে এ সাবধানতা অবলম্বন করা হয় না। ফলে, বিভিন্ন সময়সূচিতে বিভিন্ন রকম সময়ের উল্লেখ করা হয়ে থাকে।<br />অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, যাদের হাতের কাছে যে সময়সূচি পাওয়া যায় তারই কপি করে প্রকাশ করে। ফলে যেখানে যা ভুল থাকে তারই পুনঃমুদ্রণ ঘটে। অথচ ফরয আমলের বিষয় সম্পর্কে ইলম হাছিল করাও ফরয। সুতরাং এ বিষয়টি প্রকাশনার সময় যথেষ্ট সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।</p><p class="bbjustify"><span class="bbhighlight">একটি জেলার জন্য যদি কয়েকটি ক্যালেন্ডারে কয়েক রকমের সময়ের পার্থক্য পাওয়া যায় তাহলে সাধারণ মানুষ কোনটি অনুসরণ করবে। সমূহ পত্রিকা এবং মাদরাসা প্রতিষ্ঠান যারাই নামাযের সময়সূচি বা সাহরী ও ইফতারের সময়সূচি প্রকাশ করুক তাদের উচিত হবে এ বিষয়ে যাঁরা অভিজ্ঞ উনাদের স্মরণাপন্ন হওয়া। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের তথ্য সূত্র ব্যবহার করে পার পাওয়া যাবে না; যেহেতু ইসলামিক ফাউন্ডেশন নিজেই ত্রুটিযুক্ত।</span></p><p class="bbjustify"><span class="bbhighlight">নামাযের সময়সূচি বা ইফতারের সঠিক সময়সূচি নিরূপণ করাটা কঠিন। কিন্তু যতটা সম্ভব সঠিক করার চেষ্টা করতে হবে। অতঃপর অনিচ্ছায় ভুল হলে মহান আল্লাহ পাক তিনি ক্ষমা করবেন। মহান আল্লাহ পাক তিনি অন্তরের খবর রাখেন। কিন্তু যারা লোক দেখানো ইসলামের সেবা করে তাদের দ্বারা এর চেয়ে ভালো কিছু আশা করা বৃথা।</span></p><br /><p class="bbjustify"><strong><a href="http://www.sabujbanglablog.net/wp-content/uploads/2012/07/Rawmadan-Calander-14332.jpg" target="_blank">গবেষণা কেন্দ্র- “মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ” থেকে প্রকাশিত সাহরী ও ইফতারীর নির্ভুল সময়সূচি সম্বলিত ক্যালেন্ডার</a>টি সংরক্ষণ ও অনুসরণ যোগ্য। কেননা গবেষণা কেন্দ্র- “মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ” “সার্ভে অব বাংলাদেশ ডিফেন্স” হতে সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে যাচাই-বাচাই করে নির্ভুল অক্ষাংশ ও দ্রাঘীমাংশ নির্ণয়পূর্বক কম্পিউটার প্রোগ্রাম দ্বারা ঢাকাসহ বিভিন্ন বিভাগের নিঁখুতভাবে সময়সূচি নির্ণয় করার চেষ্টা করে থাকে।</strong></p></p>]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[Julhaz]]></name>
				<uri>http://rmcforum.com/user1189.html</uri>
			</author>
			<updated>2012-07-13T10:52:07Z</updated>
			<id>http://rmcforum.com/topic1824new-posts.html</id>
		</entry>
</feed>
